এখন ০২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরীর ঘরে ডুকে গলা, দুই হাত-পায়ের রগ কাটলো দূর্বৃত্তরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ- ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে সামিয়া (১৫) নামের এক কিশোরীকে ঘরে ডুকে গলা, দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা। আজ বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) সকালে জেলা শহরের মেড্ডা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সামিয়া জেলার সরাইল উপজেলার ইসলামাবাদ (গোগদ) গ্রামের রাশেদ মিয়ার মেয়ে, সে জেলা শহরের মেড্ডায় বড় বোনের বাসায় থেকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন।

হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, সামিয়ার বোন সকালে সামিয়া ও তার এক ভাগ্নিকে বাড়িতে রেখে তার বোন বাজারে যায়। সানিয়াকে ঘরে রেখে তার ভাগ্নি ছাদে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই সামিয়ার আর্তচিৎকার শুনতে পেয়ে বাড়িওয়ালা সহ প্রতিবেশিরা দৌড়ে তার কক্ষে যান। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান সামিয়া মেঝেতে পড়ে ছটফট করে কান্না করছে। তার গলা, দুই হাত ও পায়ের রগ কাটা। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে জেলা
সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে সার্জারী বিভাগে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে দ্রুত
হাসপাতালে আসেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পরিদর্শক (তদন্ত) সহ পুলিশের একটি দল।
জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. হাবিবুর রহমান জানান, ওই কিশোরীকে সার্জারী বিভাগে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে সার্জারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গেছেন। তবে সে আশংকামুক্ত রয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহরাব আল হোসাইন জানান, খবর পেয়ে ওসি স্যার সহ আমরা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছি। হামলাকারীকে তারা কাউ দেখেনি। ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। আশা করছি, তদন্তে ঘটনার রহস্য উদঘাটিত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস স্মরণোৎসব, পরিবেশিত হলো লালনসংগীত

কিশোরীর ঘরে ডুকে গলা, দুই হাত-পায়ের রগ কাটলো দূর্বৃত্তরা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৫৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ- ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে সামিয়া (১৫) নামের এক কিশোরীকে ঘরে ডুকে গলা, দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা। আজ বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) সকালে জেলা শহরের মেড্ডা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সামিয়া জেলার সরাইল উপজেলার ইসলামাবাদ (গোগদ) গ্রামের রাশেদ মিয়ার মেয়ে, সে জেলা শহরের মেড্ডায় বড় বোনের বাসায় থেকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন।

হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, সামিয়ার বোন সকালে সামিয়া ও তার এক ভাগ্নিকে বাড়িতে রেখে তার বোন বাজারে যায়। সানিয়াকে ঘরে রেখে তার ভাগ্নি ছাদে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই সামিয়ার আর্তচিৎকার শুনতে পেয়ে বাড়িওয়ালা সহ প্রতিবেশিরা দৌড়ে তার কক্ষে যান। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান সামিয়া মেঝেতে পড়ে ছটফট করে কান্না করছে। তার গলা, দুই হাত ও পায়ের রগ কাটা। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে জেলা
সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে সার্জারী বিভাগে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে দ্রুত
হাসপাতালে আসেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পরিদর্শক (তদন্ত) সহ পুলিশের একটি দল।
জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. হাবিবুর রহমান জানান, ওই কিশোরীকে সার্জারী বিভাগে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে সার্জারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গেছেন। তবে সে আশংকামুক্ত রয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহরাব আল হোসাইন জানান, খবর পেয়ে ওসি স্যার সহ আমরা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছি। হামলাকারীকে তারা কাউ দেখেনি। ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। আশা করছি, তদন্তে ঘটনার রহস্য উদঘাটিত হবে।