এখন ১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিএনপি নেতা তানভীর হুদা

সুমন আহমেদঃ শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে চাঁদপুর-২ আসন ( মতলব উত্তর – দক্ষিণ) এর সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে সাবেক তথ্য ও সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম নুরুল হুদার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভীর হুদা। 
শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর এক শুভেচ্ছা বাণীতে তানভীর হুদা বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু তত্ত্বে বিশ্বাস করি না।
যে কোনো ধরনের অশুভ তৎপরতা সম্পর্কে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব ধর্মের মর্মবাণী শান্তি ও মানবকল্যাণ। হিংসা-বিদ্বেষ, রক্তারক্তি পরিহার করে সমাজে শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় ব্রতী হওয়া মানুষ হিসেবে আমাদের সবার কর্তব্য। দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত বাণীই হচ্ছে হিংসা, লোভ ও ক্রোধরূপী অসুরকে বিনাশ করে সমাজে স্বর্গীয় শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যেখানে ন্যায় ও সুবিচার নিশ্চিত হবে। সেই বাণীকে আত্মস্থ করেই দুর্গাপূজার উৎসবের আনন্দকে সকলে মিলে ভাগ করে নিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, যুগ যুগ ধরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপমহাদেশ ও বাংলাদেশসহ অন্যান্য ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। সুদীর্ঘকাল ধরে এই ধর্মীয় উৎসবটি সাড়ম্ভরে পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও দুর্গাপূজা সবসময় উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়। যে কোনো ধর্মীয় উৎসবই মানুষে মানুষে নিবিড় বন্ধন রচনা করে ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগরিত করে।
গত ১৭ বছরে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলোর জন্য পতিত শেখ হাসিনা সরকারকে দায়ী করে তানভীর হুদা বলেন, বিগত অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক সরকার নিজেদের শাসন-শোষণ থেকে জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে বিভিন্ন সময়ে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা চালিয়েছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা এখনো সে চেষ্টা চালাচ্ছে। বিতাড়িত স্বৈরাচারের দুঃশাসনের ১৭ বছরে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বা তাদের ধর্মীয় স্থাপনার ওপর যে হামলাগুলো হয়েছে, সেগুলো যদি নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করি তাহলে আমরা দেখব, একটা হামলাও কিন্তু ধর্মীয় কারণে সংঘটিত হয়নি। বরং কথিত যে রাজনৈতিক দলটা, এদের হীন অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করাই ছিল এসব হামলার নেপথ্য কারণ। আমরা সবাই বাংলাদেশি- এটাই হোক আমাদের বড় পরিচয়। আমরা শারদীয় দুর্গোৎসবের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিএনপি নেতা তানভীর হুদা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০২৪

সুমন আহমেদঃ শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে চাঁদপুর-২ আসন ( মতলব উত্তর – দক্ষিণ) এর সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে সাবেক তথ্য ও সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম নুরুল হুদার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভীর হুদা। 
শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর এক শুভেচ্ছা বাণীতে তানভীর হুদা বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু তত্ত্বে বিশ্বাস করি না।
যে কোনো ধরনের অশুভ তৎপরতা সম্পর্কে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব ধর্মের মর্মবাণী শান্তি ও মানবকল্যাণ। হিংসা-বিদ্বেষ, রক্তারক্তি পরিহার করে সমাজে শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় ব্রতী হওয়া মানুষ হিসেবে আমাদের সবার কর্তব্য। দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত বাণীই হচ্ছে হিংসা, লোভ ও ক্রোধরূপী অসুরকে বিনাশ করে সমাজে স্বর্গীয় শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যেখানে ন্যায় ও সুবিচার নিশ্চিত হবে। সেই বাণীকে আত্মস্থ করেই দুর্গাপূজার উৎসবের আনন্দকে সকলে মিলে ভাগ করে নিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, যুগ যুগ ধরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপমহাদেশ ও বাংলাদেশসহ অন্যান্য ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। সুদীর্ঘকাল ধরে এই ধর্মীয় উৎসবটি সাড়ম্ভরে পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও দুর্গাপূজা সবসময় উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়। যে কোনো ধর্মীয় উৎসবই মানুষে মানুষে নিবিড় বন্ধন রচনা করে ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগরিত করে।
গত ১৭ বছরে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলোর জন্য পতিত শেখ হাসিনা সরকারকে দায়ী করে তানভীর হুদা বলেন, বিগত অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক সরকার নিজেদের শাসন-শোষণ থেকে জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে বিভিন্ন সময়ে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা চালিয়েছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা এখনো সে চেষ্টা চালাচ্ছে। বিতাড়িত স্বৈরাচারের দুঃশাসনের ১৭ বছরে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বা তাদের ধর্মীয় স্থাপনার ওপর যে হামলাগুলো হয়েছে, সেগুলো যদি নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করি তাহলে আমরা দেখব, একটা হামলাও কিন্তু ধর্মীয় কারণে সংঘটিত হয়নি। বরং কথিত যে রাজনৈতিক দলটা, এদের হীন অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করাই ছিল এসব হামলার নেপথ্য কারণ। আমরা সবাই বাংলাদেশি- এটাই হোক আমাদের বড় পরিচয়। আমরা শারদীয় দুর্গোৎসবের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি।