এখন ০৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় সাবেক ইউপি সদস্য মৃত্যু নিয়ে রহস্য

মিরু হাসান, স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর চামড়াপট্টি (টিএমএসএস মাদ্রাসা) এলাকায় গত (১৪ নভেম্বর) মৃত্যু হয়। টানা দুই বারের ইউপি সদস্য গাবতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের তরফসরতাজ ( সাতঘরে পাড়া) গ্রামের মৃত বাচ্চু কসাইয়ের ছেলে সাবেক মেম্বার আমজাদ হোসেন। তিনি গাবতলীর সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ছিলেন।
তার খুনের ঘটনার বেশ কিছুদিন পার হলেও রহস্য উন্মোচন করতে পারে নি কোনও প্রশাসনের কোনও সংস্থা। থানার নিকটতম এলাকা হলেও পুলিশ এবিষয়ে কিছু জানে না।
সূত্র বলছে, আমজাদ হোসেনের একাধিক স্ত্রী ছিল। সর্বশেষ (ছোট) স্ত্রীকে নিয়ে তিনি হাকির মোর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। স্থানীয় স্বাধীন নামের এক ব্যক্তির সাথে সুদের ব্যবসা করতেন। ১৪ নভেম্বর তর্ক বিতর্কের পর স্বাধীন আমজাদকে ধাক্কা ও কিলঘুষি দিলে তখন আহত হয় আমজাদ। পরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে।
জানাযায় আমাজাদ স্বাধীন নামের এক ব্যক্তি কাছ থেকে সুদের টাকা নিয়েছিলেন। সুদের টাকা নিয়েই তাদের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
স্বাধীনের ভাতিজা জানান, সুদের ব্যবসা নয়। পার্সেন্টের ব্যবসা ছিল।
এঘটনায় তার ছোট স্ত্রী হত্যার বিচার না চেয়ে/বাদী না হয়ে উল্টো স্বাধীনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে মুখে তালা ঝুলিয়েছেন।
বগুড়ায় সাবেক ইউপি সদস্য মৃত্যু নিয়ে রহস্যবগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর চামড়াপট্টি (টিএমএসএস মাদ্রাসা) এলাকায় গত (১৪ নভেম্বর) মৃত্যু হয়। টানা দুই বারের ইউপি সদস্য গাবতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের তরফসরতাজ ( সাতঘরে পাড়া) গ্রামের মৃত বাচ্চু কসাইয়ের ছেলে সাবেক মেম্বার আমজাদ হোসেন। তিনি গাবতলীর সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ছিলেন।
তার খুনের ঘটনার বেশ কিছুদিন পার হলেও রহস্য উন্মোচন করতে পারে নি কোনও প্রশাসনের কোনও সংস্থা। থানার নিকটতম এলাকা হলেও পুলিশ এবিষয়ে কিছু জানে না।
সূত্র বলছে, আমজাদ হোসেনের একাধিক স্ত্রী ছিল। সর্বশেষ (ছোট) স্ত্রীকে নিয়ে তিনি হাকির মোর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। স্থানীয় স্বাধীন নামের এক ব্যক্তির সাথে সুদের ব্যবসা করতেন। ১৪ নভেম্বর তর্ক বিতর্কের পর স্বাধীন আমজাদকে ধাক্কা ও কিলঘুষি দিলে তখন আহত হয় আমজাদ। পরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে।
জানাযায় আমাজাদ স্বাধীন নামের এক ব্যক্তি কাছ থেকে সুদের টাকা নিয়েছিলেন। সুদের টাকা নিয়েই তাদের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
স্বাধীনের ভাতিজা জানান, সুদের ব্যবসা নয়। পার্সেন্টের ব্যবসা ছিল।
এঘটনায় তার ছোট স্ত্রী হত্যার বিচার না চেয়ে/বাদী না হয়ে উল্টো স্বাধীনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে মুখে তালা ঝুলিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বগুড়ায় সাবেক ইউপি সদস্য মৃত্যু নিয়ে রহস্য

