এখন ০৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেমিকার সাথে দেখা করতে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে বাংলাদেশি যুবক আটক

মনজু হোসেন, ষ্টাফ রিপোর্টার, পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১নং অমরখানা ইউনিয়নের গোলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
দীর্ঘ ৫ বছরের প্রেম। প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে অবৈধ পথে সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে বাংলাদেশি যুবক (২৮) মোনা চন্দ্র রায়।প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করে বাংলাদেশে ফেরার পথে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে ধরা পড়েন তিনি।
শুক্রবার (২০ মে) বিকেলে ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভারতে আটক মোনা চন্দ্র রায় বাংলাদেশের পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১নং অমরখানা ইউনিয়নের গোলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
জানা যায়, ভারতের জলপাইগুড়ি সদর গঞ্জের মানিকগঞ্জ সীমান্তে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর বিএসএফ ভারতের জলপাইগুড়ি কোতয়ালী থানা পুলিশের হাতে তাকে তুলে দেয়। এদিকে ভারতীয় পুলিশ আটকের পর মোনা চন্দ্র রায়ের কাছ থেকে মালশিয়ান ও বাংলাদেশী টাকা পাওয়া গেছে।

মালশিয়ায় এক বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করা বাংলাদেশি যুবক মোনা চন্দ্র রায় (২৮) প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে অবৈধ পথে কাটাতার পেড়িয়ে ভারতে প্রবেশ করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক হয়েছেন। আটকের পর তাকে থানা পুলিশের হেফাযতে দেয়া হয়। পরে পুলিশ তাকে গত বুধবার (১৮ মে) জলপাইগুড়ি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তোলুলে আদালত তাকে জেলে পাঠান।
এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে মোনা চন্দ্র রায় জানান, ভারতীয় এক কিশোরীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক থাকায় দেখা করতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রেবশ করে। প্রায় ২ সপ্তাহ আগে ভারতে প্রবেশ করে প্রমিকার সাথে দেখা শেষে বাংলাদেশে ফেরার পথে বিএসএফ আটক করে তাকে।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, পঞ্চগড়ের যুবক মোনা চন্দ্র রায়ের সঙ্গে ভারতের মানিকগঞ্জের এক যুবতীর সঙ্গে ৫ বছর আগে পরিচয় হয় তার। এর পর থেকে তাদের মাঝে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্পর্ক ৫ বছরে গিয়ে দারায়। অনেক সময় মোবাইলের মাধ্যমে তাদের কথাবার্তা হয়ে থাকতো। মালশিয়ায় এক বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করতেন বাংলাদেশী যুবক মোনা। একসময় সে পাওয়া ছুটি নিয়ে প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে দেখা করতে বাংলাদেশে আসেন। এর পর ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ওই যুবক। দিনভর প্রমিক-প্রেমিকা ঘোরাঘুরি শেষে বাংলাদেশী যুবক মোনা দেশে ফিরতে গেলে সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক হয়।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১নং অমরখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান নুরু জানান, স্থানীয় ও মালশিয়ায় চাকুরি করা ওই যুবকের পরিবারের মাধ্যমে জানতে পেরেছি অবৈধভাবে প্রবেশ করায় মোনাকে ভারতে আটক করা হয়েছে। সেখানে আদালত তাকে প্রথমত ৭ দিনের জেল দিয়েছে। মূলত গোলাবাড়ি এলাকাটি সীমান্তের একেবারে কাছে হওয়ায় এবং হয়তো তার যাওয়া আসায় তাদের এই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

প্রেমিকার সাথে দেখা করতে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে বাংলাদেশি যুবক আটক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:১৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মে ২০২২

মনজু হোসেন, ষ্টাফ রিপোর্টার, পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১নং অমরখানা ইউনিয়নের গোলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
দীর্ঘ ৫ বছরের প্রেম। প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে অবৈধ পথে সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে বাংলাদেশি যুবক (২৮) মোনা চন্দ্র রায়।প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করে বাংলাদেশে ফেরার পথে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে ধরা পড়েন তিনি।
শুক্রবার (২০ মে) বিকেলে ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভারতে আটক মোনা চন্দ্র রায় বাংলাদেশের পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১নং অমরখানা ইউনিয়নের গোলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
জানা যায়, ভারতের জলপাইগুড়ি সদর গঞ্জের মানিকগঞ্জ সীমান্তে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর বিএসএফ ভারতের জলপাইগুড়ি কোতয়ালী থানা পুলিশের হাতে তাকে তুলে দেয়। এদিকে ভারতীয় পুলিশ আটকের পর মোনা চন্দ্র রায়ের কাছ থেকে মালশিয়ান ও বাংলাদেশী টাকা পাওয়া গেছে।

মালশিয়ায় এক বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করা বাংলাদেশি যুবক মোনা চন্দ্র রায় (২৮) প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে অবৈধ পথে কাটাতার পেড়িয়ে ভারতে প্রবেশ করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক হয়েছেন। আটকের পর তাকে থানা পুলিশের হেফাযতে দেয়া হয়। পরে পুলিশ তাকে গত বুধবার (১৮ মে) জলপাইগুড়ি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তোলুলে আদালত তাকে জেলে পাঠান।
এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে মোনা চন্দ্র রায় জানান, ভারতীয় এক কিশোরীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক থাকায় দেখা করতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রেবশ করে। প্রায় ২ সপ্তাহ আগে ভারতে প্রবেশ করে প্রমিকার সাথে দেখা শেষে বাংলাদেশে ফেরার পথে বিএসএফ আটক করে তাকে।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, পঞ্চগড়ের যুবক মোনা চন্দ্র রায়ের সঙ্গে ভারতের মানিকগঞ্জের এক যুবতীর সঙ্গে ৫ বছর আগে পরিচয় হয় তার। এর পর থেকে তাদের মাঝে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্পর্ক ৫ বছরে গিয়ে দারায়। অনেক সময় মোবাইলের মাধ্যমে তাদের কথাবার্তা হয়ে থাকতো। মালশিয়ায় এক বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করতেন বাংলাদেশী যুবক মোনা। একসময় সে পাওয়া ছুটি নিয়ে প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে দেখা করতে বাংলাদেশে আসেন। এর পর ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ওই যুবক। দিনভর প্রমিক-প্রেমিকা ঘোরাঘুরি শেষে বাংলাদেশী যুবক মোনা দেশে ফিরতে গেলে সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক হয়।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১নং অমরখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান নুরু জানান, স্থানীয় ও মালশিয়ায় চাকুরি করা ওই যুবকের পরিবারের মাধ্যমে জানতে পেরেছি অবৈধভাবে প্রবেশ করায় মোনাকে ভারতে আটক করা হয়েছে। সেখানে আদালত তাকে প্রথমত ৭ দিনের জেল দিয়েছে। মূলত গোলাবাড়ি এলাকাটি সীমান্তের একেবারে কাছে হওয়ায় এবং হয়তো তার যাওয়া আসায় তাদের এই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।