লুৎফর সিকদার-গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ভারতে যাওয়ার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম সাহাব উদ্দিন আজমকে গেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রী সাথে থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল ১১টার দিকে ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার বীণাপাণি স্কুল রোডের শিক্ষক মইনদ্দিনের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-বি-০০০৭৩৯৪৮।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, আজ মঙ্গলবার সকালে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাব উদ্দিন আজম। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরবর্তীতে, তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় মামলা থাকায় তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার দেখিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে। তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় একাধিক মামলা সহ সেনা সদস্যদের উপর হামলা,গাড়ী ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা রয়েছে সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে। বেনাপোল ইমিগ্রেশন এ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইলিয়াস মুন্সী জানান, পূর্ব থেকে ইমিগ্রেশনে খবর ছিল গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম সাহাবুদ্দিন উদ্দিন আযম ভারতে যেতে পারে। সেই মোতাবেক বহিরাগমন বিভাগের সকল অফিসারদের সতর্ক করিয়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে সকাল ১১ টার দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে প্রবেশ করে বহিরাগমন সিল মারার জন্য ট্যাক্সে পাসপোর্ট জমা দিলে অনলাইনে তার ইস্টাবলিশ থাকায় সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদে এক পয়সা থাকে গ্রেফতার করা হয়।। এ ব্যাপারে বেনাপোল পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ রাসেল বলেন এ ব্যাপারে বেনাপোল পর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল বললেন ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামী লীগের নেতা কে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। যেহেতু গোপালগঞ্জ থানায় তাহার নামে মামলা রয়েছে।
সেহেতু তাকে গোপালগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।













