নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কক্সবাজারের প্রাণ বাঁকখালী নদী দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে স্থানীয় দখলদার চক্রের বাধার মুখে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মাঠে নামে।
শুক্রবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নদীর দুই পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরে নদী দখল করে রাখা প্রভাবশালী মহলের একাংশ অভিযানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে প্রশাসনের সাথে দখলদারদের উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয় এবং অভিযান পুনরায় শুরু করা হয়।
জেলা প্রশাসন জানায়, বাঁকখালী নদী কক্সবাজারের প্রধান জলাধার এবং এটি দখলমুক্ত করা এখন সময়ের দাবি। নদী দখলমুক্ত না হলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।
উচ্ছেদ অভিযানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনা সদস্যরা যৌথভাবে অংশ নেয়। এর আগে দখলদারদের স্বেচ্ছায় অবৈধ স্থাপনা সরানোর জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল বলে জানায় প্রশাসন।
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত বাঁকখালী নদী সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছে।













