এখন ০৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারী সুবিধা বঞ্চিত মহাছেনা’র জীবন

মোঃ আব্দুল হামিদ সরকার, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি -ঃ- শেষ বয়সে ও মিলেনী কোন সরকারি সুযোগ -সুবিধা। নীলফামারী র ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা মো:বাবুল হোসেনের সহধর্মিণী মহেচেনা বেগম (৭০) এখন শয্যাশায়ী অবস্থায় আছেন। তিনি জানান যে আমরা অত্যন্ত গরীব। আমাদের নিজস্ব কোন জায়গা জমি নাই। অন্যের জমিতে বসত বাড়ি।আমার স্বামী একজন দিন মজুর,কোনমতে পরের বাড়িতে কাজ -কর্ম করে সংসার চালায়।

মহাছেনার স্বামী বাবুল হোসেন বলেন যে, আমার একটিমাত্র ছেলে ও দুটি মেয়ে। তাদের ভরন পোষণ ও সংসারের খরচ যোগাতে দুঃসাধ্য। এমতাবস্থায় আমার সহধর্মিণী মহাচছেনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য রোগে বিছানায় পড়ে আছে। তার চিকিৎসার ঔষধ অন্যদিকে সাংসারিক ঝামেলায় একেবারে অকুলান হয়ে পড়েছি। আমি এখন কাজ করতে পারিনা।কোথায় যাবো এই বৃদ্ধ বয়সে?কি করিব,ভেবে পাইনা কোন কুল কিনারা।আমার ছেলে জিয়াউর রহমান তার ও স্ত্রী সন্তান রয়েছে। সে চলবে না আমাদেরকে চালাবে।
মহাছেনার স্বামী বাবুল হোসেন বলেন বাংলাদেশ সরকার নাকি দেশকে দারিদ্র ও ক্ষুধা মুক্ত করেছে, তথাপী ও কেন আমরা এত কষ্টের মধ্যে কালযাপন করছি।তাছাড়া আমরা কোন সরকারি সুযোগ -সুবিধা পাইনা।সরকারের কোন কর্মসূচি বা কোন অনুদান এই বৃদ্ধ বয়সে পাইনা।এর কোন কারণ বোঝা যায় না। তিনি আরও বলেন যে, আমরা কি সরকারের বোঝা না দেশ ও দশের বোঝা?
উক্ত গ্রামের বাসিন্দা আমু ও মিঠু বলেন যে,তারা ভূমিহীন। ওদের কোন জমা জমি নাই। পরের বাড়িতে কাজ করে যেভাবে দিন কাটিয়ে আসতেছে এতে মানবেতর জীবন যাপন করে। তারা সরকারি যে কোন প্রকার সুযোগ -সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

সরকারী সুবিধা বঞ্চিত মহাছেনা’র জীবন

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২

মোঃ আব্দুল হামিদ সরকার, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি -ঃ- শেষ বয়সে ও মিলেনী কোন সরকারি সুযোগ -সুবিধা। নীলফামারী র ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা মো:বাবুল হোসেনের সহধর্মিণী মহেচেনা বেগম (৭০) এখন শয্যাশায়ী অবস্থায় আছেন। তিনি জানান যে আমরা অত্যন্ত গরীব। আমাদের নিজস্ব কোন জায়গা জমি নাই। অন্যের জমিতে বসত বাড়ি।আমার স্বামী একজন দিন মজুর,কোনমতে পরের বাড়িতে কাজ -কর্ম করে সংসার চালায়।

মহাছেনার স্বামী বাবুল হোসেন বলেন যে, আমার একটিমাত্র ছেলে ও দুটি মেয়ে। তাদের ভরন পোষণ ও সংসারের খরচ যোগাতে দুঃসাধ্য। এমতাবস্থায় আমার সহধর্মিণী মহাচছেনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য রোগে বিছানায় পড়ে আছে। তার চিকিৎসার ঔষধ অন্যদিকে সাংসারিক ঝামেলায় একেবারে অকুলান হয়ে পড়েছি। আমি এখন কাজ করতে পারিনা।কোথায় যাবো এই বৃদ্ধ বয়সে?কি করিব,ভেবে পাইনা কোন কুল কিনারা।আমার ছেলে জিয়াউর রহমান তার ও স্ত্রী সন্তান রয়েছে। সে চলবে না আমাদেরকে চালাবে।
মহাছেনার স্বামী বাবুল হোসেন বলেন বাংলাদেশ সরকার নাকি দেশকে দারিদ্র ও ক্ষুধা মুক্ত করেছে, তথাপী ও কেন আমরা এত কষ্টের মধ্যে কালযাপন করছি।তাছাড়া আমরা কোন সরকারি সুযোগ -সুবিধা পাইনা।সরকারের কোন কর্মসূচি বা কোন অনুদান এই বৃদ্ধ বয়সে পাইনা।এর কোন কারণ বোঝা যায় না। তিনি আরও বলেন যে, আমরা কি সরকারের বোঝা না দেশ ও দশের বোঝা?
উক্ত গ্রামের বাসিন্দা আমু ও মিঠু বলেন যে,তারা ভূমিহীন। ওদের কোন জমা জমি নাই। পরের বাড়িতে কাজ করে যেভাবে দিন কাটিয়ে আসতেছে এতে মানবেতর জীবন যাপন করে। তারা সরকারি যে কোন প্রকার সুযোগ -সুবিধা থেকে বঞ্চিত।