এখন ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নরসিংদীর রায়পুরায় থানার হাজতের টয়লেটে স্ত্রী হত্যা মামলার আসামীর আত্মহত্যা

এস আলম, নরসিংদী -ঃ- নরসিংদীর রায়পুরা থানা হেফাজতে সুজন মিয়া (৩৫) নামে স্ত্রী হত্যা মামলার এক আসামী আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি পুলিশের। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে থানার হাজতখানার টয়লেট এর ভেতর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায় পুলিশ।
নিহত সুজন মিয়া রায়পুরা উপজেলার মাহমুদপুর এলাকার মজিবর রহমানের ছেলে। স্ত্রী লাভলী বেগমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করার পর দুইদিনের রিমান্ডে ছিলেন সুজন মিয়া।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আল আমিন জানান, পারিবারিক কলহের জেরে গত রোববার (৬ নভেম্বর) স্ত্রী লাভলী বেগমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে স্বামী সুজন মিয়া। হত্যার পর সুজন ও তার পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যায়। এই হত্যা মামলায় সোমবার রাতে সুজন মিয়াকে ফরিদপুরের সদরপুর এলাকার একটি দরবার শরীফ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তার দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে তাকে থানার হাজতখানায় রাখা হয়। সেখানে থানা হাজতের টয়লেটের ভেতরের ভেন্টিলেটরের রডের সাথে পড়নের শার্ট দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে আসামী সুজন। পরে তার লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায় পুলিশ। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। এই ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) অনির্বাণ চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে জেলা পুলিশ। এই কমিটি তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করা ও রায়পুরা থানা পুলিশ কর্তৃক আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

নরসিংদীর রায়পুরায় থানার হাজতের টয়লেটে স্ত্রী হত্যা মামলার আসামীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ নভেম্বর ২০২২

এস আলম, নরসিংদী -ঃ- নরসিংদীর রায়পুরা থানা হেফাজতে সুজন মিয়া (৩৫) নামে স্ত্রী হত্যা মামলার এক আসামী আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি পুলিশের। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে থানার হাজতখানার টয়লেট এর ভেতর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায় পুলিশ।
নিহত সুজন মিয়া রায়পুরা উপজেলার মাহমুদপুর এলাকার মজিবর রহমানের ছেলে। স্ত্রী লাভলী বেগমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করার পর দুইদিনের রিমান্ডে ছিলেন সুজন মিয়া।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আল আমিন জানান, পারিবারিক কলহের জেরে গত রোববার (৬ নভেম্বর) স্ত্রী লাভলী বেগমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে স্বামী সুজন মিয়া। হত্যার পর সুজন ও তার পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যায়। এই হত্যা মামলায় সোমবার রাতে সুজন মিয়াকে ফরিদপুরের সদরপুর এলাকার একটি দরবার শরীফ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তার দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে তাকে থানার হাজতখানায় রাখা হয়। সেখানে থানা হাজতের টয়লেটের ভেতরের ভেন্টিলেটরের রডের সাথে পড়নের শার্ট দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে আসামী সুজন। পরে তার লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায় পুলিশ। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। এই ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) অনির্বাণ চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে জেলা পুলিশ। এই কমিটি তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করা ও রায়পুরা থানা পুলিশ কর্তৃক আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।