এখন ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৈয়দপুরে বিউটি পার্লার কর্মী কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

তপন দাস, নীলফামারী প্রতিনিধি -ঃ নীলফামারীর সৈয়দপুরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। সানজিদা আক্তার কনা (২০) নামে ওই কিশোরীর ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই কিশোরী বিউটি পার্লার কর্মী ছিল। বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে শহরের নতুন বাবুপাড়া শহীদ নুর মোহাম্মদ লেন এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহত কনা ওই এলাকার অবসরপ্রাপ্ত রেলওয়ে হাসপাতাল কর্মচারী মো: শফিকুল ইসলাম গোফফারের মেয়ে। তিন বোনের মধ্যে সে সবার ছোট ও একমাত্র অবিবাহিতা ছিল। পরিবারের দাবী সে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু কি কারণে করেছে সে ব্যাপারে কেউ মুখ খুলছেনা।

কনার মা ফুলমনি জানান, কাজের জন্য সকাল থেকে বাইরে ছিলাম। বেলা সাড়ে ১১ দিকে বাসায় ফিরে দেখি মেয়ের ঘরের দরজা ভিতর থেকে আটকানো। অনেক ডাকাডাকি করেও কোন সাড়া না পাওয়ায় প্রতিবেশীদের ডেকে এনে দরজা ভেঙ্গে দেখি কনা গলায় ওড়না পেছানো অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছে।

পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। হাসপাতালে নেয়ার অনেক আগেই কনার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক। খবর পেয়ে পুলিশ উপস্থিত হয়ে মরদে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল হাসনাত খান জানান, মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য নীলফামারী মর্গে পাঠানো হবে। তদন্ত রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আপাতত একটি ইউডি মামলা নথিভুক্ত করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

সৈয়দপুরে বিউটি পার্লার কর্মী কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২

তপন দাস, নীলফামারী প্রতিনিধি -ঃ নীলফামারীর সৈয়দপুরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। সানজিদা আক্তার কনা (২০) নামে ওই কিশোরীর ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই কিশোরী বিউটি পার্লার কর্মী ছিল। বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে শহরের নতুন বাবুপাড়া শহীদ নুর মোহাম্মদ লেন এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহত কনা ওই এলাকার অবসরপ্রাপ্ত রেলওয়ে হাসপাতাল কর্মচারী মো: শফিকুল ইসলাম গোফফারের মেয়ে। তিন বোনের মধ্যে সে সবার ছোট ও একমাত্র অবিবাহিতা ছিল। পরিবারের দাবী সে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু কি কারণে করেছে সে ব্যাপারে কেউ মুখ খুলছেনা।

কনার মা ফুলমনি জানান, কাজের জন্য সকাল থেকে বাইরে ছিলাম। বেলা সাড়ে ১১ দিকে বাসায় ফিরে দেখি মেয়ের ঘরের দরজা ভিতর থেকে আটকানো। অনেক ডাকাডাকি করেও কোন সাড়া না পাওয়ায় প্রতিবেশীদের ডেকে এনে দরজা ভেঙ্গে দেখি কনা গলায় ওড়না পেছানো অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছে।

পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। হাসপাতালে নেয়ার অনেক আগেই কনার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক। খবর পেয়ে পুলিশ উপস্থিত হয়ে মরদে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল হাসনাত খান জানান, মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য নীলফামারী মর্গে পাঠানো হবে। তদন্ত রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আপাতত একটি ইউডি মামলা নথিভুক্ত করা হবে।