আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরে মেসার্স আরাত এগ্রো খামার এলাকায় বেকারত্ব দুরীকরণে বড় ভূমিকা রাখছে। এছাড়াও শিক্ষিত বেকারদের চাকরির পিছনে পিছনে ঘুরে সময় ব্যয় না করে উদ্যোগক্তা হতে এই খামার উৎসাহ দিচ্ছে। ইতমধ্যে আরাত এগ্রো খামারের কর্মযজ্ঞ দেখে অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক গরুর খামার তৈরীতে মনোযোগী হয়েছে।
জানা গেছে, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক, তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী ও তরুণ নেতৃত্ব আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজন তানোর পৌর এলাকার গোল্লাপাড়া মহল্লায় মেসার্স আরাত এগ্রো গরুর খামার গড়ে তুলেছেন। এখানে প্রায় ২০ জন শ্রমিকের প্রয়োজন,তবে বর্তমানে ৫ জন কর্মরত রয়েছেন। একদিকে যেমন এই খামার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান হবে, অন্যদিকে তেমনি এই খামার বাণিজ্যিকভাবে গরুর খামার করতে অন্যদের উৎসাহিত করবে।
অপরদিকে রাজশাহী মহানগরীর গণকপাড়া হোটেল গ্র্যান্ড (আবাসিক) বেকারদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আশ্রয়হীনদের নিরাপদ আশ্রয়াস্থল বা আশার বাতিঘর হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, তানোরের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ অফিস-আদালত,ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা কাজে রাজশাহী শহরে যায়। কিন্ত্ত কায শেষ করে রাত্রিতে বাড়ি ফেরা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয় না। এদের মধ্যে অনেকের টাকা থাকার পরেও সময় স্বল্পতাসহ
বিবিধ কারণে হোটেল থাকতে পারে না। আবার অনেকের পক্ষে হোটেল ভাড়া করে শহরে থাকার মতো সামর্থ্য থাকে না। আবার অনেক রাজনৈতিক নেতা বা জনপ্রতিনিধি থাকলেও এসব মানুষের কেউ খবর রাখে না, এসব মানুষেরাও তাদের সন্ধান করতে পারে না। ফলে তাদের রেলস্টেশন, ফুটপাথ বা মসজিদে রাত্রিযাপন করতে হয়। এসব মানুষের দুর্ভোগ মানবিক নেতৃত্ব সুজনকে ব্যথিত করে। স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর আহবানে সাড়া দিয়ে তিনি হোটেল ব্যবসা শুরু করেন এবং তার হোটেলের সকল স্টাফ নিয়োগে তানোরের মানুষ বেছে নিয়েছেন। তার উদ্দেশ্য ব্যবসার পাশাপাশি কিছু বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও কিছু মানুষের রাজশাহী শহরে বিপদ-আপদে রাত্রি যাপনের ব্যবস্থা করা। এবিষয়ে জানতে চাইলে আবুল বাসার সুজন বলেন, তাদের প্রধান উদ্দেশ্যে হলো পৌরবাসির অর্থনৈতিক মুক্তি। তিনি বলেন, একদিকে এই খামার দেখে অনেকে গরুর খামার করতে উৎসাহিত হবে, অন্যদিকে অনেক বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, ব্যবসা নয় পৌরবাসীর জন্য ভাল কিছু করায় তার লক্ষ। তিনি আরো বলেন, হোটেল (আবাসিক) ব্যবসা করার তার কোনো ইচ্ছে ছিলনা,তবে তানোরের মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে তার হোটেল ব্যবসা শুরু, তিনি বলেন, প্রতিদিন যদি একজন মানুষেরও উপকার করতে পারি তাহলে সেটাই আমার বড় পাওয়া।