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৩

মিরু হাসান, স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর চামড়াপট্টি (টিএমএসএস মাদ্রাসা) এলাকায় গত (১৪ নভেম্বর) মৃত্যু হয়। টানা দুই বারের ইউপি সদস্য গাবতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের তরফসরতাজ ( সাতঘরে পাড়া) গ্রামের মৃত বাচ্চু কসাইয়ের ছেলে সাবেক মেম্বার আমজাদ হোসেন। তিনি গাবতলীর সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ছিলেন।
তার খুনের ঘটনার বেশ কিছুদিন পার হলেও রহস্য উন্মোচন করতে পারে নি কোনও প্রশাসনের কোনও সংস্থা। থানার নিকটতম এলাকা হলেও পুলিশ এবিষয়ে কিছু জানে না।
সূত্র বলছে, আমজাদ হোসেনের একাধিক স্ত্রী ছিল। সর্বশেষ (ছোট) স্ত্রীকে নিয়ে তিনি হাকির মোর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। স্থানীয় স্বাধীন নামের এক ব্যক্তির সাথে সুদের ব্যবসা করতেন। ১৪ নভেম্বর তর্ক বিতর্কের পর স্বাধীন আমজাদকে ধাক্কা ও কিলঘুষি দিলে তখন আহত হয় আমজাদ। পরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে।
জানাযায় আমাজাদ স্বাধীন নামের এক ব্যক্তি কাছ থেকে সুদের টাকা নিয়েছিলেন। সুদের টাকা নিয়েই তাদের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
স্বাধীনের ভাতিজা জানান, সুদের ব্যবসা নয়। পার্সেন্টের ব্যবসা ছিল।
এঘটনায় তার ছোট স্ত্রী হত্যার বিচার না চেয়ে/বাদী না হয়ে উল্টো স্বাধীনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে মুখে তালা ঝুলিয়েছেন।
বগুড়ায় সাবেক ইউপি সদস্য মৃত্যু নিয়ে রহস্যবগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর চামড়াপট্টি (টিএমএসএস মাদ্রাসা) এলাকায় গত (১৪ নভেম্বর) মৃত্যু হয়। টানা দুই বারের ইউপি সদস্য গাবতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের তরফসরতাজ ( সাতঘরে পাড়া) গ্রামের মৃত বাচ্চু কসাইয়ের ছেলে সাবেক মেম্বার আমজাদ হোসেন। তিনি গাবতলীর সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ছিলেন।
তার খুনের ঘটনার বেশ কিছুদিন পার হলেও রহস্য উন্মোচন করতে পারে নি কোনও প্রশাসনের কোনও সংস্থা। থানার নিকটতম এলাকা হলেও পুলিশ এবিষয়ে কিছু জানে না।
সূত্র বলছে, আমজাদ হোসেনের একাধিক স্ত্রী ছিল। সর্বশেষ (ছোট) স্ত্রীকে নিয়ে তিনি হাকির মোর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। স্থানীয় স্বাধীন নামের এক ব্যক্তির সাথে সুদের ব্যবসা করতেন। ১৪ নভেম্বর তর্ক বিতর্কের পর স্বাধীন আমজাদকে ধাক্কা ও কিলঘুষি দিলে তখন আহত হয় আমজাদ। পরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে।
জানাযায় আমাজাদ স্বাধীন নামের এক ব্যক্তি কাছ থেকে সুদের টাকা নিয়েছিলেন। সুদের টাকা নিয়েই তাদের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
স্বাধীনের ভাতিজা জানান, সুদের ব্যবসা নয়। পার্সেন্টের ব্যবসা ছিল।
এঘটনায় তার ছোট স্ত্রী হত্যার বিচার না চেয়ে/বাদী না হয়ে উল্টো স্বাধীনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে মুখে তালা ঝুলিয়েছেন।