এখন ০৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৎ রাজনৈতিকের প্রতিকৃতি এমপি ফারুক চৌধুরী

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ- জানা গেছে, রাজশাহীর তানোর ও গোদাগাড়ীর রাজনীতির ইতিহাসে সব সময় সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা এলাকাকে অশান্ত করে রাখতেন, অথচ আওয়ামী লীগের সরকার গঠনের একটানা তৃতীয় মেয়াদেও এখানে ভিন্ন চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমপি ফারুক চৌধুরীর প্রচেস্টায় রাজনৈতিক সহাবস্থান সৃষ্টি হওয়ায় রাজনীতিতে সহিংসতার কোনো স্থান হয়নি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করা হচ্ছে। অথচ তানোর-গোদাগাড়ীর রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি-জামাতের সহিংসতার ইতিহাস এখন কেবলই দুঃসহ স্মৃতি। তানোর-গোদাগাড়ীতে এখন বিরোধীদল বিনা বাধায় তাদের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে পারছে। অথচ বিএনপি-জামায়াত আমলে তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের মূখে বছরের পর বছর পালিয়ে বেড়িয়েছে। মিথ্যা মামলায় বহু নেতাকর্মী মাসের পর মাস কারাবরণ করেছে। তাদের অনেকেরই নিকট আত্নীয়-স্বজনের মূত্যুর পর জানাজায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। আন্দোলন কর্মসূচি তো দুরের কথা জাতির জনক ও স্বাধীনতার স্থপত্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী ও রমজানে ইফতারের অনুষ্ঠান করতে দেয়া হয়নি জামায়াত এক সময় সহিংস রাজনীতির পথে হেঁটে এখানকার শান্তিময় পরিবেশ অশান্ত করে তুলেছিল। কিন্ত্ত এমপি ফারুকের রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও প্রচেস্টায় রাজনৈতিক সহবস্থান সৃষ্টি করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এখানে আওয়ামী লীগে বিভাজন নেই তা নয়, তবে বিভাজন থাকলেও তাতে সহিংস রুপ নেই আছে নেতৃত্ববের প্রতিযোগীতা। অন্যদিকে
বিরোধীদলের ওপর সরকার দলের অত্যাচার ও নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানোর সেই করুণ ইতিহাস এখন কেবলেই দুঃসহ স্মৃতি।
এখন রাজনৈতিক বিবেচনায় বিরোধীদলের কোনো নেতাকর্মী মিথ্যা মামলা কিংবা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে না। এরকম একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশের সঙ্গে অভ্যস্ত না হওয়ায় বিএনপি ক্ষমতায় না থেকেও দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-কোন্দ্বল ও অধিপত্য বিস্তার নিয়ে এখানো নিজেরা একে অপরের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েে
পড়ে,এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ রয়েছে। তানোর-গোদাগাড়ী সুস্থধারা ও দিনবদলের রাজনীতি শুরু হওয়ায় দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বত্বি বিরাজ করছে। সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের নিকট দিনবদলের যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে পর পর তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন, সেই প্রতিশ্রতির বাস্তবায়ন করতেই তিনি রাজনীতিতে সুস্থধারা, সহবস্থান ও দিনবদলের রাজনীতি শুরু করেছেন। তবে রাজনৈতিক দুর্বুত্তায়ন ও লেজুড় বৃত্তি করতে না পেরে নিজ দলের একশ্রেণীর নেতাকর্মী তার ওপর
ক্ষুব্ধ হলেও দলমত নির্বিশেষে
সাধারণ মানুষের মধ্যে পরম স্বস্তি বিরাজ করছে। রাজনৈতিক ক্ষমতার
দাপট ও অপব্যবহার করতে না পারায় এসব নেতাকর্মী তুষ্ঠ হতে পারছে না তারা বিভিন্ন কৌশলে এমপি ফারুকের বিরোধীতা করতে গিয়ে আওয়ামী লীগের বিরোধীতায় সম্পৃক্ত হচ্ছে। অথচ বিগত দিনে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের একশ্রেণীর
নেতাকর্মী, টিআর, কাবিখা, কাবিটা, টেন্ডারবাজী, গভীর নলকুপ অপাটের ও অনিয়ম নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ সাংসদের এমন ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করছে, ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ফলে নির্বাচনী এলাকায় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরীর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। তানোর-গোদাগাড়ীর দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ গণমানুষের নেতা হিসেবে ফারুক চৌধূরীকে নিয়ে গর্ববোধ করছে। এছাড়াও এমপি ফারুকের অর্থলিপসা না থাকায় প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যর তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি তিনি সরকারি কলেজ নির্মাণের জন্য দান করেছেন এবং এখানো এমপির সম্মানি ভাতার একটি টাকাও তিনি সিজে গ্রহণ না করে তা এলাকার হতদরিদ্র নেতাকর্মীদের -দূর্নীতির করে রাতারাতি অগাধ ধনসম্পত্তি অর্জনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। কিন্ত্ত সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরীর অর্থলিপসা না থাকায় দলের নেতাকর্মীরা এসব অনৈতিক কর্মকান্ড করতে পারছে না। এসব নেতাকর্মী সাংসদের কর্মকান্ডে সন্তুষ্ট হতে না পারলেও রাজনৈতিক পর্যবেক মহল, শুশিল সমাজ, সচেতন মহল এবং দলমত মধ্যে দিয়ে আসছেন। আবার চাকরি মেলা করে এলাকার হাজার হাজার বেকার জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। এসব বিবেচনায় এই অঞ্চলের দলমত নির্বিশেষে মানুষ আবারো তাকেই এমপি হিসেবে দেখতে চাই। এবিষয়ে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও তরুণ উদ্যোগক্তা আবুল বাসার সুজন বলেন, আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি এই অঞ্চলের মানুষের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, তার
বিকল্প নেতৃত্ব এই অঞ্চলের মানুষ কখানো স্বপ্নেও ভাবেন না।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

সৎ রাজনৈতিকের প্রতিকৃতি এমপি ফারুক চৌধুরী

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:২৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ- জানা গেছে, রাজশাহীর তানোর ও গোদাগাড়ীর রাজনীতির ইতিহাসে সব সময় সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা এলাকাকে অশান্ত করে রাখতেন, অথচ আওয়ামী লীগের সরকার গঠনের একটানা তৃতীয় মেয়াদেও এখানে ভিন্ন চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমপি ফারুক চৌধুরীর প্রচেস্টায় রাজনৈতিক সহাবস্থান সৃষ্টি হওয়ায় রাজনীতিতে সহিংসতার কোনো স্থান হয়নি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করা হচ্ছে। অথচ তানোর-গোদাগাড়ীর রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি-জামাতের সহিংসতার ইতিহাস এখন কেবলই দুঃসহ স্মৃতি। তানোর-গোদাগাড়ীতে এখন বিরোধীদল বিনা বাধায় তাদের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে পারছে। অথচ বিএনপি-জামায়াত আমলে তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের মূখে বছরের পর বছর পালিয়ে বেড়িয়েছে। মিথ্যা মামলায় বহু নেতাকর্মী মাসের পর মাস কারাবরণ করেছে। তাদের অনেকেরই নিকট আত্নীয়-স্বজনের মূত্যুর পর জানাজায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। আন্দোলন কর্মসূচি তো দুরের কথা জাতির জনক ও স্বাধীনতার স্থপত্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী ও রমজানে ইফতারের অনুষ্ঠান করতে দেয়া হয়নি জামায়াত এক সময় সহিংস রাজনীতির পথে হেঁটে এখানকার শান্তিময় পরিবেশ অশান্ত করে তুলেছিল। কিন্ত্ত এমপি ফারুকের রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও প্রচেস্টায় রাজনৈতিক সহবস্থান সৃষ্টি করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এখানে আওয়ামী লীগে বিভাজন নেই তা নয়, তবে বিভাজন থাকলেও তাতে সহিংস রুপ নেই আছে নেতৃত্ববের প্রতিযোগীতা। অন্যদিকে
