এখন ০৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহেশপুরে সালেহা ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের পর নবজাতকের মৃত্যু

মোঃ আবু সুফিয়ান শান্তি, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি -ঃমহেশপুরের সালেহা ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের পর নবজাতকের মৃত হয়েছে বলে জানা গেছে।

গত শুক্রবার সন্ধার পরে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের কুশাডাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সালেহা ক্লিনিকে পার্শ্ববর্তী শ্যামকুড় ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের নেংটের মেয়ে হাজেরা খাতুনের প্রসাব বেদনা উঠে। হাজেরা খাতুনের প্রসাব বেদনা উঠলে তার নবাগত সন্তানের হাসি মুখ দেখার আশায় সালেহা ক্লিনিকে রোগী ভর্তি করে। হাজেরা খাতুনের সিজারিয়ানের জন্য এলাকার চিহ্নিত মাদকাসক্ত ডঃ আনিছুর রহমান তার অপেরাশন সম্পন্ন করে। অপেরাশন কালে ছিলনা কোন এনেসশেথিয়া ডাক্তার। অপেরাশন সম্পন্ন হওয়ার পর ডঃ আনিছুর রহমানএর কাছে এনেসথেশিয়া কে ছিল জানতে চাইলে ডঃ আনিছুর রহমান স্বগৈরবে বলে মহেশপুরে ১৫ টা ক্লিনিকে অপরেশন করি কোনটায় এনসথেশিয়া লাগেনা। অপনি খুব বেশী বাড়াবড়ি করেন।অপনাকে দেখে নেওয়া হবে। হাজেরা খাতুনের সিজারিয়ান অপারেশনে পুত্র সন্তান হয় যা কয়েক ঘন্টার মধ্যে মারা যায়।ক্লিনিক মালিকের অব্যবস্থাপনা ও নেশাগ্রস্ত ডাক্তারের দায়িত্বের কারণেই বাচ্চাটি মারা গেছে বলে প্রথমিক ভাবে জানা গেছে।   উল্লেখ মহেশপুরে প্রায় ১৩ টার মত বেসরকারি  ক্লিনিক এণ্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো সাবেক সিভিল সার্জন সেলিনা খাতুন বন্ধ ঘোষনা করে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে চিঠি দেয়। বন্ধ ঘোষনা  ক্লিনিকগুলো সিমা ক্লিনিক, সুমন ক্লিনিক, মহিউদ্দিন ক্লিনিক, মহেশপুর প্রায়ভেট হাসপাতাল, টিএইচওর নাগের ডগায় থাকলেও অজানা কারণে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। সাধারন মানুষের প্রশ্ন আর কত মায়ের বুক খালি হলে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন অফিসের ঘুম ভাঙ্গবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

মহেশপুরে সালেহা ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের পর নবজাতকের মৃত্যু

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২

মোঃ আবু সুফিয়ান শান্তি, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি -ঃমহেশপুরের সালেহা ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের পর নবজাতকের মৃত হয়েছে বলে জানা গেছে।

গত শুক্রবার সন্ধার পরে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের কুশাডাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সালেহা ক্লিনিকে পার্শ্ববর্তী শ্যামকুড় ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের নেংটের মেয়ে হাজেরা খাতুনের প্রসাব বেদনা উঠে। হাজেরা খাতুনের প্রসাব বেদনা উঠলে তার নবাগত সন্তানের হাসি মুখ দেখার আশায় সালেহা ক্লিনিকে রোগী ভর্তি করে। হাজেরা খাতুনের সিজারিয়ানের জন্য এলাকার চিহ্নিত মাদকাসক্ত ডঃ আনিছুর রহমান তার অপেরাশন সম্পন্ন করে। অপেরাশন কালে ছিলনা কোন এনেসশেথিয়া ডাক্তার। অপেরাশন সম্পন্ন হওয়ার পর ডঃ আনিছুর রহমানএর কাছে এনেসথেশিয়া কে ছিল জানতে চাইলে ডঃ আনিছুর রহমান স্বগৈরবে বলে মহেশপুরে ১৫ টা ক্লিনিকে অপরেশন করি কোনটায় এনসথেশিয়া লাগেনা। অপনি খুব বেশী বাড়াবড়ি করেন।অপনাকে দেখে নেওয়া হবে। হাজেরা খাতুনের সিজারিয়ান অপারেশনে পুত্র সন্তান হয় যা কয়েক ঘন্টার মধ্যে মারা যায়।ক্লিনিক মালিকের অব্যবস্থাপনা ও নেশাগ্রস্ত ডাক্তারের দায়িত্বের কারণেই বাচ্চাটি মারা গেছে বলে প্রথমিক ভাবে জানা গেছে।   উল্লেখ মহেশপুরে প্রায় ১৩ টার মত বেসরকারি  ক্লিনিক এণ্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো সাবেক সিভিল সার্জন সেলিনা খাতুন বন্ধ ঘোষনা করে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে চিঠি দেয়। বন্ধ ঘোষনা  ক্লিনিকগুলো সিমা ক্লিনিক, সুমন ক্লিনিক, মহিউদ্দিন ক্লিনিক, মহেশপুর প্রায়ভেট হাসপাতাল, টিএইচওর নাগের ডগায় থাকলেও অজানা কারণে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। সাধারন মানুষের প্রশ্ন আর কত মায়ের বুক খালি হলে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন অফিসের ঘুম ভাঙ্গবে।