এখন ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমি গজল বিরোধী নই, গজলকে
ভালোবাসি: মুফতী মুস্তাকুন্নবী কাসেমী

অনলাইন ডেক্স -ঃ- মাহফিলে গজল গাইতে বাধা প্রদান প্রসঙ্গে দেশের প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন ও বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মুফতী মুস্তাকুন্নবী কাসেমী বলেছেন, আমি গজলকে ভালোবাসি, গজল বিরোধী নই।
শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর রামপুরা বনশ্রী বাইতুল আতিক জামে মসজিদে জুমাপূর্ব বয়ানে তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি মাহফিলের স্টেজে গাইতে বাধা দেয়ায় কোনো শিল্পী কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, গত ১৫ তারিখে এক মাহফিলে পরিস্থিতির কারণে এক শিল্পী ভাইকে গজল গাইতে নিষেধ করি। পরবর্তীতে আমি আর তাকে খুঁজে পাইনি৷
খুঁজে পেলে ক্ষমা চেয়ে নিতাম। শিল্পী ভাইয়েরা যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। আমি গজলবিরোধী নই। আমি গজলকে ভালোবাসি।
তিনি আরও বলেন, আমি নিজে গজল গাইতে পারিনা কিন্তু জীবনে অনেক গজল লিখেছি আলহামদুলিল্লাহ। আমি গাইতে না পারলেও আমার বড় ছেলে গজল গায়।
তবে মাহফিলের মঞ্চে কোনো আলোচককে বসিয়ে রেখে শিল্পীদের দিয়ে গজল না গাওয়ানোর আহবান জানান তিনি। তিনি বলেন, মাহফিলে মানুষ আত্বশুদ্ধিমূলক বয়ান শুনতে আসেন। তাই বয়ানকে প্রাধান্য দেয়া উচিত। মাহফিল কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ- আপনারা মাহফিলে আলোচকদের
বসিয়ে রেখে গজল দিবেন না।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আমি গজল বিরোধী নই, গজলকে
ভালোবাসি: মুফতী মুস্তাকুন্নবী কাসেমী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর ২০২২

অনলাইন ডেক্স -ঃ- মাহফিলে গজল গাইতে বাধা প্রদান প্রসঙ্গে দেশের প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন ও বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মুফতী মুস্তাকুন্নবী কাসেমী বলেছেন, আমি গজলকে ভালোবাসি, গজল বিরোধী নই।
শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর রামপুরা বনশ্রী বাইতুল আতিক জামে মসজিদে জুমাপূর্ব বয়ানে তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি মাহফিলের স্টেজে গাইতে বাধা দেয়ায় কোনো শিল্পী কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, গত ১৫ তারিখে এক মাহফিলে পরিস্থিতির কারণে এক শিল্পী ভাইকে গজল গাইতে নিষেধ করি। পরবর্তীতে আমি আর তাকে খুঁজে পাইনি৷
খুঁজে পেলে ক্ষমা চেয়ে নিতাম। শিল্পী ভাইয়েরা যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। আমি গজলবিরোধী নই। আমি গজলকে ভালোবাসি।
তিনি আরও বলেন, আমি নিজে গজল গাইতে পারিনা কিন্তু জীবনে অনেক গজল লিখেছি আলহামদুলিল্লাহ। আমি গাইতে না পারলেও আমার বড় ছেলে গজল গায়।
তবে মাহফিলের মঞ্চে কোনো আলোচককে বসিয়ে রেখে শিল্পীদের দিয়ে গজল না গাওয়ানোর আহবান জানান তিনি। তিনি বলেন, মাহফিলে মানুষ আত্বশুদ্ধিমূলক বয়ান শুনতে আসেন। তাই বয়ানকে প্রাধান্য দেয়া উচিত। মাহফিল কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ- আপনারা মাহফিলে আলোচকদের
বসিয়ে রেখে গজল দিবেন না।