এখন ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগন্জে গলায় ফাঁস দিয়ে শিক্ষকের মৃত্যু

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলায় অবস্থিত গোপালগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিক্স ডিভিশনের ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টর মান্না দে’র ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে সদর থানার পুলিশ সদস্যরা। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল ও ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টর মান্না দে’র ভাই কিশোর কুমার দে জানান গতকাল বুধবার বিকালে মান্না দে ঘর থেকে বের না হলে অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সন্দেহ হয়। এসময় তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙে মান্না দে’র লাশ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলতে দেখে। পরে লাশ নামিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে। আজ বৃহস্পতিবার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে গোপালগঞ্জ ২৫০ বেড হাসপাতালের মর্গে। আত্মহত্যাকারী মান্না দে’র বাড়ী খাগড়াছড়ি জেলার ২নং বোয়ালখালী ইউনিয়নের থানাপাড়ায়। তিনি ওই গ্রামের বাবুল চন্দ্র দে’র ছেলে। এ ব্যাপারে সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ,পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল ও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন মান্না দে মাইগ্রেনের ব্যাথায় ভুগছিলেন। ব্যাথা সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

গোপালগন্জে গলায় ফাঁস দিয়ে শিক্ষকের মৃত্যু

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলায় অবস্থিত গোপালগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিক্স ডিভিশনের ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টর মান্না দে’র ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে সদর থানার পুলিশ সদস্যরা। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল ও ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টর মান্না দে’র ভাই কিশোর কুমার দে জানান গতকাল বুধবার বিকালে মান্না দে ঘর থেকে বের না হলে অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সন্দেহ হয়। এসময় তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙে মান্না দে’র লাশ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলতে দেখে। পরে লাশ নামিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে। আজ বৃহস্পতিবার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে গোপালগঞ্জ ২৫০ বেড হাসপাতালের মর্গে। আত্মহত্যাকারী মান্না দে’র বাড়ী খাগড়াছড়ি জেলার ২নং বোয়ালখালী ইউনিয়নের থানাপাড়ায়। তিনি ওই গ্রামের বাবুল চন্দ্র দে’র ছেলে। এ ব্যাপারে সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ,পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল ও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন মান্না দে মাইগ্রেনের ব্যাথায় ভুগছিলেন। ব্যাথা সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন।