এখন ০১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে পুকুরে হাঁস ধরা খেলা অনুষ্ঠিত

মোঃ রেজাউল করিম আলম, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি -ঃ- বিলুপ্তপ্রায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খেলা। নতুন প্রজন্মের কাছে দিন দিন অপরিচিত হচ্ছে খেলাগুলো। ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসায় আয়োজন করা হয় পুকুরে হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা। জনপ্রিয় এই খেলা দেখতে বিভিন্ন বয়সী মানুষের ভিড় জমে।

মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে হাড়িভাসা ইউনিয়নের পাহাড়তলী উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় যুবক সারোয়ার নয়ন এবং বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা যৌথভাবে এর আয়োজন করে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, পুকুরে একটি হাঁস ছেড়ে দেয় আয়োজকরা। হাঁসটি ধরতে ঝাঁপিয়ে পড়ে ১৫ জনের একটি দল। পুকুরের চারপাশে জড়ো হয়ে থাকা অসংখ্য মানুষ করতালি দিতে থাকে। হাঁস ধরতে শুরু হয় হই চই। প্রতিযোগীরা কখনও সাঁতার আবার কখনও ডুব দিয়ে হাঁসটির পেছনে লেগে থাকে। ধারাবাহিকভাবে ৬টি দলের ৯০ জন এ হাঁস ধরার খেলায় অংশ নেন। খেলা শেষে ৬টি দলের ৬ জন বিজয়ীকে পুরস্কার হিসেবে একটি করে মোবাইল ফোন তুলে দেওয়া হয়।

আয়োজনকারী সারোয়ার হোসেন নয়ন বলেন, ‘ব্যস্ততার মাঝে আনন্দের জন্য এই আয়োজন। ঐতিহ্যবাহী খেলাটি দর্শকরা দারুণভাবে উপভোগ করেছে। এমন মাঝেই মধ্যে করব। আয়োজনে যোগ হবে অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোও।’

পাহাড়তলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী বলেন, ঐতিহ্যবাহী সব খেলা হারিয়ে যেতে বসেছে। হারিয়ে যাওয়া এমন সব খেলা নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করতে পুকুরে হাঁস ধরা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আগামীতেও এ ধরনের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

পঞ্চগড়ে পুকুরে হাঁস ধরা খেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৫৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অগাস্ট ২০২৩

মোঃ রেজাউল করিম আলম, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি -ঃ- বিলুপ্তপ্রায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খেলা। নতুন প্রজন্মের কাছে দিন দিন অপরিচিত হচ্ছে খেলাগুলো। ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসায় আয়োজন করা হয় পুকুরে হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা। জনপ্রিয় এই খেলা দেখতে বিভিন্ন বয়সী মানুষের ভিড় জমে।

মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে হাড়িভাসা ইউনিয়নের পাহাড়তলী উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় যুবক সারোয়ার নয়ন এবং বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা যৌথভাবে এর আয়োজন করে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, পুকুরে একটি হাঁস ছেড়ে দেয় আয়োজকরা। হাঁসটি ধরতে ঝাঁপিয়ে পড়ে ১৫ জনের একটি দল। পুকুরের চারপাশে জড়ো হয়ে থাকা অসংখ্য মানুষ করতালি দিতে থাকে। হাঁস ধরতে শুরু হয় হই চই। প্রতিযোগীরা কখনও সাঁতার আবার কখনও ডুব দিয়ে হাঁসটির পেছনে লেগে থাকে। ধারাবাহিকভাবে ৬টি দলের ৯০ জন এ হাঁস ধরার খেলায় অংশ নেন। খেলা শেষে ৬টি দলের ৬ জন বিজয়ীকে পুরস্কার হিসেবে একটি করে মোবাইল ফোন তুলে দেওয়া হয়।

আয়োজনকারী সারোয়ার হোসেন নয়ন বলেন, ‘ব্যস্ততার মাঝে আনন্দের জন্য এই আয়োজন। ঐতিহ্যবাহী খেলাটি দর্শকরা দারুণভাবে উপভোগ করেছে। এমন মাঝেই মধ্যে করব। আয়োজনে যোগ হবে অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোও।’

পাহাড়তলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী বলেন, ঐতিহ্যবাহী সব খেলা হারিয়ে যেতে বসেছে। হারিয়ে যাওয়া এমন সব খেলা নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করতে পুকুরে হাঁস ধরা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আগামীতেও এ ধরনের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।