এখন ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসামি নির্দোষ। এরপরে আদালত জসিম উদ্দিনের জামিন মঞ্জুর করেন।

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ- এ বিষয়ে আইনজীবী মনির হোসেন আজ মঙ্গলবার বলেন, ‘জসিম উদ্দিনের জামিনের সময় নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক ও ওয়ারেন্ট কর্মকর্তা সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ফেরদৌসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করলে আদালত তাদের লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দেন।’
আইনজীবী মনির বলেন, “আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঈনুল ইসলামের আদালতে ওসি ফারুক ও ওয়ারেন্ট অফিসার ফেরদৌস এলে তাঁরা আদালতের কাছে ভুল হয়েছে মর্মে ক্ষমা চান। সে সময় তাঁরা আদালতে বলেন, ‘স্থানীয় চেয়ারম্যান শনাক্ত করার কারণে আসামি জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে, এটি ভুল হয়েছে। সে সময় বিচারক ওসির কাছে জানতে চান আপনাকে আট সেকেন্ডর জন্য জেলে রাখলে কেমন লাগবে? আর একজন কিশোরকে বিনা বিচারে আট দিন জেলে রাখলাম। আপনার কারণে কিশোর বিনাবিচারে কারাগারে ছিল। তখন তিনি জসিমকে অব্যাহতি দেন এবং ওসি ও ওয়ারেন্ট অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।”
আদালতে মো. জসিম উদ্দিনের আইনজীবী আব্দুল আর মনসুর রিপন শুনানিতে বলেন, ‘বিনা বিচারে এক সেকেন্ড কোনো আসামি জেলে থাকলে তা সংবিধান পরিপন্থি। প্রকৃত আসামির নামের সঙ্গেও ভুক্তভোগী জসিমের নামের কোনো মিল নেই। তাহলে কেন পুলিশ এই নিরপরাধ আসামিকে গ্রেপ্তার করল?’
আইনজীবী আরও বলেন, ‘ভুক্তভোগী জসিম যদি প্রকৃত আসামি হতো, তাও তাঁকে কিশোর সংশোধানাগারে রাখা হতো। কিন্তু, পুলিশের এই অবহেলার কারণে কারাগারে আসামিদের সঙ্গে রাখা হয়েছে। আমরা মামলা থেকে মো. জসিমের অব্যাহতি চাই, পাশাপাশি পুলিশের গাফিলতির জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে আদালতের কাছে আবেদন জানাই।’

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আসামি নির্দোষ। এরপরে আদালত জসিম উদ্দিনের জামিন মঞ্জুর করেন।

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:১৮:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ নভেম্বর ২০২২

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ- এ বিষয়ে আইনজীবী মনির হোসেন আজ মঙ্গলবার বলেন, ‘জসিম উদ্দিনের জামিনের সময় নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক ও ওয়ারেন্ট কর্মকর্তা সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ফেরদৌসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করলে আদালত তাদের লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দেন।’
আইনজীবী মনির বলেন, “আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঈনুল ইসলামের আদালতে ওসি ফারুক ও ওয়ারেন্ট অফিসার ফেরদৌস এলে তাঁরা আদালতের কাছে ভুল হয়েছে মর্মে ক্ষমা চান। সে সময় তাঁরা আদালতে বলেন, ‘স্থানীয় চেয়ারম্যান শনাক্ত করার কারণে আসামি জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে, এটি ভুল হয়েছে। সে সময় বিচারক ওসির কাছে জানতে চান আপনাকে আট সেকেন্ডর জন্য জেলে রাখলে কেমন লাগবে? আর একজন কিশোরকে বিনা বিচারে আট দিন জেলে রাখলাম। আপনার কারণে কিশোর বিনাবিচারে কারাগারে ছিল। তখন তিনি জসিমকে অব্যাহতি দেন এবং ওসি ও ওয়ারেন্ট অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।”
আদালতে মো. জসিম উদ্দিনের আইনজীবী আব্দুল আর মনসুর রিপন শুনানিতে বলেন, ‘বিনা বিচারে এক সেকেন্ড কোনো আসামি জেলে থাকলে তা সংবিধান পরিপন্থি। প্রকৃত আসামির নামের সঙ্গেও ভুক্তভোগী জসিমের নামের কোনো মিল নেই। তাহলে কেন পুলিশ এই নিরপরাধ আসামিকে গ্রেপ্তার করল?’
আইনজীবী আরও বলেন, ‘ভুক্তভোগী জসিম যদি প্রকৃত আসামি হতো, তাও তাঁকে কিশোর সংশোধানাগারে রাখা হতো। কিন্তু, পুলিশের এই অবহেলার কারণে কারাগারে আসামিদের সঙ্গে রাখা হয়েছে। আমরা মামলা থেকে মো. জসিমের অব্যাহতি চাই, পাশাপাশি পুলিশের গাফিলতির জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে আদালতের কাছে আবেদন জানাই।’