এখন ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৪ ঘন্টা জরুরি সেবা চালু থাকার কথা থাকলেও সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উল্টো চিত্র

মোঃ সামছু উদ্দিন, নোয়াখালী প্রতিনিধি -ঃ হে রাষ্ট্র, তোমার নাগরিক মারা যাচ্ছে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের ইচ্ছার কাছে, অথচ তুমি তোমার প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসুরক্ষা সচেতন। সুবিধাবাদী ডাক্তার এবং কর্মকর্তাদের অবহেলায় মফস্বলের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন ঘটছে কোন না কোন অনিয়ম, যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ নাগরিকদের। বলছিলাম নোয়াখালী জেলার সেনবাগ সরকারি হাসপাতালের কথা। গতকাল রাত 11:50 এর সময় সেনবাগ উপজেলার ২নং কেশরপাড় ইউনিয়নের খাজুরিয়া পূর্ব পাড়া গ্রামের মৃত জুলফিকার মেম্বারের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৬১)ডায়াবেটিকস শ্বাসকষ্ট এবং হার্টের সমস্যা নিয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন।হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তখন কোন ডাক্তার বা নার্স ছিল না। জরুরী বিভাগ ছিল বন্ধ। জরুরী বিভাগে অবস্থানরত নাইটগাট জানিয়ে দেন যে আপনারা অন্য কোথাও নিয়ে যান। পরে রোগীর লোকজন তাকে সেনবাগ সেন্ট্রাল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কোন ডাক্তার পাওয়া যায়নি। বিষয়টি স্থানীয় এক সাংবাদিকের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি মেডিকেল অফিসার আযম সাহেব কে বিস্তারিত জানিয়ে ফোন করেন। আজম সাহেব হাসপাতালের একজন ডাক্তারকে ফোনে জানালে মনোয়ারা বেগমেকে তার স্বজনরা ১২.৪৫ মিনিটের দিকে আবারও সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। তখনো হাসপাতালের ইমারজেন্সি খোলা হয়নি। হাসপাতালের চত্বরে মনোয়ারা বেগমকে পরীক্ষা করে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। সরকারি হাসপাতাল যেখানে ২৪ ঘন্টা খোলা থাকার কথা, শিফটিং ডিউটি, সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তাররা কোথায় ছিলেন? এই প্রশ্নের জবাব কে দিবে? আর রাষ্ট্রই বা কি জবাব দিবে মনোয়ারা বেগমের স্বজনদের? রাষ্ট্র তার নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় বদ্ধপরিকর হলেও তা বিঘ্নিত হচ্ছে কিছু দায়িত্বহিন ব্যক্তির কারণে । এদের বিচার কি হবে না?

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

২৪ ঘন্টা জরুরি সেবা চালু থাকার কথা থাকলেও সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উল্টো চিত্র

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:১১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১

মোঃ সামছু উদ্দিন, নোয়াখালী প্রতিনিধি -ঃ হে রাষ্ট্র, তোমার নাগরিক মারা যাচ্ছে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের ইচ্ছার কাছে, অথচ তুমি তোমার প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসুরক্ষা সচেতন। সুবিধাবাদী ডাক্তার এবং কর্মকর্তাদের অবহেলায় মফস্বলের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন ঘটছে কোন না কোন অনিয়ম, যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ নাগরিকদের। বলছিলাম নোয়াখালী জেলার সেনবাগ সরকারি হাসপাতালের কথা। গতকাল রাত 11:50 এর সময় সেনবাগ উপজেলার ২নং কেশরপাড় ইউনিয়নের খাজুরিয়া পূর্ব পাড়া গ্রামের মৃত জুলফিকার মেম্বারের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৬১)ডায়াবেটিকস শ্বাসকষ্ট এবং হার্টের সমস্যা নিয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন।হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তখন কোন ডাক্তার বা নার্স ছিল না। জরুরী বিভাগ ছিল বন্ধ। জরুরী বিভাগে অবস্থানরত নাইটগাট জানিয়ে দেন যে আপনারা অন্য কোথাও নিয়ে যান। পরে রোগীর লোকজন তাকে সেনবাগ সেন্ট্রাল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কোন ডাক্তার পাওয়া যায়নি। বিষয়টি স্থানীয় এক সাংবাদিকের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি মেডিকেল অফিসার আযম সাহেব কে বিস্তারিত জানিয়ে ফোন করেন। আজম সাহেব হাসপাতালের একজন ডাক্তারকে ফোনে জানালে মনোয়ারা বেগমেকে তার স্বজনরা ১২.৪৫ মিনিটের দিকে আবারও সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। তখনো হাসপাতালের ইমারজেন্সি খোলা হয়নি। হাসপাতালের চত্বরে মনোয়ারা বেগমকে পরীক্ষা করে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। সরকারি হাসপাতাল যেখানে ২৪ ঘন্টা খোলা থাকার কথা, শিফটিং ডিউটি, সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তাররা কোথায় ছিলেন? এই প্রশ্নের জবাব কে দিবে? আর রাষ্ট্রই বা কি জবাব দিবে মনোয়ারা বেগমের স্বজনদের? রাষ্ট্র তার নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় বদ্ধপরিকর হলেও তা বিঘ্নিত হচ্ছে কিছু দায়িত্বহিন ব্যক্তির কারণে । এদের বিচার কি হবে না?