এখন ১০:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ লালমনিরহাট সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ শিলাবৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ২০ মিনিট ধরে চলা শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

২১ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়াসহ শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। অনেকে বলছেন, শীতের শেষ মৌসুমে আগে কখনো শিলাবৃষ্টি হতে দেখেননি তারা।

শিলাবৃষ্টিতে আলু, পেঁয়াজ, রসুন, গম, ভুট্টা, ইরি ধান ও আমের মুকুলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের কৃষক সিরাজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘শীতে এমন শিলাবৃষ্টি আগে কখনো দেখিনি। হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে আমার কয়েক বিঘা তামাক আর আলুক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে।’

চলবালা ইউনিয়নের কৃষক শাহ আলী বলেন, ‘শিলাবৃষ্টিতে আলুক্ষতি ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। যেটা ব্যয় করেছি এখন সেই টাকাও উঠবে না।’

আদিতমারী উপজেলার স্থানীয় কয়েক বাসিন্দা জানান, বিকেল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছিল। হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া বইতে থাকে। এর একটু পরেই শিলাবৃষ্টি শুরু হয়।

লালমনিরহাট কৃষি অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামীম আশরাফ জানান, সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলাসহ বেশকিছু জায়গায় প্রচুর শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে আলু, ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, তামাকসহ ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা যাচ্ছে না। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

লালমনিরহাটে শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ লালমনিরহাট সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ শিলাবৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ২০ মিনিট ধরে চলা শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

২১ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়াসহ শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। অনেকে বলছেন, শীতের শেষ মৌসুমে আগে কখনো শিলাবৃষ্টি হতে দেখেননি তারা।

শিলাবৃষ্টিতে আলু, পেঁয়াজ, রসুন, গম, ভুট্টা, ইরি ধান ও আমের মুকুলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের কৃষক সিরাজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘শীতে এমন শিলাবৃষ্টি আগে কখনো দেখিনি। হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে আমার কয়েক বিঘা তামাক আর আলুক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে।’

চলবালা ইউনিয়নের কৃষক শাহ আলী বলেন, ‘শিলাবৃষ্টিতে আলুক্ষতি ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। যেটা ব্যয় করেছি এখন সেই টাকাও উঠবে না।’

আদিতমারী উপজেলার স্থানীয় কয়েক বাসিন্দা জানান, বিকেল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছিল। হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া বইতে থাকে। এর একটু পরেই শিলাবৃষ্টি শুরু হয়।

লালমনিরহাট কৃষি অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামীম আশরাফ জানান, সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলাসহ বেশকিছু জায়গায় প্রচুর শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে আলু, ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, তামাকসহ ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা যাচ্ছে না। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।