এখন ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহ হরিণাকুন্ডুতে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার

মোঃ আবু সুফিয়ান শান্তি, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি -ঃ ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের হামিরহাটি গ্রামের লিজা খাতুন (১৯) নামের এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৮শে জানুয়ারী) বিকেল ৫টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। লিজা খাতুন ওই গ্রামের সাঈদ হোসেনের স্ত্রী ও সদর উপজেলার বৈডাঙ্গা গ্রামের কামাল হোসেনের মেয়ে। গত ৮ মাস পুর্বে পারিবারিক ভাবে তাদের বিয়ে হয়।

স্থানীয়রা জানায়, আজ শুক্রবার বিকেলে নিজ ঘরের আড়ার সাথে লিজাকে ঝুলতে দেখে পরিবারের স্বজনার প্রতিবেশীদের খবর দেয়। পরে সেখান থেকে তাকে নামানোর আগেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে হরিণাকুন্ডু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

লিজার পিতা কামাল হোসেন বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করবে কেন। ওরা আমার মেয়েকে মেরে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি এর বিচার চাই।

লিজার চাচা হায়দার আলী বলেন, মনে হচ্ছে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। যাই হোক না কেন আমরা পুলিশের কাছে দাবী করি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে যেন ব্যবস্থা নেয়া হয়।

হরিণাকুন্ডু থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, আমরা প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছি এটি আত্মহত্যা। মৃত নারীর শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

ঝিনাইদহ হরিণাকুন্ডুতে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:২০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২

মোঃ আবু সুফিয়ান শান্তি, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি -ঃ ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের হামিরহাটি গ্রামের লিজা খাতুন (১৯) নামের এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৮শে জানুয়ারী) বিকেল ৫টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। লিজা খাতুন ওই গ্রামের সাঈদ হোসেনের স্ত্রী ও সদর উপজেলার বৈডাঙ্গা গ্রামের কামাল হোসেনের মেয়ে। গত ৮ মাস পুর্বে পারিবারিক ভাবে তাদের বিয়ে হয়।

স্থানীয়রা জানায়, আজ শুক্রবার বিকেলে নিজ ঘরের আড়ার সাথে লিজাকে ঝুলতে দেখে পরিবারের স্বজনার প্রতিবেশীদের খবর দেয়। পরে সেখান থেকে তাকে নামানোর আগেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে হরিণাকুন্ডু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

লিজার পিতা কামাল হোসেন বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করবে কেন। ওরা আমার মেয়েকে মেরে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি এর বিচার চাই।

লিজার চাচা হায়দার আলী বলেন, মনে হচ্ছে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। যাই হোক না কেন আমরা পুলিশের কাছে দাবী করি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে যেন ব্যবস্থা নেয়া হয়।

হরিণাকুন্ডু থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, আমরা প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছি এটি আত্মহত্যা। মৃত নারীর শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।