এখন ০৪:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিরামপুরে আগাম জাতের আমন ধান কাটা মাড়াই শুরু

এস এম মাসুদ রানা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি -ঃ দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা খাদ্যশস্যের ভান্ডার হিসেবে বেশ সু-পরিচিত। এবার এই উপজেলায় আগাম জাতের আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। আওবহাওয়া অনুকূল আর বন্যা ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ মুক্ত ভাবে এবার আগাম জাতের আমনের আশাতীত ফলন হয়েছে। আগাম ধান কাটায় খাদ্য চাহিদা পূরণ, বাজারে অধিক মূল্য ও কাঁচা খড় বিক্রিতে অধিক দামের মাধ্যমে সবদিক থেকে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

বিরামপুর পৌরসভার মিরপুর গ্রামের গ্রামের কৃষক আরশ আলী জানান, তিনি প্রায় ৩ বিঘা জমিতে লাল তির আগাম জাতের আমন রোপন করেন। তিনি বিঘা প্রতি ১৮-২০ মন হারে ফলন পেয়েছেন।

উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের খয়েরপাড়া গ্রামের মামুনুর রশিদ জানান, তিনি ৬ বিঘা জমিতে ধানী গোল্ড জাতের আমন রোপন করেছেন। তিনি বিঘা প্রতি ২২-২৪ মন হারে ফলন পেয়েছেন। তিনি আরো বলেন, আগাম জাতের ধান ঘরে তুলতে পেরে খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাজারে ৮-৯শ’ টাকা মন দরে কাঁচা ধান বিক্রি করতে পারছেন। ধানের কাঁচা খড় গো-খাদ্য হিসাবে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতি বিঘার খড় ৪-৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া একই জমিতে আবার আলু,কপিসহ শীতকালীন বিভিন্ন প্রকার শবজি/ফসল রোপনের প্রস্তুতিও চলছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিকছন চন্দ্র পাল জানান, বিরামপুর উপজেলার পৌর এলাকায় ও ৭টি ইউনিয়নে এবার ১৭ হাজার ৪৪৫ হেক্টর জমিতে আমন রোপন করা হয়। এর মধ্যে অনেক জমিতে আগাম জাতের লাল তির, ধানী গোল্ডসহ অন্যান্য ধান রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বিরামপুরে আগাম জাতের আমন ধান কাটা মাড়াই শুরু

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২

এস এম মাসুদ রানা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি -ঃ দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা খাদ্যশস্যের ভান্ডার হিসেবে বেশ সু-পরিচিত। এবার এই উপজেলায় আগাম জাতের আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। আওবহাওয়া অনুকূল আর বন্যা ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ মুক্ত ভাবে এবার আগাম জাতের আমনের আশাতীত ফলন হয়েছে। আগাম ধান কাটায় খাদ্য চাহিদা পূরণ, বাজারে অধিক মূল্য ও কাঁচা খড় বিক্রিতে অধিক দামের মাধ্যমে সবদিক থেকে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

বিরামপুর পৌরসভার মিরপুর গ্রামের গ্রামের কৃষক আরশ আলী জানান, তিনি প্রায় ৩ বিঘা জমিতে লাল তির আগাম জাতের আমন রোপন করেন। তিনি বিঘা প্রতি ১৮-২০ মন হারে ফলন পেয়েছেন।

উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের খয়েরপাড়া গ্রামের মামুনুর রশিদ জানান, তিনি ৬ বিঘা জমিতে ধানী গোল্ড জাতের আমন রোপন করেছেন। তিনি বিঘা প্রতি ২২-২৪ মন হারে ফলন পেয়েছেন। তিনি আরো বলেন, আগাম জাতের ধান ঘরে তুলতে পেরে খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাজারে ৮-৯শ’ টাকা মন দরে কাঁচা ধান বিক্রি করতে পারছেন। ধানের কাঁচা খড় গো-খাদ্য হিসাবে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতি বিঘার খড় ৪-৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া একই জমিতে আবার আলু,কপিসহ শীতকালীন বিভিন্ন প্রকার শবজি/ফসল রোপনের প্রস্তুতিও চলছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিকছন চন্দ্র পাল জানান, বিরামপুর উপজেলার পৌর এলাকায় ও ৭টি ইউনিয়নে এবার ১৭ হাজার ৪৪৫ হেক্টর জমিতে আমন রোপন করা হয়। এর মধ্যে অনেক জমিতে আগাম জাতের লাল তির, ধানী গোল্ডসহ অন্যান্য ধান রয়েছে।