এখন ০৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে দ্রুত সময়ে আসামি ধরায় প্রশংসায় ভাসছেন এসপি শহীদুল

এইচ.এম.আল-আমিন, স্টাফ রিপোর্টার -ঃ নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তাসমিয়া হোসেন অদিতা হত্যা মামলায় আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করায় প্রশংসায় ভাসছেন নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ শহীদুল ইসলাম (পিপিএম)।
বিগত দিনেও অনেক হত্যার ঘটনায় রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হন এসপি মোঃ শহীদুল ইসলাম। অপরদিকে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবি দাঁড়াবেন না বলে জানিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের বিজ্ঞ আইনজীবি এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন।

জানা যায়,গেল বৃহস্পতিবার ২২/০৯/২২ ইং তারিখ সন্ধ্যার দিকে নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর লক্ষ্মীনারায়ণপুরের নিজ বাসায় তাসনিয়া হোসেন অদিতাকে প্রথমে ধর্ষণ পরে গলা ও হাতের রগ কেটে হত্যা করা হয়। রাত ৯ টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত অদিতা নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীনারায়ণপুর মহল্লার আবুল খায়ের পেশকার বাড়ির মৃত রিয়াজ হোসেনের মেয়ে। তার মা একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

দ্রুত সময়ে ৬ ঘন্টায় পুলিশ আসামি গ্রেফতার করায় জেলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসপি শহীদুল ইসলামের প্রশংসা করেছে।

“আমরা গোলাপ” সংগঠনের সমন্বয়ক মুনিম ফয়সাল বলেন- ঘটনাটা অত্যন্ত জঘণ্য কাজ। সুস্থ মানুষের পক্ষে এসব করা সম্ভব না। নেশাগ্রস্ত মানুষের পক্ষে সবই সম্ভব।আসামিরা পূর্বেও অদিতার পরিবারকে হুমকি দিয়েছে।সমাজের জনপ্রতিনিধিরা কি ভূমিকা রাখছে সেটাই প্রশ্ন থেকে যায়। একটা অপরাধ আরেকটা নতুন অপরাধের জন্ম দেয়। আমরা অপরাধমুক্ত নোয়াখালী চাই। যেখানে থাকবে না কোনো সন্ত্রাস,খুনি,মাদকাসক্ত নানা অপরাধে জড়িত মানুষেরা।আমরা মানুষরাই সচেতন না।সবাইকে সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে। একজন বিপদে পড়লে আরেকজন এগিয়ে আসি না এসব সংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। মন-মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। তাহলেই সমাজ অপরাধমুক্ত হবে।

তিনি আরো বলেন- নিঃসন্দেহে নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ শহীদুল ইসলাম স্যার অল্প সময়ে আসামি গ্রেফতার করায় অত্যন্ত ভালো কাজ করেছেন এবং তিনি প্রশংসার দাবিদার। নোয়াখালীতে আমরা ভালো মনের একজন এসপি পেয়েছি।

নোয়াখালী জেলার ক্রাইম কন্টোল পুলিশ সুপার এসপি মোঃ শহীদুল ইসলাম জানান- দেখুন ! অপরাধ যেনো সংগঠিত না হয় সেজন্য পুলিশ রাতদিন অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে ডিউটি পালন করছে।আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করি সমাজে যেনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রত্যেকটি কাজ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে।নৃশংসভাবে অদিতা হত্যায় আসামি গ্রেফতার করতে আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি। এক্ষেত্রে পুলিশের পাশাপাশি ডিবি,সিআইডি,পিবিআই অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থারাও মাঠে কাজ করেছে।

প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে অদিতার সাবেক শিক্ষক ঘটনার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করেছে।

বিজ্ঞ আদালতের কাছে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয় আদালত আসামি রনিকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যাবে কেনো এ পৈশাচিক অত্যাচার করে অদিতাকে হত্যা করা হয়েছে। কারা কারা এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তদন্তের শেষে জানিয়ে দেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

