মোঃ রেজাউল করিম আলম, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে টাবুল বর্মণ খুন হয়েছেন পরকীয়া আর অটোরিকশাচালক নুরুল ইসলাম খুন হয়েছেন ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়ে।শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য দেন।
তিনি বলেন,ললিতা রানী আর টাবুল বর্মনের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল।একপর্যায় ললিতা রানী সম্পর্ক থেকে বের হওয়ার চেষ্ঠা করে কিন্তু টাবুল তার পিছু ছাড়ছেনা।ললিতা রানী টাবুলকে শিক্ষা দিতে ৩০ হাজার টাকায় ভাড়া করে রফিকুল ও মন্তাজ আলীকে।পড়ে ললিতা রানী টাবুলকে সদর উপজেলার হারিভাসা বাজারে আসতে বলেন।সেখান থেকে ললিতার জামাই প্রভাস মোটরসাইকেল যোগে ডোলোপাড়া নিয়ে যায়।সেখানে আম গাছের বড় বাগানে টেনে হিছড়ে ভিতরে নিয়ে টাবুলকে কুড়াল দিয়ে এলোপাতারি কুপিয়ে মেরে ফেলে বাঁশ বাগানের ভিতরে ড্রেনে পুঁতে রাখে।
পুলিশ সুপার বলেন,মারেয়া বাজার থেকে অটোচালক নুরুল ইসলামকে ভাড়া করে ছিনতাইকারী চক্র আলমসহ তার ভায়রা জালাল।পরে অটোচালককে মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের করতোয়া নদীর সাঁওতাল পাড়া ঘাট এলাকায় রশি ও গামছা দিয়ে হাত-পা মুখ বেঁধে মেরে নদীতে ফেলে রেখে যায়।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ললিতা রাণী (৪০) ও আলম (২৫) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।বাকী জরিতদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে গত কয়েকদিন ধরে তারা দুজনেই নিখোঁজ ছিল।সাধারন ডায়েরি রয়েছে সংশ্লিষ্ট থানায়।বিভিন্ন সোর্স ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) পৃথক স্থান থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতরা হলেন-বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের কাউয়া খাল মাঝিয়ারী এলাকার ইয়াসিন আলীর ছেলে অটোরিকশাচালক নুরুল ইসলাম (৪৫)।টাবুল বর্মন পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের লাখেরাজ ঘুমটি এলাকার মৃত ভগিরাম বর্মণের ছেলে।













