এখন ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

তানোর প্রতিনিধি -ঃ ‘রাজশাহীর তানোরে ৬০ কোটি টাকার মিশনের নিয়োগ বানিজ্য সুজন-বাক্কারে এমপির বিষফোঁড়া’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং ব্যবসায়ী আবুল বাসার সুজন ও উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার সিদ্দিক। গণমাধ্যমে দেয়া পৃথক প্রতিবাদলিপিতে তারা বলেন, প্রকাশিত সংবাদে তাদের জড়িয়ে যেসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা সত্য নয়, সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, কুরুচিপুর্ণ, মানহানিকর ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। তারা প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, সুজন-বাক্কার বিরোধী অপপ্রচার মুলত এমপির বিরুদ্ধে। যেহুতু এমপিকে নিয়ে সরাসরি অপপ্রচার করার মতো কোনো বিষয় নাই, তাই কৌশলে এমপির কাছের মানুষদের জড়িয়ে অপপ্রচারের মাধ্যমে এমপিকে বিব্রত করতেই এসব করা হচ্ছে। কারণ চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে একটি পদের বিপরীতে রীতিমতো ঢাকডোল পিটিয়ে, খোলা-বাজারে দরদাম হাঁকিয়ে দশ জনের কাছে টাকা নেয়ার নজির রয়েছে সেটা নিয়ে কারো কোনো কথা নাই। এছাড়াও আওয়ামী লীগের প্রায় ১৫ বছরে সারাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে নিয়মে নিয়োগ হয়েছে, তানোরেও সেই নিয়মে নিয়োগ হয়েছে, এখানো হচ্ছে। সেসব নিয়োগ কারা দিয়েছে, তাহলে এতোদিন পর কেনো সাধারণ নির্বাচনের আগে নিয়োগ নিয়ে এমন মানহানিকর অপপ্রচার করা হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হলো সুজন-বাক্কার কে এরা কি আওয়ামী লীগের কোনো দায়িত্বশীল পদে রয়েছে, না কি তারা এমপির প্রতিনিধি তাহলে তারা নিয়োগ পক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে কি ভাবে। আর তাদের হাতে এতো টাকা দিলো কে মানুষ কি এখানো এতো বোকা রয়েছে, যে কারো হাতে লাখ লাখ টাকা তুলে দিবেন।
সচেতন মহলের ভাষ্য, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনবল নিয়োগের সম্পুর্ণ ক্ষমতা থাকে পরিচালনা কমিটির হাতে। সুুুজন-বাক্কারের হাতে যদি জনবল নিয়োগের ক্ষমতা থাকতো তাহলে তারা অনেক আগেই নিয়োগ দিতে পারতেন। প্রকৃত ঘটনা সামনে সাধারণ নির্বাচন ঘিরে এমপিকে বিতর্কিত করতে একটি বিশেষ মহল গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এসব গায়েবী তথ্য দিয়েছে। আবার অনেকে এমপির কাছে বিশ্বাসের জায়গা হারিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে চরম হতাশা থেকে এসব খবরের রসদ যোগাচ্ছে। এদের অনেকের আশঙ্কা আগামি দিনের রাজনীতিতে সুজন-বাক্কারের হাতে অনেক কিছুর নিয়ন্ত্রণ চলে যেতে পারে। এসব আশঙ্কার কারণে তারা সুজন-বাক্কারের বিরুদ্ধে নানা কেচ্ছা-কাহিনী প্রচার শুরু করেছে। কিন্ত্ত ওপরে থুতু ছিটালে নিজের গায়ে পড়ে সেটা তারা ভুলে গেছে।
স্থানীয়দের বলছে, সমসাময়িক ও গতানুগতিক রাজনীতিতে সুজনবিরোধীরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে নেমে এসে সুজনের রাজনীতির শুরু, যে কারণে সুজনের উঙ্খানে তারা হতাশ। এছাড়াও সুজনের যদি অবৈধ অর্থলিপ্সা থাকতো, তাহলে সুজন রাজনৈতিক নেতা বা জনপ্রতিনিধি না হয়েও তানোরের বিভিন্ন মসজিদ-মাদরাসা-মন্দির-গীর্জা-এতিমখানা, রাস্তা-ঘাট ইত্যাদিতে কোটি কোটি টাকা দান-অনুদান দিয়েছেন। তাছাড়া সুজনের ঠিকাদারী, হোটেল,ট্রাকসহ ১৯টি বৈধ ব্যবসা রয়েছে, তাই নিয়োগ বাণিজ্যর মতো হাস্যকর ঘটনা তার দ্বারা ঘটানো অসম্ভব, এটা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অপপ্রচার।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০২২

