এখন ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী এমপি এর জন্মদিনে মতলব বাসীর পক্ষ হতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ  আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম, এমপি এর জন্মদিনে মতলব বাসীর পক্ষ হতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মতলব উত্তর-দক্ষিণ এর সর্বস্তরের জনগণ।


জনাব মায়া চৌধুরীর আজীবনের লালিত স্বপ্ন জনমানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করা। তাঁর বর্নাড্য জীবনের সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে সেই প্রমান পাওয়া যায়।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম, এমপি ১৯৪৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারী চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুরের সম্ভ্রান্ত চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা-মরহুম আলী আহসান মিয়া, মাতা-মরহুমা মোসা: আক্তারুন্নেছা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি  রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ইসলামের ইতিহাসে এমএ ডাবল পাশ করে পরে এলএলবি ডিগ্রী অর্জন করেন। সঙ্গীত পিপাসু মায়া চৌধুরী মিউজিক কলেজ থেকে আই মিউজিক পাশ করেন।

জনাব চৌধুরী ১৯৬৫ সালে ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। তৎকালিন পাকিস্তান আমলে তিনি বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ  করেন। ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি যুদ্ধকালীন ২ নং সেক্টরের ক্র্যাক প্লাটুনের কমান্ডার হিসেবে বীরত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি ‘বীরবিক্রম’ খেতাব লাভ করেন।

জনাব মায়া চৌধুরী ১৯৭২ সালে ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের একজন একনিষ্ঠ নির্ভীক কর্মী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি ৪বার অবিভক্ত ঢাকা মহানগরের সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯ সালে তিনি ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটির আহবায়ক ও স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করা করা হলে তার প্রতিবাদ করতে গিয়ে জাতীয় ৪ নেতার সাথে তিনিও গ্রেফতার হন। দীর্ঘ ৩ বছর কারারুদ্ধ থাকার পর হাইকোর্টে রীটের মাধ্যমে তিনি মুক্তি পান।

মতলব উপজেলার বিখ্যাত চৌধুরী পরিবারের সদস্যগণ ও আত্মীয়-স্বজনরাই এ অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জনাব মায়া চৌধুরীর পিতা মরহুম আলী আহসান মিয়া জনপ্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘ ৩০ বছর মতলব উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। জনাব চৌধুরী ১৯৯৬ সালে ২৬১ চাঁদপুর-২ মতলব উত্তর থেকে প্রথমবার এবং ২০১৪ সালে একই আসন থেকে দ্বিতীয়বার এবং ২০২৪ সালে তিনি ৩য় বার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে তিনি ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৭ – ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯৮ পর্যন্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। ৪ ডিসেম্বর ১৯৯৮ – ১৫ জুলাই ২০০১ পর্যন্ত তিনি নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ জানুয়ারি ২০১৪ – ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে “বীর বিক্রম” উপাধি প্রদান করে। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তিনি ২০২৩ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন।

একজন জনদরদী মানুষ হিসেবে মায়া চৌধুরী তাঁর

বাবার নামে আলী হোসেন ডিগ্রী কলেজ ও মায়ের নামে একটি হাসপাতাল স্থাপন করেন। এছাড়াও তিনি

এলাকার বহু স্কুল-কলেজের প্রতিষ্ঠা করেন তিনি মতলব উত্তর উপজেলা, মতলব পৌরসভা ও ছেংগারচর পৌরসভার উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠাতা।  তিনি একান্ত প্রচেষ্টায় মতলব উত্তর ও দক্ষিন উপজেলায় অনেক রাস্তাঘাট, পুল-কালভার্ট নির্মাণ করে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন।

রাজনীতির পাশাপাশি জনাব মায়া চৌধুরী ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে যুক্ত রয়েছেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি ২ ছেলে ও ১ মেয়ে সন্তানের জনক। ইতি পূর্বে তার বড় সন্তান মতলব যুব সমাজের অহংকার সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু ইন্তেকাল করে সকল জনমানুষকে কাদিয়ে নাফেরার দেশে চলে যায়। জনাব চৌধুরীর জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর আত্মার অংশ মরহুম সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপুর রুহের মাগফেরাত কামনা করেন মতলব উত্তর- দক্ষিণ এলাকাবাসী

