এখন ০৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে চকরিয়া এডভোকেট এসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলন

এ.কে.এম বেলাল উদ্দিন, চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি -ঃ কর্মরত আইনজীবিদের সংগঠন চকরিয়া এডভোকেট এসোসিয়েশনের ভবন নির্মাণ কাজে মামলাবাজ মো: ইসমাইল গংয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে আইনজীবি সমিতি। ১৪ আগষ্ট সকাল ১১টায় সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ¦ এডভোকেট হাবিব উদ্দিন মিন্টু।
তিনি বলেন, চকরিয়া সহকারি জজ আদালত, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ও উপজেলা প্রশাসনের সম্মূখে চকরিয়া আইনজীবি সমিতির ভবন নির্মাণের লক্ষে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালত, ককবাজার-এ মামলার (নং অপর- ২৩/২০১৭) আদেশ নং ১৫/২০১৫ সোলেহ সূত্রে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতি চকরিয়ার ভরামুহুরী মৌজার বি.এস ৫৩নং খতিয়ানের ৬২২ দাগের ৬শতক জমির মালিক হন। যা চৌহর্দ্দিও চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে দেওয়া ৩০ লাখ টাকা অনুদান নিয়ে নির্মাণ শুরু করলে চিহ্নিত ভুমিদস্যু ও মামলাবাজ মো: ইসমাইল গং তাতে বাধা সৃষ্টি করে এবং নির্মিত দেয়াল ভাংচুর করে। ফলে অনুদানের অর্থ ফেরৎ যাচ্ছে। পরবর্তীতে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ১৪৬/১৯নং প্রথম আপীল করলে বিগত ২২জানুয়ারী’২০ইং আদেশ হয় যে, কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতি নিজ জিম্মায় এবং নিজ উদ্যোগে সোলেহ সূত্রে ডিক্রী মূলে জায়গায় যে কোন ধরণের নির্মাণ কাজ করতে পারবেন। উল্লেখিত জমি ভোগ দখল স্বরূপ দক্ষিণ মুখী ৯টি এডভোকেট চেম্বারও রয়েছে।
এডভোকেট হাবিব উদ্দিন মিন্টু বলেন, চকরিয়া আদালত ও উপজেলা প্রশাসনের সম্মূখভাগে ভূমিদস্যু ইসমাইল গংয়ের মালিকানাধীন একটি হাজারিকা ভবন রয়েছে। তা বর্তমানে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোন মুহুর্তে বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটে ঢাকার রানা প্লাজার মত পূণরাবৃত্তি ঘটতে পারে। উল্লেখিত ইসমাইল একজন অর্থ আত্মসাকারী, প্রতারক, দাঙ্গাবাজ ও ডাকু প্রকৃতির লোক। তার বিরুদ্ধে তার গর্ভধারিনী মা হাজেরা বেগম বাদী হয়ে মামলা (নং সি.আর ৮৩৫/১৮) দায়ের করেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে সি.আর ২৪৫/২১, জি.আর- ১৭১/২১, এন.আই.এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় সি.আর- ৮২০/২১, সি.আর- ৭৮৫/১১সহ অসংখ্য মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে।
চকরিয়া এডভোকেট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মাঈন উদ্দিনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট ইলিয়াছ আরিফ, সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট এএইচ শহিদুল্লাহ, সাবেক সভাপতি সভাপতি এডভোকেট শাহ আলম, সাবেক সভাপতি এডভোকেট লুৎফুল কবিরসহ কর্মরত আইনজীবিগন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে চকরিয়া এডভোকেট এসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:০৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২১

এ.কে.এম বেলাল উদ্দিন, চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি -ঃ কর্মরত আইনজীবিদের সংগঠন চকরিয়া এডভোকেট এসোসিয়েশনের ভবন নির্মাণ কাজে মামলাবাজ মো: ইসমাইল গংয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে আইনজীবি সমিতি। ১৪ আগষ্ট সকাল ১১টায় সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ¦ এডভোকেট হাবিব উদ্দিন মিন্টু।
তিনি বলেন, চকরিয়া সহকারি জজ আদালত, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ও উপজেলা প্রশাসনের সম্মূখে চকরিয়া আইনজীবি সমিতির ভবন নির্মাণের লক্ষে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালত, ককবাজার-এ মামলার (নং অপর- ২৩/২০১৭) আদেশ নং ১৫/২০১৫ সোলেহ সূত্রে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতি চকরিয়ার ভরামুহুরী মৌজার বি.এস ৫৩নং খতিয়ানের ৬২২ দাগের ৬শতক জমির মালিক হন। যা চৌহর্দ্দিও চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে দেওয়া ৩০ লাখ টাকা অনুদান নিয়ে নির্মাণ শুরু করলে চিহ্নিত ভুমিদস্যু ও মামলাবাজ মো: ইসমাইল গং তাতে বাধা সৃষ্টি করে এবং নির্মিত দেয়াল ভাংচুর করে। ফলে অনুদানের অর্থ ফেরৎ যাচ্ছে। পরবর্তীতে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ১৪৬/১৯নং প্রথম আপীল করলে বিগত ২২জানুয়ারী’২০ইং আদেশ হয় যে, কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতি নিজ জিম্মায় এবং নিজ উদ্যোগে সোলেহ সূত্রে ডিক্রী মূলে জায়গায় যে কোন ধরণের নির্মাণ কাজ করতে পারবেন। উল্লেখিত জমি ভোগ দখল স্বরূপ দক্ষিণ মুখী ৯টি এডভোকেট চেম্বারও রয়েছে।
এডভোকেট হাবিব উদ্দিন মিন্টু বলেন, চকরিয়া আদালত ও উপজেলা প্রশাসনের সম্মূখভাগে ভূমিদস্যু ইসমাইল গংয়ের মালিকানাধীন একটি হাজারিকা ভবন রয়েছে। তা বর্তমানে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোন মুহুর্তে বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটে ঢাকার রানা প্লাজার মত পূণরাবৃত্তি ঘটতে পারে। উল্লেখিত ইসমাইল একজন অর্থ আত্মসাকারী, প্রতারক, দাঙ্গাবাজ ও ডাকু প্রকৃতির লোক। তার বিরুদ্ধে তার গর্ভধারিনী মা হাজেরা বেগম বাদী হয়ে মামলা (নং সি.আর ৮৩৫/১৮) দায়ের করেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে সি.আর ২৪৫/২১, জি.আর- ১৭১/২১, এন.আই.এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় সি.আর- ৮২০/২১, সি.আর- ৭৮৫/১১সহ অসংখ্য মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে।
চকরিয়া এডভোকেট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মাঈন উদ্দিনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট ইলিয়াছ আরিফ, সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট এএইচ শহিদুল্লাহ, সাবেক সভাপতি সভাপতি এডভোকেট শাহ আলম, সাবেক সভাপতি এডভোকেট লুৎফুল কবিরসহ কর্মরত আইনজীবিগন।