এখন ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহের শৈলকুপার ফুলহরি ইউপি চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমন কমিশনে চিঠি

  • ক্রাইম লেটার ডেস্ক
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৮৩৮ পড়া হয়েছে

তপন দাস, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি -ঃ ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার ১৫ নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামিনুর রহমান বিপুল বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার আন্তসাতের অভিযোগ তুলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সাধারণ সম্পাদক জনাব ওয়ায়দুল কাদের ও দুর্নীতি দমন কমিশনে র কাছে একটি খোলা চিঠি দিয়ে অভিযোগ তুলেছেন মধু বিশ্বাশ নামে এক ভুক্তভোগী ব্যক্তি।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি এই খোলা চিঠি টি দুর্নীতি দমন কমিশন এর চেয়ারম্যান মহোদয় এর নিকট প্রেয়ন করেন।

এবিষয়ে অভিযোগকারী ভুক্তভোগী জনাব মধু বিশ্বাস এর মুঠো ফোনে যোগাযোগ হলে তিনি বলেন আমি আমার ফুলহরি ইউনিয়ন বাসীর মঙ্গলের জন্য ও মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব জামিনুর রহমান বিপুলের দূর্নীতি রোধে আমি আজকে দূর্নীতি দমন কমিশন ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বরাবর একটি চিঠি দিয়েছি
আর সেখানে তার বিরুদ্ধে আমি ২২ টি দুর্নীতি উল্লেখ করেছি যা হচ্ছে
১’ ফুলহরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে গোর সাহার পুত্র লক্ষণ সাহার কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়, ২, ফুলহরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুকুর জোড় পূর্বক ভরাট করা, ৩, কাজিপাড়া জোড়া ব্রিজের পাশে সরকারী জমিতে বিল্ডিং তৈরি করা, ৪, কাজিপাড়া নিবাসী আমজাত খন্দকারকে হুমকি দিয়ে জোড় পূবক জমি লিখে নেয়া

৫, ফুলহরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাইট গাড পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া ৬ পুলিশের চাকরি দেয়ার কথা বলে ৪ জনের কাছ থেকে ৩৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া, ১০, ঝিনাইদহ মাস্টার পাড়ায় জমি ক্রয় করে বিল্ডিং তৈরির অনুমোদনে জন্য ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও কুষ্টিয়ার বটফুল শ্বশুর বাড়ির এলাকায় অবৈধ ভাবে ১ কোটি টাকা মুল্যে জমি ও গরু কেনা সহ মোট ২২ টি দূর্নীতির প্রমাণ উল্লেখ আছে এই চিঠিতে , আর আমি আসাবাদি যে আমি এর একটি সুফল পাবো।

এদিকে ১৫ নং ফুলহরি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব জামিনুর রহমান বিপুল এর সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার মুঠোফোনে তাকে পাওয়া যায়নি ।

এবিষয়ে ফুলহরি ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন স্হায়ীবাসিন্দার সাথে কথা হলে তারা সবাই চেয়ারম্যান মহোদয় এর নিকট কোন সাহায্যের জন্য গেলে তিনি প্রথমে কিছু ( টাকা) দেয়ার কথা বলে আর আমাদের ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য আসা অনেক টাকা তিনি নিজের পাকেটে রেখেছেন ।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ঝিনাইদহের শৈলকুপার ফুলহরি ইউপি চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমন কমিশনে চিঠি

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

তপন দাস, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি -ঃ ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার ১৫ নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামিনুর রহমান বিপুল বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার আন্তসাতের অভিযোগ তুলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সাধারণ সম্পাদক জনাব ওয়ায়দুল কাদের ও দুর্নীতি দমন কমিশনে র কাছে একটি খোলা চিঠি দিয়ে অভিযোগ তুলেছেন মধু বিশ্বাশ নামে এক ভুক্তভোগী ব্যক্তি।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি এই খোলা চিঠি টি দুর্নীতি দমন কমিশন এর চেয়ারম্যান মহোদয় এর নিকট প্রেয়ন করেন।

এবিষয়ে অভিযোগকারী ভুক্তভোগী জনাব মধু বিশ্বাস এর মুঠো ফোনে যোগাযোগ হলে তিনি বলেন আমি আমার ফুলহরি ইউনিয়ন বাসীর মঙ্গলের জন্য ও মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব জামিনুর রহমান বিপুলের দূর্নীতি রোধে আমি আজকে দূর্নীতি দমন কমিশন ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বরাবর একটি চিঠি দিয়েছি
আর সেখানে তার বিরুদ্ধে আমি ২২ টি দুর্নীতি উল্লেখ করেছি যা হচ্ছে
১’ ফুলহরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে গোর সাহার পুত্র লক্ষণ সাহার কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়, ২, ফুলহরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুকুর জোড় পূর্বক ভরাট করা, ৩, কাজিপাড়া জোড়া ব্রিজের পাশে সরকারী জমিতে বিল্ডিং তৈরি করা, ৪, কাজিপাড়া নিবাসী আমজাত খন্দকারকে হুমকি দিয়ে জোড় পূবক জমি লিখে নেয়া

৫, ফুলহরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাইট গাড পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া ৬ পুলিশের চাকরি দেয়ার কথা বলে ৪ জনের কাছ থেকে ৩৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া, ১০, ঝিনাইদহ মাস্টার পাড়ায় জমি ক্রয় করে বিল্ডিং তৈরির অনুমোদনে জন্য ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও কুষ্টিয়ার বটফুল শ্বশুর বাড়ির এলাকায় অবৈধ ভাবে ১ কোটি টাকা মুল্যে জমি ও গরু কেনা সহ মোট ২২ টি দূর্নীতির প্রমাণ উল্লেখ আছে এই চিঠিতে , আর আমি আসাবাদি যে আমি এর একটি সুফল পাবো।

এদিকে ১৫ নং ফুলহরি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব জামিনুর রহমান বিপুল এর সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার মুঠোফোনে তাকে পাওয়া যায়নি ।

এবিষয়ে ফুলহরি ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন স্হায়ীবাসিন্দার সাথে কথা হলে তারা সবাই চেয়ারম্যান মহোদয় এর নিকট কোন সাহায্যের জন্য গেলে তিনি প্রথমে কিছু ( টাকা) দেয়ার কথা বলে আর আমাদের ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য আসা অনেক টাকা তিনি নিজের পাকেটে রেখেছেন ।