এখন ০৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাঙ্গলকোটে সরকারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

জামাল উদ্দিন স্বপন, নাঙ্গলকোট -ঃ কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া ইউনিয়নের আশারকোটা পশ্চিম পাড়া ডাক্তার জোবায়দা রহমান স্কুল এন্ড কলেজের দক্ষিণ পাশে রানীপুকুরপাড় ও জিয়া পুকুরপাড়ে সোমবার রাতে ২০/২৫টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

জানা যায়;আশারকোটা গ্রামের রাজাকার মফিজ মেম্বারের নেতৃত্বে একই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মোঃ আবু ও লুৎফর রহমানের ছেলে মোঃ হারুন এবং খোশারপাড় গ্রামের স’মিল ব্যবসায়ী মোঃ রুবেল মিলে সরকারি ২০/২৫টি গাছ সোমবার রাতের আধারে কেটে কিছু গাছ রাতেই স’মিলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

পেরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ হামিদের কাছে সাংবাদিকজানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান;আমি এই বিষয়ে কিছুই জানি না এবং কোনো অনুমতি দেয়নি ,আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম আমি যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি।

নাঙ্গলকোট উপজেলার ফরেস্ট অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন সাংবাদিকদের জানান; আমি এই বিষয়ে কিছুই জানিনা কোন অনুমতির কাগজ আমি পাইনি, মাত্র আপনার কাছে জানলাম। আমি উপজেলা নির্বাহি স্যারের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

উপজেলা নির্বাহি অফিসার লামইয়া সাইফুল সাংবাদিকদের জানান;আমার কাছে কোন লিখিত অনুমতি পত্র আসেনি আমি কাউকে অনুমতি দেয়নি মাত্র আপনার কাছে জানলাম আমি যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

নাঙ্গলকোটে সরকারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মে ২০২২

জামাল উদ্দিন স্বপন, নাঙ্গলকোট -ঃ কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া ইউনিয়নের আশারকোটা পশ্চিম পাড়া ডাক্তার জোবায়দা রহমান স্কুল এন্ড কলেজের দক্ষিণ পাশে রানীপুকুরপাড় ও জিয়া পুকুরপাড়ে সোমবার রাতে ২০/২৫টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

জানা যায়;আশারকোটা গ্রামের রাজাকার মফিজ মেম্বারের নেতৃত্বে একই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মোঃ আবু ও লুৎফর রহমানের ছেলে মোঃ হারুন এবং খোশারপাড় গ্রামের স’মিল ব্যবসায়ী মোঃ রুবেল মিলে সরকারি ২০/২৫টি গাছ সোমবার রাতের আধারে কেটে কিছু গাছ রাতেই স’মিলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

পেরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ হামিদের কাছে সাংবাদিকজানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান;আমি এই বিষয়ে কিছুই জানি না এবং কোনো অনুমতি দেয়নি ,আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম আমি যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি।

নাঙ্গলকোট উপজেলার ফরেস্ট অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন সাংবাদিকদের জানান; আমি এই বিষয়ে কিছুই জানিনা কোন অনুমতির কাগজ আমি পাইনি, মাত্র আপনার কাছে জানলাম। আমি উপজেলা নির্বাহি স্যারের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

উপজেলা নির্বাহি অফিসার লামইয়া সাইফুল সাংবাদিকদের জানান;আমার কাছে কোন লিখিত অনুমতি পত্র আসেনি আমি কাউকে অনুমতি দেয়নি মাত্র আপনার কাছে জানলাম আমি যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।