এখন ০৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্লাক আউট হওয়ার কারনে পিজিসিবি দুই কর্মকর্তা বহিষ্কার

মোঃ জহিরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার -ঃ জাতীয় পাওয়ার গ্রিডে গত ৪ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে বিদ্যুৎ ব্লাক আউট হওয়ার কারনে হঠাৎ করে ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট দুটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে এক ঘণ্টার মধ্যে ৩৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৪ নম্বর ইউনিটটি চালু করা গেলেও ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৫ নম্বর ইউনিটটি চালু করা যায়নি। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ ব্লাক আউট হওয়ার কারণ খুঁজতে গত ৫ অক্টোবর ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশের (পিজিসিবি) ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি। পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক ইয়াকুব এলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে ৬ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোলরুমে প্রায় তিন ঘণ্টা পরিদর্শন করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন মেশিনারিজ পরীক্ষা করেন। ৪ অক্টোবর ব্লাক আউটের ঘটনার পিজিসিবি দুই কর্মকর্তা সামরিক বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিপর্যয়ের জন্য ৬টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি কর্মকর্তাদের গাফিলতিকে দায়ী করা হয়েছে। ৪ অক্টোবর সকাল থেকে বিদ্যুৎতের চাহিদা দেখা দেয়। লোড কমাতে সেদিন দুপুর ২ টা পর্যন্ত ৬ বিতরণ কোম্পানিকে কয়েকবার ফোন করে পিজিসিবি সংস্থা এলডিসি কিন্তু এতে কর্নপাত করেনি বিতরণ কোম্পানি গুলো কমায়নি লোড। এসব ফোন কলের রেকর্ডও আছে পিজিসিবি কাছে। সেদিন গ্রিড ফ্রুিকুয়েন্সি ছিল বিপদজনক। কারণ গ্রিড ফ্রুিকুয়েন্সি দরকার ৫১ হার্জ কিন্তু ৪ অক্টোবর ছিল ৫০ হার্জের মত যা বিতরণের জন্য খুবই ঝুঁকিপূন্য। বিতরণ কোম্পানি লোড না কমানোর ২ মিনিটের গ্রিড লাইন বন্ধ করার উপক্রম হয় তখন দুপুর ২ টা ২ মিনিটে ৪৯.৮ হার্জ নামে। এর পর ২ টা ৫ মিনিট বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ। সমস্যা মুখি হয় দেশের অধিক অঞ্চলের সাধারণ মানুষরা। তদন্ত কমিটি থেকে যানা গেছে লো ফ্রুিকুয়েন্সি কারনে সবার আগে বিতরণের ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাড়তি চাপ পড়ায় কয়েকটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, এই বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে করছে ম্যান মেনেজম্যান্ট, ডেসকো, এলএলডিসি, এই সকল কোম্পানির না সমন্বয় কারণে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পরবর্তী সর্তকতা পিজিসিবিও বিতরণ কোম্পানি গুলো। এদিকে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল ৪ টি গ্রিড লাইনে সংযুক্ত ১২০০ মেগাওয়াটের মত বিদ্যুৎ আানা যায় পূর্বাঞ্চলে কিন্তু এই বিপর্যয়ের পর আনা হচ্ছে ৬০০ মেগাওয়াট যে কারণে বেড়েছে লোডশেডিং।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ব্লাক আউট হওয়ার কারনে পিজিসিবি দুই কর্মকর্তা বহিষ্কার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২

মোঃ জহিরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার -ঃ জাতীয় পাওয়ার গ্রিডে গত ৪ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে বিদ্যুৎ ব্লাক আউট হওয়ার কারনে হঠাৎ করে ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট দুটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে এক ঘণ্টার মধ্যে ৩৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৪ নম্বর ইউনিটটি চালু করা গেলেও ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৫ নম্বর ইউনিটটি চালু করা যায়নি। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ ব্লাক আউট হওয়ার কারণ খুঁজতে গত ৫ অক্টোবর ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশের (পিজিসিবি) ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি। পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক ইয়াকুব এলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে ৬ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোলরুমে প্রায় তিন ঘণ্টা পরিদর্শন করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন মেশিনারিজ পরীক্ষা করেন। ৪ অক্টোবর ব্লাক আউটের ঘটনার পিজিসিবি দুই কর্মকর্তা সামরিক বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিপর্যয়ের জন্য ৬টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি কর্মকর্তাদের গাফিলতিকে দায়ী করা হয়েছে। ৪ অক্টোবর সকাল থেকে বিদ্যুৎতের চাহিদা দেখা দেয়। লোড কমাতে সেদিন দুপুর ২ টা পর্যন্ত ৬ বিতরণ কোম্পানিকে কয়েকবার ফোন করে পিজিসিবি সংস্থা এলডিসি কিন্তু এতে কর্নপাত করেনি বিতরণ কোম্পানি গুলো কমায়নি লোড। এসব ফোন কলের রেকর্ডও আছে পিজিসিবি কাছে। সেদিন গ্রিড ফ্রুিকুয়েন্সি ছিল বিপদজনক। কারণ গ্রিড ফ্রুিকুয়েন্সি দরকার ৫১ হার্জ কিন্তু ৪ অক্টোবর ছিল ৫০ হার্জের মত যা বিতরণের জন্য খুবই ঝুঁকিপূন্য। বিতরণ কোম্পানি লোড না কমানোর ২ মিনিটের গ্রিড লাইন বন্ধ করার উপক্রম হয় তখন দুপুর ২ টা ২ মিনিটে ৪৯.৮ হার্জ নামে। এর পর ২ টা ৫ মিনিট বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ। সমস্যা মুখি হয় দেশের অধিক অঞ্চলের সাধারণ মানুষরা। তদন্ত কমিটি থেকে যানা গেছে লো ফ্রুিকুয়েন্সি কারনে সবার আগে বিতরণের ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাড়তি চাপ পড়ায় কয়েকটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, এই বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে করছে ম্যান মেনেজম্যান্ট, ডেসকো, এলএলডিসি, এই সকল কোম্পানির না সমন্বয় কারণে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পরবর্তী সর্তকতা পিজিসিবিও বিতরণ কোম্পানি গুলো। এদিকে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল ৪ টি গ্রিড লাইনে সংযুক্ত ১২০০ মেগাওয়াটের মত বিদ্যুৎ আানা যায় পূর্বাঞ্চলে কিন্তু এই বিপর্যয়ের পর আনা হচ্ছে ৬০০ মেগাওয়াট যে কারণে বেড়েছে লোডশেডিং।