এখন ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নড়াইলে ছেলের পরিকল্পনায় বৃদ্ধা মাকে পুড়িয়ে হত্যায় ২জন গ্রেফতার

বৃদ্ধা মাকে পুড়িয়ে হত্যা

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নড়াইল -ঃ নড়াইলের কালিয়ায় বৃদ্ধা সালেহা বেগমকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হলেন ওই বৃদ্ধার নাতি রাশেদ (২২) ও নাতজামাই মিরাজ (৩০)। গত শনিবার বিকেলে তাঁরা ১৬৪ ধারায় নড়াইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোরশেদুল আলমের আদালতে হত্যাকান্ডের স্বীকারোক্তি দেয়। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। গত ২১ মে দিবাগত রাতে উপজেলার পেড়লী ইউনিয়নের জামরিলডাঙ্গা গ্রামে সালেহা বেগমকে (৮০) ঘুমন্ত অবস্থায় পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। সালেহা বেগম ওই গ্রামের নূরল খন্দকারের স্ত্রী। পুলিশ জানায়, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে গ্রেপ্তার হওয়া রাশেদ ও মিরাজ উল্লেখ করেছেন, গ্রাম্য প্রতিপক্ষ মোল্লা গ্রুপের লোকজনকে ফাঁসাতে সালেহা বেগমকে পুড়িয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন বৃদ্ধার ছেলে ইরুপ খন্দকার। সে অনুযায়ী ২১ মে দিবাগত রাত ১টার দিকে বৃদ্ধার শরীরে পেট্রোল ঢেলে দেন ছেলে ইরুপ খন্দকার। রাশেদ ম্যাচ লাইট দিয়ে আগুন দেন। আগুনে পুড়ে মৃত্যু হওয়ার পর রাত তিনটার দিকে তাঁরা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন আসেন। নাতজামাই মিরাজ তাঁদের সঙ্গে থেকে সহযোগিতা করেন। কালিয়া থানার ওসি শেখ কনি মিয়া বলেন, ওই হত্যাকান্ডের মূল হোতা ইরুপ খন্দকারকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

নড়াইলে ছেলের পরিকল্পনায় বৃদ্ধা মাকে পুড়িয়ে হত্যায় ২জন গ্রেফতার

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৪০:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ জুন ২০২১

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নড়াইল -ঃ নড়াইলের কালিয়ায় বৃদ্ধা সালেহা বেগমকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হলেন ওই বৃদ্ধার নাতি রাশেদ (২২) ও নাতজামাই মিরাজ (৩০)। গত শনিবার বিকেলে তাঁরা ১৬৪ ধারায় নড়াইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোরশেদুল আলমের আদালতে হত্যাকান্ডের স্বীকারোক্তি দেয়। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। গত ২১ মে দিবাগত রাতে উপজেলার পেড়লী ইউনিয়নের জামরিলডাঙ্গা গ্রামে সালেহা বেগমকে (৮০) ঘুমন্ত অবস্থায় পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। সালেহা বেগম ওই গ্রামের নূরল খন্দকারের স্ত্রী। পুলিশ জানায়, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে গ্রেপ্তার হওয়া রাশেদ ও মিরাজ উল্লেখ করেছেন, গ্রাম্য প্রতিপক্ষ মোল্লা গ্রুপের লোকজনকে ফাঁসাতে সালেহা বেগমকে পুড়িয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন বৃদ্ধার ছেলে ইরুপ খন্দকার। সে অনুযায়ী ২১ মে দিবাগত রাত ১টার দিকে বৃদ্ধার শরীরে পেট্রোল ঢেলে দেন ছেলে ইরুপ খন্দকার। রাশেদ ম্যাচ লাইট দিয়ে আগুন দেন। আগুনে পুড়ে মৃত্যু হওয়ার পর রাত তিনটার দিকে তাঁরা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন আসেন। নাতজামাই মিরাজ তাঁদের সঙ্গে থেকে সহযোগিতা করেন। কালিয়া থানার ওসি শেখ কনি মিয়া বলেন, ওই হত্যাকান্ডের মূল হোতা ইরুপ খন্দকারকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।