এখন ০৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে গাছ খেকো শিক্ষক

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) গুড়ইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (সাবেক) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্কুলের গাছ কেটে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসি এটাকে গাছ খেকো শিক্ষকের কান্ড বলে অবিহিত করেছে। গত ২ জুন বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে এলাকার অভিভাবকগণ ডাকযোগে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাব (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটতে হলে পরিচালনা কমিটির রেজুলেশন করে উপজেলা থেকে অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বিগত ২০১২ সালে গুড়ইল সরকারি প্রাধমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম স্কুল চত্ত্বর থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা মুল্যর বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিক্রি করেন। তিনি স্কুলের উন্নয়নের নামে এসব গাছ কেটে আত্মসাৎ করেন। এখানো স্কুলের উন্নয়নে একটি টাকাও ব্যয় করেননি। ঘটনা জানাজানি হলে শিক্ষক নুরুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে অভিভাবক মহল বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে নুরুল ইসলাম বলেন, তাকে ফাঁসানো হচ্ছে, একটি গাছ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করে স্কুল সরকারীকরণ কাজ লাগানো হয়েছে। তিনি বলেন, গাছ বিক্রির বিষয়ে গ্রামবাসির স্বাক্ষরিত রেজুলেশন রয়েছে।এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (টিও) সানাউল হক বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ব্যতিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার কোনো সুযোগ নাই। এবিষয়ে স্কুলের সভাপতি (তৎকালীন) মোসারুল ইসলাম বলেন, এ দায় প্রধান শিক্ষকের তিনি কিভাবে গাছ কেটে বিক্রি করলেন তা তিনি ভাল বলতে পারবেন। এবিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগের সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরে গাছ খেকো শিক্ষক

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৩৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০২২

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) গুড়ইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (সাবেক) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্কুলের গাছ কেটে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসি এটাকে গাছ খেকো শিক্ষকের কান্ড বলে অবিহিত করেছে। গত ২ জুন বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে এলাকার অভিভাবকগণ ডাকযোগে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাব (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটতে হলে পরিচালনা কমিটির রেজুলেশন করে উপজেলা থেকে অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বিগত ২০১২ সালে গুড়ইল সরকারি প্রাধমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম স্কুল চত্ত্বর থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা মুল্যর বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিক্রি করেন। তিনি স্কুলের উন্নয়নের নামে এসব গাছ কেটে আত্মসাৎ করেন। এখানো স্কুলের উন্নয়নে একটি টাকাও ব্যয় করেননি। ঘটনা জানাজানি হলে শিক্ষক নুরুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে অভিভাবক মহল বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে নুরুল ইসলাম বলেন, তাকে ফাঁসানো হচ্ছে, একটি গাছ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করে স্কুল সরকারীকরণ কাজ লাগানো হয়েছে। তিনি বলেন, গাছ বিক্রির বিষয়ে গ্রামবাসির স্বাক্ষরিত রেজুলেশন রয়েছে।এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (টিও) সানাউল হক বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ব্যতিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার কোনো সুযোগ নাই। এবিষয়ে স্কুলের সভাপতি (তৎকালীন) মোসারুল ইসলাম বলেন, এ দায় প্রধান শিক্ষকের তিনি কিভাবে গাছ কেটে বিক্রি করলেন তা তিনি ভাল বলতে পারবেন। এবিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগের সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।