বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি -ঃ তুহিন সিকদার সাংবাদিকতার ক্ষমতা ব্যবহার করেই গত চার বছরে ১১ নারীকে ধর্ষণ করেছে সে। শুধু ধর্ষণই নয়, সেই দৃশ্য মোবাইলেও ধারণ করতো। পরবর্তীতে সেসব ভিডিও দেখিয়ে নারীদেরকে একাধিকবার ধর্ষণ করে আসছিল। তুহিন সিকদারের মোবাইলে এসব ঘটনার ভিডিও পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
তুহিন সিকদারের এমন বিকৃত রুচির শিকার হয়েছেন তার আপন খালা শাশুরি এবং আরেকটি পরিবারের দুই বোন। আর এ খবর প্রকাশ হওয়া ঘটনার শিকার দুই নারীর বিয়ে ভেঙে গেছে।
অভিযুক্ত তুহিন সিকদার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউপির দুধলমৌ গ্রামের বর্তমানে পলাতক রয়েছেন তুহিন সিকদার।
১১ ভুক্তভোগীর একজন জানান, তুহিন সিকদার বিভিন্ন সময় গ্রামের মেয়েদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে আসছিল। কাউকে সরকারি চাকরি দেয়া, বিয়ে করে সংসার করা, ভালো ছেলের কাছে বিয়ে দেয়াসহ বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব দিয়ে তাদের ধর্ষণ করেছে।

২০১৫ সালের ২০২২ সাল পর্যন্ত ১১টি মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে তুহিন সিকদার। এদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। শারীরিক সম্পর্কের সময় এসব মেয়ের অগোচরে তুহিন তা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও দেখিয়ে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের ফের ধর্ষণ করে আসছিল।
এদের মধ্যে দুই মেয়ের বিয়ের পর তাদের শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে ওই ভিডিও দেখায় তুহিন সিকদার। ফলে তাদের তালাক দেয়া হয়। এছাড়া তার ধর্ষণের শিকার হয়েছে একই পরিবারের তিন বোন এবং আরেক পরিবারের দুই বোন। কিন্তু ভিডিওর জন্য তারা কারো কাছে কোনো অভিযোগ করতে পারেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তুহিন এর ঘনিষ্ঠ এক স্বজন জানান, তুহিন বিবাহিত। সে তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে থাকেন । তুহিনের বউ বাপের বাড়ীতে বেড়াতে গেলে তার স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে তার আপন খালা শাশুরির সহ ১১ টি মেয়েকে একেক সময় বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করতো। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কিছুদিন আগে তারা খালা শ্বাশুড়ীর সাথে হাতেনাতে তাকে দড়ে যুবসমাজ পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয়রত অবস্থায় তিনি এখন পলাতক রয়েছেন।













