মোঃ রেজাউল করিম আলম, পঞ্চগড় -ঃ- পঞ্চগড়ে পুনরায় ভোট গণনায় জয়ী হয়েছেন পরাজিত মেম্বার প্রার্থী মো. আনোয়ার। গতকাল বুধবার পঞ্চগড় আদালতে পুনরায় ভোট গণনা করা হয়। এতে দেখা যায় আগের পরাজিত মেম্বার প্রার্থী আনোয়ার নির্বাচিত মেম্বার প্রার্থী বেলাল হোসেনের চেয়ে ৫ টি ভোট বেশি পেয়েছেন। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার আনোয়ারের সমর্থকরা মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাস করেছেন।
জানা যায়, গত ২৮ নভেম্বর ২০২১ ইং পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১০ নং গড়িনাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
জোতদারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে হয় ৩ নং ওয়ার্ডের ভোট গ্রহণ। মেম্বার পদে ভোট গণনা শেষে বেলাল হোসেন মোরগ প্রতীকে পান ৪০৪ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আনোয়ার ফুটবল প্রতীকে ৩৯৬ ভোট পান। আনোয়ারের চেয়ে ৮ ভোট বেশি পাওয়ায় বেলাল হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। প্রিজাইডিং অফিসার মো. শাহাজালাল মিয়া লিখিতভাবে বেলাল হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। নির্বাচনে হারার পর কারচুপির অভিযোগ তোলেন পরাজিত প্রার্থী মো. আনোয়ার। ফলে পুনরায় ভোট গণনার দাবিতে গত ৭ ডিসেম্বর ২০২১ ইং পঞ্চগড় সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল আদালতে রিট করেন তিনি।
বাদী পক্ষের আইনজীবি এডভোকেট ফজলুল হক বলেন, বিষয়টি আমলে নিয়ে ওই কেন্দ্রের ভোট পুনরায় গণনার আদেশ দেন সিনিয়র সহকারী জজ ইসমাইল হোসাইন। পরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বেলাল হোসেন ও আনোয়ারের উপস্থিতিতে ৩ নং ওয়ার্ডের ভোট পুনরায় গণনা করা হয়। এতে আনোয়ারের বৈধ ভোট হয় ৪০০ টি এবং বেলাল হোসেনের বৈধ ভোট ৩৯৫ টি। বেলালের চেয়ে ৫ ভোটে এগিয়ে যান আনোয়ার।
এ ব্যাপারে মো. আনোয়ার বলেন, ভোটে পাস করলেও কারচুপির মাধ্যমে আমাকে পরাজিত দেখানো হয়েছিলো। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলাম এবং ন্যায় বিচার পেয়েছি।
এবিষয়ে বেলাল হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
মাগুড়া ও গড়িনাবাড়ী ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তা কামাল হোসেন সরকার বলেন, বিষয়টি মৌখিক ভাবে শুনেছি কিন্তু কোন চিঠি পায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে আপিলের সুযোগ রয়েছে।













