এখন ০৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে প্রতারণা করে পুকুর খনন

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ- রাজশাহীর তনোরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে প্রতারণা ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে তিন ফসলী জমিকে পুকুর দেখিয়ে পুকুর খননের অনুমতি নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে,দাবি উঠেছে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির। অথচ ফসলী জমির শ্রেণী পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নাই।
জানা গেছে, উপজেলার কাঁমারগা ইউপির ৮  নম্বর ওয়ার্ডের জেল নম্বর ১৭৯
হরিপুর মৌজায় খতিয়ান নম্বর ২০৫,  ৪৭, ৬৩৩, ৬১২, ৬৩০, ৭৩৬,৭৯০ এবং খতিয়ান নম্বর ১৪৮ মোট  ৭ দাগে ৩ দশমিক ৮৩ একর জমি রয়েছে যাহার শ্রেণী কৃষি। অথচ  হরিপুর গ্রামের বিএনপি মতাদর্শী আব্দুল খালেকের  পুত্র সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম তথ্য গোপণ ও প্রতারণা করে ভূয়া কাগজপত্র দেখিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও’র কাছে থেকে পুরাতন পুকুর সংস্কারের অনুমতি নিয়ে তিনফসলী জমিতে পুকুর খনন করছে। আবার পুকুরের মাটি বিক্রি ও বিভিন্ন এলাকায় পরিবহন করতে গিয়ে পরিবেশ দুষণ,
রাস্তা নস্ট এবং বিএমডিএর গভীর নলকুপের আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেন সেচনালা নস্ট করা হয়েছে যা দন্ডনীয় অপরাধ। জাহাঙ্গীরের অবৈধ পুকুর খনন প্রতিহত করা না হলে তার দেখাদেখি অন্যরাও পুকুর খননে উৎসাহী হয়ে উঠবে যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য মারাত্নক হুমকি বলে মনে করছেন কৃষিবিভাগ।স্থানীয় বাসিন্দা জনৈক রাজ্জাক, রসুল, আলমগীর ও বাবু অভিযোগ করে বলেন, গত ২০২০ সালে
পুকুর খনন প্রশাসন বন্ধ করে দেন। গত ২০২১ সালে
রাঁতের আঁধারে ট্রাক্টর  (কাঁকড়া) গাড়ীতে ব্লেড  ব্যবহার করে (বিশেষ যন্ত্র) দিয়ে এসব কৃষি জমি চেঁছে সেখানে কিছু পানি জমা করে রাখে। এবছর সেটাকে পুরাতন পুকুর দেখিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে প্রতারণা করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে থেকে পুরাতন পুকুর সংস্কারের অনুমতি নিয়ে কৃষি জমিতে নতুন করে পুকুর খনন ও পরিবহণ পরিবেশ দুষণের পাশাপাশি কাঁচা-পাকা রাস্তা নষ্ট করা হচ্ছে। তারা বলেন, এই পুকুর খনন করা না হলে প্রতিবছর অসময়ে জলাবদ্ধার সৃষ্টি হয়ে বিপুল পরিমান জমির ফসলহানি হবে। তারা এই অবৈধ পুকুর খনন বন্ধের দাবি করেছেন।এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, তিনি পুরাতন পুকুর সংস্কারের অনুমতি দিয়েছেন, তবে পুকুরের মাটি বাইরে নিয়ে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবিষয়ে সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সোলাইমানের মাধ্যমে ইউএনও স্যারের অনুমতি নেয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরে প্রতারণা করে পুকুর খনন

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:১১:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ- রাজশাহীর তনোরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে প্রতারণা ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে তিন ফসলী জমিকে পুকুর দেখিয়ে পুকুর খননের অনুমতি নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে,দাবি উঠেছে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির। অথচ ফসলী জমির শ্রেণী পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নাই।
জানা গেছে, উপজেলার কাঁমারগা ইউপির ৮  নম্বর ওয়ার্ডের জেল নম্বর ১৭৯
হরিপুর মৌজায় খতিয়ান নম্বর ২০৫,  ৪৭, ৬৩৩, ৬১২, ৬৩০, ৭৩৬,৭৯০ এবং খতিয়ান নম্বর ১৪৮ মোট  ৭ দাগে ৩ দশমিক ৮৩ একর জমি রয়েছে যাহার শ্রেণী কৃষি। অথচ  হরিপুর গ্রামের বিএনপি মতাদর্শী আব্দুল খালেকের  পুত্র সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম তথ্য গোপণ ও প্রতারণা করে ভূয়া কাগজপত্র দেখিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও’র কাছে থেকে পুরাতন পুকুর সংস্কারের অনুমতি নিয়ে তিনফসলী জমিতে পুকুর খনন করছে। আবার পুকুরের মাটি বিক্রি ও বিভিন্ন এলাকায় পরিবহন করতে গিয়ে পরিবেশ দুষণ,
রাস্তা নস্ট এবং বিএমডিএর গভীর নলকুপের আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেন সেচনালা নস্ট করা হয়েছে যা দন্ডনীয় অপরাধ। জাহাঙ্গীরের অবৈধ পুকুর খনন প্রতিহত করা না হলে তার দেখাদেখি অন্যরাও পুকুর খননে উৎসাহী হয়ে উঠবে যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য মারাত্নক হুমকি বলে মনে করছেন কৃষিবিভাগ।স্থানীয় বাসিন্দা জনৈক রাজ্জাক, রসুল, আলমগীর ও বাবু অভিযোগ করে বলেন, গত ২০২০ সালে
পুকুর খনন প্রশাসন বন্ধ করে দেন। গত ২০২১ সালে
রাঁতের আঁধারে ট্রাক্টর  (কাঁকড়া) গাড়ীতে ব্লেড  ব্যবহার করে (বিশেষ যন্ত্র) দিয়ে এসব কৃষি জমি চেঁছে সেখানে কিছু পানি জমা করে রাখে। এবছর সেটাকে পুরাতন পুকুর দেখিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে প্রতারণা করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে থেকে পুরাতন পুকুর সংস্কারের অনুমতি নিয়ে কৃষি জমিতে নতুন করে পুকুর খনন ও পরিবহণ পরিবেশ দুষণের পাশাপাশি কাঁচা-পাকা রাস্তা নষ্ট করা হচ্ছে। তারা বলেন, এই পুকুর খনন করা না হলে প্রতিবছর অসময়ে জলাবদ্ধার সৃষ্টি হয়ে বিপুল পরিমান জমির ফসলহানি হবে। তারা এই অবৈধ পুকুর খনন বন্ধের দাবি করেছেন।এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, তিনি পুরাতন পুকুর সংস্কারের অনুমতি দিয়েছেন, তবে পুকুরের মাটি বাইরে নিয়ে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবিষয়ে সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সোলাইমানের মাধ্যমে ইউএনও স্যারের অনুমতি নেয়া হয়েছে।