নোয়াখালীতে দ্রুত সময়ে আসামি ধরায় প্রশংসায় ভাসছেন এসপি শহীদুল

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৪০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

এইচ.এম.আল-আমিন, স্টাফ রিপোর্টার -ঃ নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তাসমিয়া হোসেন অদিতা হত্যা মামলায় আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করায় প্রশংসায় ভাসছেন নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ শহীদুল ইসলাম (পিপিএম)।
বিগত দিনেও অনেক হত্যার ঘটনায় রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হন এসপি মোঃ শহীদুল ইসলাম। অপরদিকে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবি দাঁড়াবেন না বলে জানিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের বিজ্ঞ আইনজীবি এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন।

জানা যায়,গেল বৃহস্পতিবার ২২/০৯/২২ ইং তারিখ সন্ধ্যার দিকে নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর লক্ষ্মীনারায়ণপুরের নিজ বাসায় তাসনিয়া হোসেন অদিতাকে প্রথমে ধর্ষণ পরে গলা ও হাতের রগ কেটে হত্যা করা হয়। রাত ৯ টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত অদিতা নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীনারায়ণপুর মহল্লার আবুল খায়ের পেশকার বাড়ির মৃত রিয়াজ হোসেনের মেয়ে। তার মা একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

দ্রুত সময়ে ৬ ঘন্টায় পুলিশ আসামি গ্রেফতার করায় জেলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসপি শহীদুল ইসলামের প্রশংসা করেছে।

“আমরা গোলাপ” সংগঠনের সমন্বয়ক মুনিম ফয়সাল বলেন- ঘটনাটা অত্যন্ত জঘণ্য কাজ। সুস্থ মানুষের পক্ষে এসব করা সম্ভব না। নেশাগ্রস্ত মানুষের পক্ষে সবই সম্ভব।আসামিরা পূর্বেও অদিতার পরিবারকে হুমকি দিয়েছে।সমাজের জনপ্রতিনিধিরা কি ভূমিকা রাখছে সেটাই প্রশ্ন থেকে যায়। একটা অপরাধ আরেকটা নতুন অপরাধের জন্ম দেয়। আমরা অপরাধমুক্ত নোয়াখালী চাই। যেখানে থাকবে না কোনো সন্ত্রাস,খুনি,মাদকাসক্ত নানা অপরাধে জড়িত মানুষেরা।আমরা মানুষরাই সচেতন না।সবাইকে সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে। একজন বিপদে পড়লে আরেকজন এগিয়ে আসি না এসব সংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। মন-মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। তাহলেই সমাজ অপরাধমুক্ত হবে।

তিনি আরো বলেন- নিঃসন্দেহে নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ শহীদুল ইসলাম স্যার অল্প সময়ে আসামি গ্রেফতার করায় অত্যন্ত ভালো কাজ করেছেন এবং তিনি প্রশংসার দাবিদার। নোয়াখালীতে আমরা ভালো মনের একজন এসপি পেয়েছি।

নোয়াখালী জেলার ক্রাইম কন্টোল পুলিশ সুপার এসপি মোঃ শহীদুল ইসলাম জানান- দেখুন ! অপরাধ যেনো সংগঠিত না হয় সেজন্য পুলিশ রাতদিন অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে ডিউটি পালন করছে।আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করি সমাজে যেনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রত্যেকটি কাজ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে।নৃশংসভাবে অদিতা হত্যায় আসামি গ্রেফতার করতে আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি। এক্ষেত্রে পুলিশের পাশাপাশি ডিবি,সিআইডি,পিবিআই অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থারাও মাঠে কাজ করেছে।

প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে অদিতার সাবেক শিক্ষক ঘটনার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করেছে।

বিজ্ঞ আদালতের কাছে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয় আদালত আসামি রনিকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যাবে কেনো এ পৈশাচিক অত্যাচার করে অদিতাকে হত্যা করা হয়েছে। কারা কারা এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তদন্তের শেষে জানিয়ে দেওয়া হবে।