এখন ০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রেনে কাটা পড়ে বাবা-ছেলের মৃত্যু

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ট্রেনে কাটা পড়ে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন। সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নাঙ্গলকোট উপজেলার মক্রমপুর ইউনিয়নের বাননগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বাবা মাহবুবুল হক (৫২) ও তার ছেলে জিসান (৪)।

এলাকাবাসী জানান, বাননগর উত্তরপাড় এলাকায় রেল লাইনের সঙ্গেই মাহবুবুল হকের বাড়ি। সোমবার বিকেলে তার শিশুপুত্র জিসানকে নিয়ে রেললাইনের পাশে হাঁটতে যান। এসময় জিসান খেলার ছলে রেললাইনের ওপর চলে যায়। একই সময় ঢাকাগামী মহানগর গোধূলী ট্রেন চলে এলে জিসানকে বাঁচানোর জন্য বাবা মাহবুবুল হক দৌড়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। একসঙ্গে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যান বাবা-ছেলে।

মক্রমপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার সোহাগ মিয়া বলেন, আমি চিৎকার শুনে রেললাইনের পাশে গিয়ে এ ঘটনা দেখতে পাই। পরে পুলিশকে খবর দেই। এ এলাকায় রেললাইনের ওপর একটি লেবেলক্রসিং থাকলেও এখানে কোনো গেট নেই। যে কারণে ট্রেন আসা-যাওয়ার কোনো পূর্বাভাস পাওয়া যায় না। যেহেতু রেললাইনের পাশে বাড়ি ঘর আছে সেখানকার অনেক মানুষ রেললাইনের পাশে হাঁটা চলা করে। কিছুদিন আগেও এখানে দুর্ঘটনা ঘটে।

লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম গেছে। সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

ট্রেনে কাটা পড়ে বাবা-ছেলের মৃত্যু

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:১৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২১

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ট্রেনে কাটা পড়ে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন। সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নাঙ্গলকোট উপজেলার মক্রমপুর ইউনিয়নের বাননগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বাবা মাহবুবুল হক (৫২) ও তার ছেলে জিসান (৪)।

এলাকাবাসী জানান, বাননগর উত্তরপাড় এলাকায় রেল লাইনের সঙ্গেই মাহবুবুল হকের বাড়ি। সোমবার বিকেলে তার শিশুপুত্র জিসানকে নিয়ে রেললাইনের পাশে হাঁটতে যান। এসময় জিসান খেলার ছলে রেললাইনের ওপর চলে যায়। একই সময় ঢাকাগামী মহানগর গোধূলী ট্রেন চলে এলে জিসানকে বাঁচানোর জন্য বাবা মাহবুবুল হক দৌড়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। একসঙ্গে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যান বাবা-ছেলে।

মক্রমপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার সোহাগ মিয়া বলেন, আমি চিৎকার শুনে রেললাইনের পাশে গিয়ে এ ঘটনা দেখতে পাই। পরে পুলিশকে খবর দেই। এ এলাকায় রেললাইনের ওপর একটি লেবেলক্রসিং থাকলেও এখানে কোনো গেট নেই। যে কারণে ট্রেন আসা-যাওয়ার কোনো পূর্বাভাস পাওয়া যায় না। যেহেতু রেললাইনের পাশে বাড়ি ঘর আছে সেখানকার অনেক মানুষ রেললাইনের পাশে হাঁটা চলা করে। কিছুদিন আগেও এখানে দুর্ঘটনা ঘটে।

লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম গেছে। সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।