এখন ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অদম্য বোন রেশমার পাশে আমরা “পাশে দাঁড়াও” টিম

মোঃ ফরিদুল ইসলাম, চিরিরবন্দর দিনাজপুর প্রতিনিধি -ঃ প্রতিবন্ধকতা কখনোই সাফল্যকে আটকে দিতে পারে না। প্রতিবন্ধীরা বোঝা নয়,সঠিক যত্ন ও পরিচর্যা পেলে ওরাও বদলে দিতে পারে সমাজ, সংসার ও পরিবার। সমাজের মানুষের শুভ দৃষ্টি ও রাষ্ট্রের সামান্য সহযোগিতা পেলে অন্যদশ জন সুস্হ্য স্বাভাবিক মানুষের মতই দেশ ও শিক্ষিত জাতী গঠনে ভুমিকা রাখতে পারে সম পরিমান। রেশমা এমনি একটি উদাহারন।

শারীরিক প্রতিবন্ধী চিরিরবন্দর উপজেলার পূর্ব সাইতাড়া গ্রামের রেশমার কথা। রেশমাকে মাত্র তিন বছর বয়সে পার্বতীপুর ল্যাম্ব হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায় গর্ভধারীনি মা। এর কিছুদিন পর বাবা মায়ের বিচ্ছেদ হওয়ার পর ঘটে বিপত্তি। বাবাও বিয়ে করে অন্যত্র। তাদের দুজনের ঘরেও দুজন করে সন্তান রয়েছে। রেশমার দ্বায়িত্ব বাবা মা বহন করেন না।

মাত্র তিন বছর বয়সী রেশমাকে পার্বতীপুর ল্যাম্ব হাসপাতালে কোলে তুলে নেয় তার নানা নানী। দুজনেই মানুষের বাড়িতে কাজ করে রেশমার ভরন পোষনের ব্যাবস্থা করেন। শুধু ভরন পোষনই নয়। সারাদিনের হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রমের অর্থ দিয়ে চালিয়েছেন রেশমার লেখাপড়া। রেশমার বাবা অথবা মা কেউ তার ভরন পোষন বহন করেন না।

রেশমা এবারে খোচনা এসসি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেছে, পড়তে চান বিশ্ববিদ্যালয়ে।

রেশমা শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার চলা ফেরা করতে পারেনা। সারাদিন শুয়ে থাকে বিছানায়। সহযোগিতা নিতে হয় বয়সের ভারে নুয়ে পড়া নানীর। ৪ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে আসতে হয় কলেজে।

বোন রেশমার বিষয়ে “পাশে দাঁড়াও” সংগঠনের এর একজন সেচ্ছাসেবক সংগঠনের নির্বাহী কমিটিকে অবগত করলে আমরা “পাশে দাঁড়াও” এর পক্ষ থেকে একটি হুইল চেয়ার উপহার দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করি। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে “পাশে দাঁড়াও” এর পক্ষ থেকে খোচনা এসসি স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে একটি হুইল চেয়ার ও নগদ অর্থ উপহার দেয়া হয় রেশমাকে।

এসময় খোচনা এসসি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও চিরিরবন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আহাসানুল হক মুকুল ভাই সহ “পাশে দাঁড়াও” টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যে বড় ভাই হুইল চেয়ার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তার ও তার পরিবারের জন্য দোআ ও ভালোবাসা অবিরাম।

ধন্যবাদ জানাই “পাশে দাঁড়াও” সকল সদস্যদের।
আমাদের জন্য দোআ করবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

অদম্য বোন রেশমার পাশে আমরা “পাশে দাঁড়াও” টিম

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৫৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ নভেম্বর ২০২১

মোঃ ফরিদুল ইসলাম, চিরিরবন্দর দিনাজপুর প্রতিনিধি -ঃ প্রতিবন্ধকতা কখনোই সাফল্যকে আটকে দিতে পারে না। প্রতিবন্ধীরা বোঝা নয়,সঠিক যত্ন ও পরিচর্যা পেলে ওরাও বদলে দিতে পারে সমাজ, সংসার ও পরিবার। সমাজের মানুষের শুভ দৃষ্টি ও রাষ্ট্রের সামান্য সহযোগিতা পেলে অন্যদশ জন সুস্হ্য স্বাভাবিক মানুষের মতই দেশ ও শিক্ষিত জাতী গঠনে ভুমিকা রাখতে পারে সম পরিমান। রেশমা এমনি একটি উদাহারন।

শারীরিক প্রতিবন্ধী চিরিরবন্দর উপজেলার পূর্ব সাইতাড়া গ্রামের রেশমার কথা। রেশমাকে মাত্র তিন বছর বয়সে পার্বতীপুর ল্যাম্ব হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায় গর্ভধারীনি মা। এর কিছুদিন পর বাবা মায়ের বিচ্ছেদ হওয়ার পর ঘটে বিপত্তি। বাবাও বিয়ে করে অন্যত্র। তাদের দুজনের ঘরেও দুজন করে সন্তান রয়েছে। রেশমার দ্বায়িত্ব বাবা মা বহন করেন না।

মাত্র তিন বছর বয়সী রেশমাকে পার্বতীপুর ল্যাম্ব হাসপাতালে কোলে তুলে নেয় তার নানা নানী। দুজনেই মানুষের বাড়িতে কাজ করে রেশমার ভরন পোষনের ব্যাবস্থা করেন। শুধু ভরন পোষনই নয়। সারাদিনের হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রমের অর্থ দিয়ে চালিয়েছেন রেশমার লেখাপড়া। রেশমার বাবা অথবা মা কেউ তার ভরন পোষন বহন করেন না।

রেশমা এবারে খোচনা এসসি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেছে, পড়তে চান বিশ্ববিদ্যালয়ে।

রেশমা শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার চলা ফেরা করতে পারেনা। সারাদিন শুয়ে থাকে বিছানায়। সহযোগিতা নিতে হয় বয়সের ভারে নুয়ে পড়া নানীর। ৪ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে আসতে হয় কলেজে।

বোন রেশমার বিষয়ে “পাশে দাঁড়াও” সংগঠনের এর একজন সেচ্ছাসেবক সংগঠনের নির্বাহী কমিটিকে অবগত করলে আমরা “পাশে দাঁড়াও” এর পক্ষ থেকে একটি হুইল চেয়ার উপহার দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করি। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে “পাশে দাঁড়াও” এর পক্ষ থেকে খোচনা এসসি স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে একটি হুইল চেয়ার ও নগদ অর্থ উপহার দেয়া হয় রেশমাকে।

এসময় খোচনা এসসি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও চিরিরবন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আহাসানুল হক মুকুল ভাই সহ “পাশে দাঁড়াও” টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যে বড় ভাই হুইল চেয়ার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তার ও তার পরিবারের জন্য দোআ ও ভালোবাসা অবিরাম।

ধন্যবাদ জানাই “পাশে দাঁড়াও” সকল সদস্যদের।
আমাদের জন্য দোআ করবেন।