এখন ০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুর চিড়িয়াখানায় ডিম দিয়েছে উটপাখি

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ রংপুর চিড়িয়াখানার উটপাখিটি আবার ডিম দিয়েছে। রবিবার দিনের কোনো এক সময়ে ডিমটি দিয়েছে উটপাখিটি।
এর আগে গত কয়েকদিনে আরও দুটি ডিম দিলেও মূলত দুই বছর ধরে পুরুষ সঙ্গীর অভাবে কাজে আসছে না উটপাখির ডিমগুলো। দুই বছরে উটপাখিটি অন্তত ১০-১২টি ডিম দিয়েছে।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সেই ডিমগুলো ভেঙে শুধু খোসা সংরক্ষণে রাখছে। উটপাখির ডিমে তা দেওয়ার কাজটি মূলত করে থাকে পুরুষ উটপাখি। আর রংপুর চিড়িয়াখানায় কোনো পুরুষ উটপাখি না থাকায় ডিমগুলো ফুটে বাচ্চা হচ্ছে না।

স্থানীয় সচেতন মহলসহ দর্শনার্থীদের অনেকেই বলছেন, উটপাখির বংশ বিস্তারের জন্য দ্রুত একটি পুরুষ সঙ্গী আনা প্রয়োজন। উটপাখির জোড়া থাকলে এতো দিনে খাঁচায় পাখির সংখ্যা আরও বেড়ে যেত। এখন ডিমগুলো ফোটানোর জন্য পুরুষ পাখির দরকার। অন্যথায় ডিম দেওয়া শুধু স্মৃতি হিসেবে সংরক্ষিত হবে ।

রংপুর চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়ে ৩ বছর আগে ঢাকা চিড়িয়াখানা থেকে ৬ মাস বয়সী একটি পুরুষ এবং একটি মেয়ে উটপাখি আনা হয়। দেড় বছর এক সাথে থাকার পর উটপাখিটির পুরুষ সঙ্গীটি দুই বছর আগে মারা যায়। তখন থেকেই বিষন্ন মনে খাঁচায় এক একা দিন কাটছে পাখিটি। গত দুই বছরে এক ডজনের বেশি ডিম দিলেও পুরুষ সঙ্গী না থাকায় বাচ্চা ফোটেনি।

রংপুর বিনোদন উদ্যান ও চিড়িয়াখানার অফিসার ডা. এইচ এম শাহাদাৎ শাহিন জানান, ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ ঢাকা থেকে তিন মাস বয়সী বাচ্চা উটপাখিটি আনা হয়েছে। দুই বছর পর গত মাস থেকে ডিম দেওয়া শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত মোট ১০-১২টি ডিম দিয়েছে এই উটপাখিটি। যার একেকটি ডিমের ওজন প্রায় দেড় কেজি।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

রংপুর চিড়িয়াখানায় ডিম দিয়েছে উটপাখি

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:২৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মে ২০২২

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ রংপুর চিড়িয়াখানার উটপাখিটি আবার ডিম দিয়েছে। রবিবার দিনের কোনো এক সময়ে ডিমটি দিয়েছে উটপাখিটি।
এর আগে গত কয়েকদিনে আরও দুটি ডিম দিলেও মূলত দুই বছর ধরে পুরুষ সঙ্গীর অভাবে কাজে আসছে না উটপাখির ডিমগুলো। দুই বছরে উটপাখিটি অন্তত ১০-১২টি ডিম দিয়েছে।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সেই ডিমগুলো ভেঙে শুধু খোসা সংরক্ষণে রাখছে। উটপাখির ডিমে তা দেওয়ার কাজটি মূলত করে থাকে পুরুষ উটপাখি। আর রংপুর চিড়িয়াখানায় কোনো পুরুষ উটপাখি না থাকায় ডিমগুলো ফুটে বাচ্চা হচ্ছে না।

স্থানীয় সচেতন মহলসহ দর্শনার্থীদের অনেকেই বলছেন, উটপাখির বংশ বিস্তারের জন্য দ্রুত একটি পুরুষ সঙ্গী আনা প্রয়োজন। উটপাখির জোড়া থাকলে এতো দিনে খাঁচায় পাখির সংখ্যা আরও বেড়ে যেত। এখন ডিমগুলো ফোটানোর জন্য পুরুষ পাখির দরকার। অন্যথায় ডিম দেওয়া শুধু স্মৃতি হিসেবে সংরক্ষিত হবে ।

রংপুর চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়ে ৩ বছর আগে ঢাকা চিড়িয়াখানা থেকে ৬ মাস বয়সী একটি পুরুষ এবং একটি মেয়ে উটপাখি আনা হয়। দেড় বছর এক সাথে থাকার পর উটপাখিটির পুরুষ সঙ্গীটি দুই বছর আগে মারা যায়। তখন থেকেই বিষন্ন মনে খাঁচায় এক একা দিন কাটছে পাখিটি। গত দুই বছরে এক ডজনের বেশি ডিম দিলেও পুরুষ সঙ্গী না থাকায় বাচ্চা ফোটেনি।

রংপুর বিনোদন উদ্যান ও চিড়িয়াখানার অফিসার ডা. এইচ এম শাহাদাৎ শাহিন জানান, ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ ঢাকা থেকে তিন মাস বয়সী বাচ্চা উটপাখিটি আনা হয়েছে। দুই বছর পর গত মাস থেকে ডিম দেওয়া শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত মোট ১০-১২টি ডিম দিয়েছে এই উটপাখিটি। যার একেকটি ডিমের ওজন প্রায় দেড় কেজি।