এখন ০২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শোভাযাত্রা, বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন ও সচেতনতামূলক আলোচনা সভা

পঞ্চগড়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন

জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ “তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (১২ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এর আগে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ সময় তিনি জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তরুণ প্রজন্মের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা। সভায় সভাপতিত্ব করেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোসা: শুকরিয়া পারভীন।
সভায় বক্তারা বলেন, পরিকল্পিত পরিবার, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর পুষ্টি, কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি সুস্থ, দক্ষ ও উন্নত জনগোষ্ঠী গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি তরুণদের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং তাদের সম্ভাবনা বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার আবু সাইম, কুড়িগ্রাম জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মোদাব্বের হোসেনসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা।
বক্তারা আরও বলেন, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো জনসংখ্যা, প্রজনন স্বাস্থ্য, নারী ও শিশুর অধিকার, লিঙ্গসমতা এবং টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। এ ধরনের আয়োজন সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

শোভাযাত্রা, বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন ও সচেতনতামূলক আলোচনা সভা

পঞ্চগড়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ “তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (১২ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এর আগে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ সময় তিনি জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তরুণ প্রজন্মের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা। সভায় সভাপতিত্ব করেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোসা: শুকরিয়া পারভীন।
সভায় বক্তারা বলেন, পরিকল্পিত পরিবার, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর পুষ্টি, কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি সুস্থ, দক্ষ ও উন্নত জনগোষ্ঠী গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি তরুণদের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং তাদের সম্ভাবনা বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার আবু সাইম, কুড়িগ্রাম জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মোদাব্বের হোসেনসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা।
বক্তারা আরও বলেন, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো জনসংখ্যা, প্রজনন স্বাস্থ্য, নারী ও শিশুর অধিকার, লিঙ্গসমতা এবং টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। এ ধরনের আয়োজন সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।