এখন ০৪:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে ছুরিকাঘাত করে যুবককে হত্যার চেষ্টা

রেজাউল করিম, পঞ্চগড় -ঃ পঞ্চগড়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে সফিজুল ইসলাম নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

শনিবার (৭ আগস্ট) গভীর রাতে সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ী এলাকার গোয়ালপাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে।

আহত যুবক সফিজুল বর্তমানে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে আছেন।

এ ঘটনায় সফিজুল বাদী হয়ে রবিবার (০৯ আগস্ট) পঞ্চগড় সদর থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

মামলায় বাদীর অভিযোগে জানা যায়, সফিজুলের বাবা জীবদ্দশায় নারগিস বেগম নামে এক নারীকে বিবাহ করলে তার গর্ভে সুমাইয়া আক্তার (১৩) এর জন্ম হয়। সফিজুলের বাবা বিমাতাকে নিয়ে রাজাগাও গ্রামে বসবাস করেছিলেন। তার পিতার মৃত্যুবরণ করলে বিমাতা নারগিস তার মেয়ে সুমাইয়াকে নিয়ে ওই বাড়িতেই বসবাস করতো। ইতিমধ্যে নারগিস গোপনে সদর উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের লাখেরাজ ঘুমটি এলাকার মাজেদুল ইসলাম (জাহেদ) কে বিয়ে করলে স্থানীয় গ্রামবাসী নারগিসকে জাহেদের সাথে তার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় এবং বৈমাত্রেয় বোন সুমাইয়াকে ভরণ পোষণের জন্য সফিজুলকে দায়িত্ব দেয়।

এ কারণে আসামীগণ ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৭ আগস্ট গভীর রাতে ঘরে শিথ কেটে ঘরে প্রবেশ করে সফিজুলকে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যার উদ্দেশ্যে ছুরি দিয়ে জবাই করার জন্য গলা বরাবর ছুরি চালালে লক্ষ ভ্রষ্ট হয়ে বাম বাহুতে, ডান পায়ে ও ডান হাতের কবজির উপর লেগে জখম হয়।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিয়া পিপিএম বলেন, থানায় এজাহার করেছেন, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

পঞ্চগড়ে ছুরিকাঘাত করে যুবককে হত্যার চেষ্টা

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:২৬:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অগাস্ট ২০২১

রেজাউল করিম, পঞ্চগড় -ঃ পঞ্চগড়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে সফিজুল ইসলাম নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

শনিবার (৭ আগস্ট) গভীর রাতে সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ী এলাকার গোয়ালপাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে।

আহত যুবক সফিজুল বর্তমানে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে আছেন।

এ ঘটনায় সফিজুল বাদী হয়ে রবিবার (০৯ আগস্ট) পঞ্চগড় সদর থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

মামলায় বাদীর অভিযোগে জানা যায়, সফিজুলের বাবা জীবদ্দশায় নারগিস বেগম নামে এক নারীকে বিবাহ করলে তার গর্ভে সুমাইয়া আক্তার (১৩) এর জন্ম হয়। সফিজুলের বাবা বিমাতাকে নিয়ে রাজাগাও গ্রামে বসবাস করেছিলেন। তার পিতার মৃত্যুবরণ করলে বিমাতা নারগিস তার মেয়ে সুমাইয়াকে নিয়ে ওই বাড়িতেই বসবাস করতো। ইতিমধ্যে নারগিস গোপনে সদর উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের লাখেরাজ ঘুমটি এলাকার মাজেদুল ইসলাম (জাহেদ) কে বিয়ে করলে স্থানীয় গ্রামবাসী নারগিসকে জাহেদের সাথে তার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় এবং বৈমাত্রেয় বোন সুমাইয়াকে ভরণ পোষণের জন্য সফিজুলকে দায়িত্ব দেয়।

এ কারণে আসামীগণ ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৭ আগস্ট গভীর রাতে ঘরে শিথ কেটে ঘরে প্রবেশ করে সফিজুলকে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যার উদ্দেশ্যে ছুরি দিয়ে জবাই করার জন্য গলা বরাবর ছুরি চালালে লক্ষ ভ্রষ্ট হয়ে বাম বাহুতে, ডান পায়ে ও ডান হাতের কবজির উপর লেগে জখম হয়।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিয়া পিপিএম বলেন, থানায় এজাহার করেছেন, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।