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী এমপি এর জন্মদিনে মতলব বাসীর পক্ষ হতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:২৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিশেষ প্রতিনিধিঃ  আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম, এমপি এর জন্মদিনে মতলব বাসীর পক্ষ হতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মতলব উত্তর-দক্ষিণ এর সর্বস্তরের জনগণ।


জনাব মায়া চৌধুরীর আজীবনের লালিত স্বপ্ন জনমানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করা। তাঁর বর্নাড্য জীবনের সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে সেই প্রমান পাওয়া যায়।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম, এমপি ১৯৪৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারী চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুরের সম্ভ্রান্ত চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা-মরহুম আলী আহসান মিয়া, মাতা-মরহুমা মোসা: আক্তারুন্নেছা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি  রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ইসলামের ইতিহাসে এমএ ডাবল পাশ করে পরে এলএলবি ডিগ্রী অর্জন করেন। সঙ্গীত পিপাসু মায়া চৌধুরী মিউজিক কলেজ থেকে আই মিউজিক পাশ করেন।

জনাব চৌধুরী ১৯৬৫ সালে ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। তৎকালিন পাকিস্তান আমলে তিনি বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ  করেন। ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি যুদ্ধকালীন ২ নং সেক্টরের ক্র্যাক প্লাটুনের কমান্ডার হিসেবে বীরত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি ‘বীরবিক্রম’ খেতাব লাভ করেন।

জনাব মায়া চৌধুরী ১৯৭২ সালে ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের একজন একনিষ্ঠ নির্ভীক কর্মী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি ৪বার অবিভক্ত ঢাকা মহানগরের সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯ সালে তিনি ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটির আহবায়ক ও স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করা করা হলে তার প্রতিবাদ করতে গিয়ে জাতীয় ৪ নেতার সাথে তিনিও গ্রেফতার হন। দীর্ঘ ৩ বছর কারারুদ্ধ থাকার পর হাইকোর্টে রীটের মাধ্যমে তিনি মুক্তি পান।

মতলব উপজেলার বিখ্যাত চৌধুরী পরিবারের সদস্যগণ ও আত্মীয়-স্বজনরাই এ অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জনাব মায়া চৌধুরীর পিতা মরহুম আলী আহসান মিয়া জনপ্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘ ৩০ বছর মতলব উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। জনাব চৌধুরী ১৯৯৬ সালে ২৬১ চাঁদপুর-২ মতলব উত্তর থেকে প্রথমবার এবং ২০১৪ সালে একই আসন থেকে দ্বিতীয়বার এবং ২০২৪ সালে তিনি ৩য় বার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে তিনি ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৭ – ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯৮ পর্যন্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। ৪ ডিসেম্বর ১৯৯৮ – ১৫ জুলাই ২০০১ পর্যন্ত তিনি নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ জানুয়ারি ২০১৪ – ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে “বীর বিক্রম” উপাধি প্রদান করে। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তিনি ২০২৩ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন।

একজন জনদরদী মানুষ হিসেবে মায়া চৌধুরী তাঁর

বাবার নামে আলী হোসেন ডিগ্রী কলেজ ও মায়ের নামে একটি হাসপাতাল স্থাপন করেন। এছাড়াও তিনি

এলাকার বহু স্কুল-কলেজের প্রতিষ্ঠা করেন তিনি মতলব উত্তর উপজেলা, মতলব পৌরসভা ও ছেংগারচর পৌরসভার উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠাতা।  তিনি একান্ত প্রচেষ্টায় মতলব উত্তর ও দক্ষিন উপজেলায় অনেক রাস্তাঘাট, পুল-কালভার্ট নির্মাণ করে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন।

রাজনীতির পাশাপাশি জনাব মায়া চৌধুরী ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে যুক্ত রয়েছেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি ২ ছেলে ও ১ মেয়ে সন্তানের জনক। ইতি পূর্বে তার বড় সন্তান মতলব যুব সমাজের অহংকার সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু ইন্তেকাল করে সকল জনমানুষকে কাদিয়ে নাফেরার দেশে চলে যায়। জনাব চৌধুরীর জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর আত্মার অংশ মরহুম সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপুর রুহের মাগফেরাত কামনা করেন মতলব উত্তর- দক্ষিণ এলাকাবাসী