এখন ০৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কি অপরাধে স্টুডেন্ট সহ ৫ জনকে থানায় দেওয়া হলো? সারারাত থানা হাজতে রাখার পর সকালে ছেড়েও দিলেন

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ- লাকসামে রাত ১০টার পর স্টুডেন্ট সহ চটপটি খাওয়ার জন্য বাজারে আসায় আজগরা ইউনিয়নের একটি বাজারে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মুজিবুর রহমান তাদেরকে বখাটে মনে করে পুলিশে দেন ৫ জন কে। অপরাধ এত রাতে বাজারে কেনো?

সারারাত থানা হাজতে থাকার পর বেলা ১১ টার দিকে ৫ জনকেই ছেড়ে লাকসাম থানা পুলিশ, একই ইউনিয়নের বাসিন্দা হলেও তাদেরকে পুলিশে দেওয়ার কারন নিয়ে রহস্যের ঘ্রাণ বাহির হচ্ছে।

রাত ৮ টার পর ৩ জন এক সাথে চলাচল করতে পারবেনা বলে মাইকিং করেছেন অত্র ইউনিয়ন পরিষদ, ৩ জন এক সাথে চলা যদি সরকারি আইনে অপরাধ হয়ে থাকে রাত ৮ টার পর সকল ধরনের দোকানপাট ও বন্ধ রাখা সরকারের আইন, এই আইন অমান্য করার কারনে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মজিবুর রহমান ও আরেক ইউপি সদস্য বাচ্ছু মিয়ারা রাত ৮ টার পর দোকান খোলা রাখার অপরাধে কয়জনকে থানায় দিয়েছেন এই দুই মেম্বার?

সকাল ১১টার দিকে আরেক মেম্বার মোবারক হোসেনের উপস্থিতিতে আটককৃতদের পরিবারের কাছ থেকে মোচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়াও কিন্তু রহস্যময়।

চটপটি খাওয়ার লোভে বাজারে আসার অপরাধে যদি এই ৫ জনকে আটক করা হয় তাহলে এতরাতে চটপটি বিক্রি করাকে অপরাধ মনে করলেন না স্থানীয় দুই ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান ও বাচ্ছু মিয়া? যিনি চটপটি বিক্রি করে তাকে কেনো ছেড়ে দেওয়া হলো? তাকে কেনো আটক করা হলোনা?

এই ৫ জনের মধ্যে কেউ স্টুডেন্ট, কেউ অটো ড্রাইভার, কেউ সিএনজি ড্রাইভার, সারাদিন কষ্ট করে গাড়ি বন্ধ করে একই এলাকার ছোট বড় মিলে ৫ জন চটপটি খাইতে যাওয়ার অপরাধে লাকসাম থানা হাজতে আটক করে রাখেন লাকসাম থানার এসআই সোহরাব ও এএসআই বশির। প্রায় ১০/১২ ঘন্টা থানা হাজতে রাখার পর পরিবারের কাছ থেকে মোচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিলেন।

আটককৃতরা অপরাধী না নিশ্চয়ই প্রমাণ হওয়ায় ছেড়ে দিয়েছে, কিন্তু যারা সরকারি আইন অমান্য করেছেন তাদের কে কেনো আটক করলেন না স্থানীয় ইউপি সদস্যরা তার কোন জবাব কেনো নিলেন না থানার এসআই সোহরাব ও এএসআই বশির তা কিন্তু প্রশ্নই রয়ে গেলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

কি অপরাধে স্টুডেন্ট সহ ৫ জনকে থানায় দেওয়া হলো? সারারাত থানা হাজতে রাখার পর সকালে ছেড়েও দিলেন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৯:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ- লাকসামে রাত ১০টার পর স্টুডেন্ট সহ চটপটি খাওয়ার জন্য বাজারে আসায় আজগরা ইউনিয়নের একটি বাজারে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মুজিবুর রহমান তাদেরকে বখাটে মনে করে পুলিশে দেন ৫ জন কে। অপরাধ এত রাতে বাজারে কেনো?

সারারাত থানা হাজতে থাকার পর বেলা ১১ টার দিকে ৫ জনকেই ছেড়ে লাকসাম থানা পুলিশ, একই ইউনিয়নের বাসিন্দা হলেও তাদেরকে পুলিশে দেওয়ার কারন নিয়ে রহস্যের ঘ্রাণ বাহির হচ্ছে।

রাত ৮ টার পর ৩ জন এক সাথে চলাচল করতে পারবেনা বলে মাইকিং করেছেন অত্র ইউনিয়ন পরিষদ, ৩ জন এক সাথে চলা যদি সরকারি আইনে অপরাধ হয়ে থাকে রাত ৮ টার পর সকল ধরনের দোকানপাট ও বন্ধ রাখা সরকারের আইন, এই আইন অমান্য করার কারনে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মজিবুর রহমান ও আরেক ইউপি সদস্য বাচ্ছু মিয়ারা রাত ৮ টার পর দোকান খোলা রাখার অপরাধে কয়জনকে থানায় দিয়েছেন এই দুই মেম্বার?

সকাল ১১টার দিকে আরেক মেম্বার মোবারক হোসেনের উপস্থিতিতে আটককৃতদের পরিবারের কাছ থেকে মোচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়াও কিন্তু রহস্যময়।

চটপটি খাওয়ার লোভে বাজারে আসার অপরাধে যদি এই ৫ জনকে আটক করা হয় তাহলে এতরাতে চটপটি বিক্রি করাকে অপরাধ মনে করলেন না স্থানীয় দুই ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান ও বাচ্ছু মিয়া? যিনি চটপটি বিক্রি করে তাকে কেনো ছেড়ে দেওয়া হলো? তাকে কেনো আটক করা হলোনা?

এই ৫ জনের মধ্যে কেউ স্টুডেন্ট, কেউ অটো ড্রাইভার, কেউ সিএনজি ড্রাইভার, সারাদিন কষ্ট করে গাড়ি বন্ধ করে একই এলাকার ছোট বড় মিলে ৫ জন চটপটি খাইতে যাওয়ার অপরাধে লাকসাম থানা হাজতে আটক করে রাখেন লাকসাম থানার এসআই সোহরাব ও এএসআই বশির। প্রায় ১০/১২ ঘন্টা থানা হাজতে রাখার পর পরিবারের কাছ থেকে মোচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিলেন।

আটককৃতরা অপরাধী না নিশ্চয়ই প্রমাণ হওয়ায় ছেড়ে দিয়েছে, কিন্তু যারা সরকারি আইন অমান্য করেছেন তাদের কে কেনো আটক করলেন না স্থানীয় ইউপি সদস্যরা তার কোন জবাব কেনো নিলেন না থানার এসআই সোহরাব ও এএসআই বশির তা কিন্তু প্রশ্নই রয়ে গেলো।