বিরোধীদলের ওপর সরকার দলের অত্যাচার ও নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানোর সেই করুণ ইতিহাস এখন কেবলেই দুঃসহ স্মৃতি।
এখন রাজনৈতিক বিবেচনায় বিরোধীদলের কোনো নেতাকর্মী মিথ্যা মামলা কিংবা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে না। এরকম একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশের সঙ্গে অভ্যস্ত না হওয়ায় বিএনপি ক্ষমতায় না থেকেও দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-কোন্দ্বল ও অধিপত্য বিস্তার নিয়ে এখানো নিজেরা একে অপরের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েে
পড়ে,এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ রয়েছে। তানোর-গোদাগাড়ী সুস্থধারা ও দিনবদলের রাজনীতি শুরু হওয়ায় দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বত্বি বিরাজ করছে। সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের নিকট দিনবদলের যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে পর পর তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন, সেই প্রতিশ্রতির বাস্তবায়ন করতেই তিনি রাজনীতিতে সুস্থধারা, সহবস্থান ও দিনবদলের রাজনীতি শুরু করেছেন। তবে রাজনৈতিক দুর্বুত্তায়ন ও লেজুড় বৃত্তি করতে না পেরে নিজ দলের একশ্রেণীর নেতাকর্মী তার ওপর
ক্ষুব্ধ হলেও দলমত নির্বিশেষে
সাধারণ মানুষের মধ্যে পরম স্বস্তি বিরাজ করছে। রাজনৈতিক ক্ষমতার
দাপট ও অপব্যবহার করতে না পারায় এসব নেতাকর্মী তুষ্ঠ হতে পারছে না তারা বিভিন্ন কৌশলে এমপি ফারুকের বিরোধীতা করতে গিয়ে আওয়ামী লীগের বিরোধীতায় সম্পৃক্ত হচ্ছে। অথচ বিগত দিনে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের একশ্রেণীর
নেতাকর্মী, টিআর, কাবিখা, কাবিটা, টেন্ডারবাজী, গভীর নলকুপ অপাটের ও অনিয়ম নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ সাংসদের এমন ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করছে, ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ফলে নির্বাচনী এলাকায় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরীর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। তানোর-গোদাগাড়ীর দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ গণমানুষের নেতা হিসেবে ফারুক চৌধূরীকে নিয়ে গর্ববোধ করছে। এছাড়াও এমপি ফারুকের অর্থলিপসা না থাকায় প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যর তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি তিনি সরকারি কলেজ নির্মাণের জন্য দান করেছেন এবং এখানো এমপির সম্মানি ভাতার একটি টাকাও তিনি সিজে গ্রহণ না করে তা এলাকার হতদরিদ্র নেতাকর্মীদের -দূর্নীতির করে রাতারাতি অগাধ ধনসম্পত্তি অর্জনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। কিন্ত্ত সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরীর অর্থলিপসা না থাকায় দলের নেতাকর্মীরা এসব অনৈতিক কর্মকান্ড করতে পারছে না। এসব নেতাকর্মী সাংসদের কর্মকান্ডে সন্তুষ্ট হতে না পারলেও রাজনৈতিক পর্যবেক মহল, শুশিল সমাজ, সচেতন মহল এবং দলমত মধ্যে দিয়ে আসছেন। আবার চাকরি মেলা করে এলাকার হাজার হাজার বেকার জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। এসব বিবেচনায় এই অঞ্চলের দলমত নির্বিশেষে মানুষ আবারো তাকেই এমপি হিসেবে দেখতে চাই। এবিষয়ে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও তরুণ উদ্যোগক্তা আবুল বাসার সুজন বলেন, আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি এই অঞ্চলের মানুষের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, তার
বিকল্প নেতৃত্ব এই অঞ্চলের মানুষ কখানো স্বপ্নেও ভাবেন না।