এখন ০৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপেক্ষিত বাঙালীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলো পাকহানাদাররা

মোঃ রেজাউল করিম, পঞ্চগড় -ঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আইয়ুব খানের সরকার সেনাবাহিনীতে বাঙালীদের মাত্র ৭ শতাংশ সুযোগ দিতো, বাকী ৯৩ শতাংশ জনবল নিয়োগ করা হতো পশ্চিম পাকিস্তান থেকে। অথচ তৎকালীন মোট জনগণের ৫৬ শতাংশই ছিলো বাঙালী, পশ্চিম পাকিস্তানে ছিলো মাত্র ৪৪ শতাংশ। আইয়ুব খান একটি বইয়ে লিখেছিলেন, ‘বাঙালীরা খাটো লোক, নন মার্সালাইজ, নিরীহ, কাপুরুষ, তারা যুদ্ধ করতে জানেনা।

এজন্য তাদেরকে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীতে নেয়া হয়না।’ তারা বাঙালীদের উপেক্ষা করতো, অবজ্ঞা করতো। এই উপেক্ষিত বাঙালীর কাছে পাকহানাদাররা মাথা নত করে, হাটু গেড়ে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিলো।
বৃহস্পতিবার সন্ধায় পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেডিয়ামে আঞ্চলিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। মন্ত্রী আরো বলেন, পাকিস্তান হচ্ছে অকার্যকর দেশ, একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। আর বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ তার উত্তরাধিকার জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে।


তিনি বলেন, ওই ব্যর্থ রাষ্ট্রের দোসররা বাংলাদেশে এখনো রয়েছে। এখনো তারা পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করতে চায়। লজ্জা এবং ঘৃণার সঙ্গে বলতে হয় আমাদের নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশের সাথে খেলায় বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে সমর্থন করে।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই আঞ্চলিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম।
এসময় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার সায়খুল ইসলামসহ জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

উপেক্ষিত বাঙালীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলো পাকহানাদাররা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:২১:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২১

মোঃ রেজাউল করিম, পঞ্চগড় -ঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আইয়ুব খানের সরকার সেনাবাহিনীতে বাঙালীদের মাত্র ৭ শতাংশ সুযোগ দিতো, বাকী ৯৩ শতাংশ জনবল নিয়োগ করা হতো পশ্চিম পাকিস্তান থেকে। অথচ তৎকালীন মোট জনগণের ৫৬ শতাংশই ছিলো বাঙালী, পশ্চিম পাকিস্তানে ছিলো মাত্র ৪৪ শতাংশ। আইয়ুব খান একটি বইয়ে লিখেছিলেন, ‘বাঙালীরা খাটো লোক, নন মার্সালাইজ, নিরীহ, কাপুরুষ, তারা যুদ্ধ করতে জানেনা।

এজন্য তাদেরকে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীতে নেয়া হয়না।’ তারা বাঙালীদের উপেক্ষা করতো, অবজ্ঞা করতো। এই উপেক্ষিত বাঙালীর কাছে পাকহানাদাররা মাথা নত করে, হাটু গেড়ে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিলো।
বৃহস্পতিবার সন্ধায় পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেডিয়ামে আঞ্চলিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। মন্ত্রী আরো বলেন, পাকিস্তান হচ্ছে অকার্যকর দেশ, একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। আর বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ তার উত্তরাধিকার জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে।


তিনি বলেন, ওই ব্যর্থ রাষ্ট্রের দোসররা বাংলাদেশে এখনো রয়েছে। এখনো তারা পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করতে চায়। লজ্জা এবং ঘৃণার সঙ্গে বলতে হয় আমাদের নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশের সাথে খেলায় বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে সমর্থন করে।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই আঞ্চলিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম।
এসময় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার সায়খুল ইসলামসহ জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ উপস্থিত ছিলেন।