তানোর প্রতিনিধি -ঃ ‘রাজশাহীর তানোরে ৬০ কোটি টাকার মিশনের নিয়োগ বানিজ্য সুজন-বাক্কারে এমপির বিষফোঁড়া’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং ব্যবসায়ী আবুল বাসার সুজন ও উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার সিদ্দিক। গণমাধ্যমে দেয়া পৃথক প্রতিবাদলিপিতে তারা বলেন, প্রকাশিত সংবাদে তাদের জড়িয়ে যেসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা সত্য নয়, সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, কুরুচিপুর্ণ, মানহানিকর ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। তারা প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, সুজন-বাক্কার বিরোধী অপপ্রচার মুলত এমপির বিরুদ্ধে। যেহুতু এমপিকে নিয়ে সরাসরি অপপ্রচার করার মতো কোনো বিষয় নাই, তাই কৌশলে এমপির কাছের মানুষদের জড়িয়ে অপপ্রচারের মাধ্যমে এমপিকে বিব্রত করতেই এসব করা হচ্ছে। কারণ চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে একটি পদের বিপরীতে রীতিমতো ঢাকডোল পিটিয়ে, খোলা-বাজারে দরদাম হাঁকিয়ে দশ জনের কাছে টাকা নেয়ার নজির রয়েছে সেটা নিয়ে কারো কোনো কথা নাই। এছাড়াও আওয়ামী লীগের প্রায় ১৫ বছরে সারাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে নিয়মে নিয়োগ হয়েছে, তানোরেও সেই নিয়মে নিয়োগ হয়েছে, এখানো হচ্ছে। সেসব নিয়োগ কারা দিয়েছে, তাহলে এতোদিন পর কেনো সাধারণ নির্বাচনের আগে নিয়োগ নিয়ে এমন মানহানিকর অপপ্রচার করা হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হলো সুজন-বাক্কার কে এরা কি আওয়ামী লীগের কোনো দায়িত্বশীল পদে রয়েছে, না কি তারা এমপির প্রতিনিধি তাহলে তারা নিয়োগ পক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে কি ভাবে। আর তাদের হাতে এতো টাকা দিলো কে মানুষ কি এখানো এতো বোকা রয়েছে, যে কারো হাতে লাখ লাখ টাকা তুলে দিবেন।
সচেতন মহলের ভাষ্য, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনবল নিয়োগের সম্পুর্ণ ক্ষমতা থাকে পরিচালনা কমিটির হাতে। সুুুজন-বাক্কারের হাতে যদি জনবল নিয়োগের ক্ষমতা থাকতো তাহলে তারা অনেক আগেই নিয়োগ দিতে পারতেন। প্রকৃত ঘটনা সামনে সাধারণ নির্বাচন ঘিরে এমপিকে বিতর্কিত করতে একটি বিশেষ মহল গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এসব গায়েবী তথ্য দিয়েছে। আবার অনেকে এমপির কাছে বিশ্বাসের জায়গা হারিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে চরম হতাশা থেকে এসব খবরের রসদ যোগাচ্ছে। এদের অনেকের আশঙ্কা আগামি দিনের রাজনীতিতে সুজন-বাক্কারের হাতে অনেক কিছুর নিয়ন্ত্রণ চলে যেতে পারে। এসব আশঙ্কার কারণে তারা সুজন-বাক্কারের বিরুদ্ধে নানা কেচ্ছা-কাহিনী প্রচার শুরু করেছে। কিন্ত্ত ওপরে থুতু ছিটালে নিজের গায়ে পড়ে সেটা তারা ভুলে গেছে।
স্থানীয়দের বলছে, সমসাময়িক ও গতানুগতিক রাজনীতিতে সুজনবিরোধীরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে নেমে এসে সুজনের রাজনীতির শুরু, যে কারণে সুজনের উঙ্খানে তারা হতাশ। এছাড়াও সুজনের যদি অবৈধ অর্থলিপ্সা থাকতো, তাহলে সুজন রাজনৈতিক নেতা বা জনপ্রতিনিধি না হয়েও তানোরের বিভিন্ন মসজিদ-মাদরাসা-মন্দির-গীর্জা-এতিমখানা, রাস্তা-ঘাট ইত্যাদিতে কোটি কোটি টাকা দান-অনুদান দিয়েছেন। তাছাড়া সুজনের ঠিকাদারী, হোটেল,ট্রাকসহ ১৯টি বৈধ ব্যবসা রয়েছে, তাই নিয়োগ বাণিজ্যর মতো হাস্যকর ঘটনা তার দ্বারা ঘটানো অসম্ভব, এটা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অপপ্রচার।