এখন ০৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোয়াইনঘাটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ট্রি খামারি

হাসান আহমদ চৌধুরী, বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াক্কুল ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কয়েকজন খামারি এর মধ্যে ফয়জুল আম্বিয়া,জসিম উদ্দিন সর্বস্ব হারিয়েছেন বন্যায় এই দুজন খামারির ৫৫০০মুরগী বন্যায় ঘর ডুবে মারাগেছে।
হতাশায় ভূগছেন খামারিরা পানিতে তলিয়ে গেছে খামার সহ আশেপাশের জায়গা।
এই নিয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে আশস্ত করেছেন।

কিন্তু এই ব্যাপারে প্রাণিসম্পদ অফিসের তোয়াকুল ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা ইকবাল হোসেন ইরা কে জানালে তার কোন প্রদক্ষেপ নেই।

তিনি জানান এই বিষয় তার কিছুই করার নাই। সে জানায় এই দায়িত্বে আছে উনার সহধর্মিণী ফাতেমা বেগম।

কিন্তু উনার সহধর্মিণী এই অফিসে কর্মরত আছেন বলে আমাদের জানা নেই। পরে জানা যায় ফাতেমা নিরক্ষর। ভুয়া সনদ দিয়ে চাকরি করে আসছেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বললেই মুখ ফিরিয়ে নেন প্রাণিসম্পদ অফিসের তোয়াকুল ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা ইকবাল হোসেন ইরা।

এমন পরিস্থিতিতে যদি প্রাণিসম্পদের দায়িত্ব থাকা ব্যক্তিত্বদের এমন মন্তব্য হয় তাহলে ক্ষতিগ্রস্তদের কষ্টের শেষ নেই।

ইকবাল হোসেন ইরা সাহেবের সহধর্মিনী ভুয়া সনদ নিয়ে চাকরি করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে এমন মন্তব্যে যেনো রীতিমতো সারা এলাকায় আলোচনার ঝড় উঠেছে।

প্রথমত ক্ষতিগ্রস্তরা দুর্দশায় ভুগছেন দ্বিতীয়তঃ ভুয়া সনদ নিয়ে চাকরি করা বেআইনি। সঠিক দায়িত্ব পালন না করার কারণে আজ ক্ষতিগ্রস্তরা সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত।
বিশেষ করে এই বাপ্যারে সচেতন মহলের দৃষ্টি কামনা করছি।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

গোয়াইনঘাটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ট্রি খামারি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:১৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২

হাসান আহমদ চৌধুরী, বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াক্কুল ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কয়েকজন খামারি এর মধ্যে ফয়জুল আম্বিয়া,জসিম উদ্দিন সর্বস্ব হারিয়েছেন বন্যায় এই দুজন খামারির ৫৫০০মুরগী বন্যায় ঘর ডুবে মারাগেছে।
হতাশায় ভূগছেন খামারিরা পানিতে তলিয়ে গেছে খামার সহ আশেপাশের জায়গা।
এই নিয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে আশস্ত করেছেন।

কিন্তু এই ব্যাপারে প্রাণিসম্পদ অফিসের তোয়াকুল ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা ইকবাল হোসেন ইরা কে জানালে তার কোন প্রদক্ষেপ নেই।

তিনি জানান এই বিষয় তার কিছুই করার নাই। সে জানায় এই দায়িত্বে আছে উনার সহধর্মিণী ফাতেমা বেগম।

কিন্তু উনার সহধর্মিণী এই অফিসে কর্মরত আছেন বলে আমাদের জানা নেই। পরে জানা যায় ফাতেমা নিরক্ষর। ভুয়া সনদ দিয়ে চাকরি করে আসছেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বললেই মুখ ফিরিয়ে নেন প্রাণিসম্পদ অফিসের তোয়াকুল ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা ইকবাল হোসেন ইরা।

এমন পরিস্থিতিতে যদি প্রাণিসম্পদের দায়িত্ব থাকা ব্যক্তিত্বদের এমন মন্তব্য হয় তাহলে ক্ষতিগ্রস্তদের কষ্টের শেষ নেই।

ইকবাল হোসেন ইরা সাহেবের সহধর্মিনী ভুয়া সনদ নিয়ে চাকরি করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে এমন মন্তব্যে যেনো রীতিমতো সারা এলাকায় আলোচনার ঝড় উঠেছে।

প্রথমত ক্ষতিগ্রস্তরা দুর্দশায় ভুগছেন দ্বিতীয়তঃ ভুয়া সনদ নিয়ে চাকরি করা বেআইনি। সঠিক দায়িত্ব পালন না করার কারণে আজ ক্ষতিগ্রস্তরা সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত।
বিশেষ করে এই বাপ্যারে সচেতন মহলের দৃষ্টি কামনা করছি।