এখন ০৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রতিদন্ধীর কাছে মানহানির ১০০কোটি টাকা চেয়ে নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানের আইনি নোটিশ

মইনুল ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদন্ধীতা করা শফিকুল আলমের কাছে মানহানির ১০০ কোটি টাকা চেয়ে আইনি নোটিশ দিয়েছেন দল সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। বুধবার এ সংক্রান্ত একটি আইনি নোটিশ ডাকযোগে শফিকুল আলমের কাছে পাঠানো হয়।   

মো. তারিক হোসেন জুয়েল স্বাক্ষরিত ওই আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনের আগে ১৫ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করে শফিকুল আলম আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীকে আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য ধ্বংসকারি, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্যের মহানায়ক বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার অটোরিকশা ও পঙ্খিরাজের কথিত অবৈধ লাইসেন্স প্রদানের মূল হোতা, জনবিছিন্ন নেতা ও ভোটারদের ভয় দেখিয়ে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার পায়তারা করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনের এ বক্তব্য মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর। 

আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়, শফিকুল আলম নিজেই দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে একাধিকবার নির্বাচন করে শৃংখলা ভঙ্গ করেছেন। অন্যদিকে আল-মামুন সরকার দীর্ঘদিন যাবত নিষ্ঠার সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দলীয় মনোনয়নে ওনার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কেননা, মনোনয়ন বোর্ডের প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষরে সেটা চুড়ান্ত হয়। জেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের স্বাক্ষরে শুধুমাত্র দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকা পাঠানো হয়। আল-মামুন সরকার পৌরসভার মেয়র কিংবা মুখ্য কোনো কর্মকর্তা নন বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়। নোটিশে আগামী সাতদিনের মধ্যে বাদীর মানহানির ক্ষতিপূরণ বাবদ ১০০ কোটি টাকা দিতে বলা হয়। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ আছে।

এ বিষয়ে সদ্য হওয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শফিকুল আলমের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বৃহস্পতিবার বিকেলে এ প্রতিবেদক শফিকুল আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রতিদন্ধীর কাছে মানহানির ১০০কোটি টাকা চেয়ে নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানের আইনি নোটিশ

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২

মইনুল ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি -ঃ- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদন্ধীতা করা শফিকুল আলমের কাছে মানহানির ১০০ কোটি টাকা চেয়ে আইনি নোটিশ দিয়েছেন দল সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। বুধবার এ সংক্রান্ত একটি আইনি নোটিশ ডাকযোগে শফিকুল আলমের কাছে পাঠানো হয়।   

মো. তারিক হোসেন জুয়েল স্বাক্ষরিত ওই আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনের আগে ১৫ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করে শফিকুল আলম আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীকে আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য ধ্বংসকারি, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্যের মহানায়ক বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার অটোরিকশা ও পঙ্খিরাজের কথিত অবৈধ লাইসেন্স প্রদানের মূল হোতা, জনবিছিন্ন নেতা ও ভোটারদের ভয় দেখিয়ে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার পায়তারা করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনের এ বক্তব্য মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর। 

আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়, শফিকুল আলম নিজেই দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে একাধিকবার নির্বাচন করে শৃংখলা ভঙ্গ করেছেন। অন্যদিকে আল-মামুন সরকার দীর্ঘদিন যাবত নিষ্ঠার সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দলীয় মনোনয়নে ওনার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কেননা, মনোনয়ন বোর্ডের প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষরে সেটা চুড়ান্ত হয়। জেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের স্বাক্ষরে শুধুমাত্র দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকা পাঠানো হয়। আল-মামুন সরকার পৌরসভার মেয়র কিংবা মুখ্য কোনো কর্মকর্তা নন বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়। নোটিশে আগামী সাতদিনের মধ্যে বাদীর মানহানির ক্ষতিপূরণ বাবদ ১০০ কোটি টাকা দিতে বলা হয়। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ আছে।

এ বিষয়ে সদ্য হওয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শফিকুল আলমের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বৃহস্পতিবার বিকেলে এ প্রতিবেদক শফিকুল আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।