এখন ০৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতির মামলায় মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে খালাসের ৪ বছর পর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

অনলাইন ডেক্স -ঃ দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে ১৩ বছরের সাজা থেকে খালাস দেওয়ার ৪ বছর পর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের বেঞ্চ ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর ওই রায় দেন। আজ শনিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৯৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।
এই বিষয়ে দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘আমরা এখনো নথি পাইনি। তবে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রায় দেখেছি। এখন বিষয়টি কমিশনকে জানানো হবে। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে কি না সেটা কমিশনের বিষয়।’
সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে ২৯ লাখ টাকার সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ ২০০৭ সালের ১৩ জুন ওই মামলা করে দুদক। ২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত দুই ধারায় মায়াকে মোট ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। সেই সঙ্গে তাঁকে জরিমানাও করা হয়। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে মায়া আপিল করলে ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট তাঁকে খালাস দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে দুদক আবেদন করলে ২০১৫ সালের ১৪ জুন হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বাতিল করেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে হাইকোর্টে নতুন করে আপিল শুনানি করতে নির্দেশ দেন। পরে পুনরায় শুনানি করে ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর আবারও খালাস দেন হাইকোর্ট।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

দুর্নীতির মামলায় মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে খালাসের ৪ বছর পর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২২

অনলাইন ডেক্স -ঃ দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে ১৩ বছরের সাজা থেকে খালাস দেওয়ার ৪ বছর পর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের বেঞ্চ ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর ওই রায় দেন। আজ শনিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৯৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।
এই বিষয়ে দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘আমরা এখনো নথি পাইনি। তবে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রায় দেখেছি। এখন বিষয়টি কমিশনকে জানানো হবে। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে কি না সেটা কমিশনের বিষয়।’
সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে ২৯ লাখ টাকার সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ ২০০৭ সালের ১৩ জুন ওই মামলা করে দুদক। ২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত দুই ধারায় মায়াকে মোট ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। সেই সঙ্গে তাঁকে জরিমানাও করা হয়। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে মায়া আপিল করলে ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট তাঁকে খালাস দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে দুদক আবেদন করলে ২০১৫ সালের ১৪ জুন হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বাতিল করেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে হাইকোর্টে নতুন করে আপিল শুনানি করতে নির্দেশ দেন। পরে পুনরায় শুনানি করে ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর আবারও খালাস দেন হাইকোর্ট।