স্টাফ রিপোর্টার -ঃ কুমিল্লা জেলা পরিষদ ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ই অক্টোবর। এখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় চেয়ারম্যান নির্বাচীত হলে কিছু কিছু ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হচ্ছে।
নারীদের জন্য সংরিক্ষত ওয়ার্ড নং-৬ যাহা চৌদ্দগ্রাম, সদর দক্ষিণ ও নাঙ্গলকোট নিয়ে গঠিত । এই ওয়ার্ডে প্রার্থী দুইজন । একজনের বাড়ি চৌদ্দগ্রাম পৌরসভায় । প্রতীক ফুটবল, নাম মোসাঃ রহিমা আক্তার শিল্পী ,অপরজন বর্তমান স্বামীর বাড়ি কুমিল্লা সদরে এবং বাপের বাড়ি নাঙ্গলকোটের খাজুরিয়া গ্রামে । প্রতীক টেবিল ঘড়ি, নাম নাসরিন আক্তার মুন্নী ।
প্রার্থীদের ভোটারের বিভিন্ন রকম বিশ্লেষণ। তিন উপজেলায় ভোটের সংখ্যা চৌদ্দগ্রামের ১৭২+সদর দক্ষিণের ৯৪+ নাঙ্গলকোটে ২২৪ = মোট ৪৯০। এর মধ্যে নাঙ্গলকোটের ভোটের সংখ্যা বেশি। তাই এখানের ভোটে নির্ভর করবে বিজয়ের মালা যাবে কার গলায়।
টেবিল ঘড়ি প্রতীক প্রার্থী নিজেকে নাঙ্গলকোটের মানুষ দাবী করলেও তাকে নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। ভোটাররা বলেন, একজন নারীর প্রকৃত স্থায়ী ঠিকানা তাঁর স্বামীর বাড়ি। তাই মুন্নী এখন কুমিল্লার ভাবী। সে যতক্ষণ এমরান হোসেন জীবনের বউ ছিলো ততক্ষণ নাঙ্গলকোটের ভাবী। জীবন জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি যাকে চেয়েছেন তাঁকেই পেয়েছেন অর্থাত্ জনৈক জামাল উদ্দিন। আর জামাল জামাইয়ের বাড়ি কুমিল্লা শহরে। সুতরাং মুন্নী কিসের দাবিতে ভোট প্রার্থনা করে।
এছাড়া জীবনের অকাল মৃত্যুর জন্য জীবন শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকেই দায়ী করে। অতএব,নাঙ্গলকোটের ভোটারেরা মুন্নী আদৌ ভোট দিবে কিনা যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। মুন্নীর বেপরোয়া চলাফেরা এলাকাবাসী ভালো চোখে দেখছেনা। এমপি, মন্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক প্রায় গাল-গল্প করেন। তিনি দাবী করে বলেন, মাননীয় অর্থ মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল ওনাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। সেটা কেহই বিশ্বাস করতে চাচ্ছে না। এলাকার ভোটারেরা বলেন, যদি মন্ত্রী মনোনয়ন দিতেন তাহলে মন্ত্রী মহোদয় উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো নেতার সাথে শেয়ার করেননি। এখন তিনি যদি মন্ত্রীর সাথে গোপনে দেখা করে মনোনয়ন নিয়েছেন, বিশ্বাস করব কেমনে ?
পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে নাঙ্গলকোটের মানুষ জীবন হত্যার প্রতিশোধ ব্যালটের মাধ্যমে নিবে। ফলে প্রতিশোধের সুবিধা অটো চলে যেতে পারে ফুটবল প্রতীকের পক্ষে।













