এখন ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক জাগরণের চেয়েও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল জরুরি

দলবাজ দালাল সাংবাদিক বিতারণ, প্রেসক্লাব দখল- বেদখল, বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক জাগরণের চেয়েও জরুরি হচ্ছে সাংবাদিকদের নির্যাতন ও হয়রানি মুক্ত করা। ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে আইসিটি আইনে দায়ের করা মামলাগুলো এই মুহূর্তে বাতিলের ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ দাবি জানানো।

ঢাকাসহ সারাদেশে আইসিটি আইনসহ নানা হয়রানিমূলক মামলায় তিন সহস্রাধিক সাংবাদিক নির্যাতিত হচ্ছেন। তাদের পরিবারগুলো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এছাড়াও ছাত্র আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহকালে গুলিবিদ্ধসহ দুই শতাধিক সাংবাদিক বিভিন্ন হাসপাতালে কাতরাচ্ছে। অর্থাভাবে তাদের কারো কারো চিকিৎসা পর্যন্ত বন্ধের পথে। তাদের জন্য রাষ্ট্রীয় সহায়তা খুবই জরুরি।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলকারীদের দাবীর বাইরেও অনেক বড় বড় নির্বাহী আদেশ বাস্তবায়ন হয়েছে, এমনকি আয়নাঘরে ৮/৯ বছর ধরে গুম থাকা মানুষজনও মুক্ত হয়ে ফিরে এসেছেন আমাদের মাঝে। অথচ এখনও হতভাগা সাংবাদিকরা নিবর্তনমূলক আইনে বন্দী আর হয়রানির শিকার থাকবেন কেন?

আগে পা চাটা সাংবাদিকদের দালালির কারণে সাংবাদিক নিপীড়ন নির্যাতনের সিংহভাগ ঘটনা ঘটেছে। এখনও দখল-বেদখলের বিভাজনে যদি সাংবাদিক নিপীড়ন নির্যাতন অব্যাহত থাকে আর বহাল থাকে হয়রানির কালাকানুন, তাহলে সাংবাদিকতার জন্য তা “স্থায়ী অভিশাপে” পরিণত হবে।

আসুন আমরা সবাই সাধারণ সাংবাদিক সমাজের ব্যানারে নিবর্তনমূলক সকল মামলা থেকে সাংবাদিকদের মুক্ত করার দাবি জানাই। আহত সাংবাদিকদের জন্য জরুরি ভাবে রাষ্ট্রীয় সহায়তা চাই। রাজধানী থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকরা অভিন্ন দাবিতে আরেকবার রাস্তায় নামুন, উচ্চকন্ঠে দাবি তুলুন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক জাগরণের চেয়েও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল জরুরি

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অগাস্ট ২০২৪

দলবাজ দালাল সাংবাদিক বিতারণ, প্রেসক্লাব দখল- বেদখল, বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক জাগরণের চেয়েও জরুরি হচ্ছে সাংবাদিকদের নির্যাতন ও হয়রানি মুক্ত করা। ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে আইসিটি আইনে দায়ের করা মামলাগুলো এই মুহূর্তে বাতিলের ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ দাবি জানানো।

ঢাকাসহ সারাদেশে আইসিটি আইনসহ নানা হয়রানিমূলক মামলায় তিন সহস্রাধিক সাংবাদিক নির্যাতিত হচ্ছেন। তাদের পরিবারগুলো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এছাড়াও ছাত্র আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহকালে গুলিবিদ্ধসহ দুই শতাধিক সাংবাদিক বিভিন্ন হাসপাতালে কাতরাচ্ছে। অর্থাভাবে তাদের কারো কারো চিকিৎসা পর্যন্ত বন্ধের পথে। তাদের জন্য রাষ্ট্রীয় সহায়তা খুবই জরুরি।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলকারীদের দাবীর বাইরেও অনেক বড় বড় নির্বাহী আদেশ বাস্তবায়ন হয়েছে, এমনকি আয়নাঘরে ৮/৯ বছর ধরে গুম থাকা মানুষজনও মুক্ত হয়ে ফিরে এসেছেন আমাদের মাঝে। অথচ এখনও হতভাগা সাংবাদিকরা নিবর্তনমূলক আইনে বন্দী আর হয়রানির শিকার থাকবেন কেন?

আগে পা চাটা সাংবাদিকদের দালালির কারণে সাংবাদিক নিপীড়ন নির্যাতনের সিংহভাগ ঘটনা ঘটেছে। এখনও দখল-বেদখলের বিভাজনে যদি সাংবাদিক নিপীড়ন নির্যাতন অব্যাহত থাকে আর বহাল থাকে হয়রানির কালাকানুন, তাহলে সাংবাদিকতার জন্য তা “স্থায়ী অভিশাপে” পরিণত হবে।

আসুন আমরা সবাই সাধারণ সাংবাদিক সমাজের ব্যানারে নিবর্তনমূলক সকল মামলা থেকে সাংবাদিকদের মুক্ত করার দাবি জানাই। আহত সাংবাদিকদের জন্য জরুরি ভাবে রাষ্ট্রীয় সহায়তা চাই। রাজধানী থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকরা অভিন্ন দাবিতে আরেকবার রাস্তায় নামুন, উচ্চকন্ঠে দাবি তুলুন।