এখন ০৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্কুল এমপিওভুক্তকরণ নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া

রাজশাহী প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলার ঘাষিগ্রাম ইউপির ঘাষিগ্রাম নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিওভুক্তকরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিন স্কুল পরিদর্শন না করেই অবৈধ সুবিধার বিনিময়ে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষানুরাগী অভিজ্ঞ মহল। অন্যদিকে স্কুল এমপিওভুক্তকরণের খবর ছড়িয়ে পড়লে, সচেতন মহলে আনন্দের পরিবর্তে ক্ষোভ-অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে, জনমনেও দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া।

জানা গেছে, বিগত ১৯৯৮ সালে কোনো সম্ভব্যতা যাচাই না করেই কতিপয় রাজনৈতিক নেতার ইচ্ছে পুরুণে রাজনৈতিক বিবেচনায় ঘাষিগ্রাম ইউপির ঘাষিগ্রামে ঘাষিগ্রাম নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ২০০০ পাঠদান ও ২০০৩ একাডেমিক স্বীকৃতি অর্জন করে। বিদ্যালয়ে দশজন শিক্ষক ও দুজন কর্মচারী রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, অবকাঠামো ও শিক্ষার্থী সঙ্কটের কারণে স্কুলের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধছিল। কিন্ত্ত ২০২২ সালের ৬ জুলাই বিদ্যালয় এমপিওর জন্য তালিকা ভুক্ত হয়। এই স্কুল এমপিও মানে সরকারের বিপুল অর্থ অপচয় ছাড়া কিছু নয়। স্থানীয়রা আরো জানান, স্কুলের খাতা কলমে শিক্ষার্থী দেখানো হলেও বাস্তবে এর চিত্র উল্টো। এমপিওভুক্ত করতে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যেসব শর্ত রয়েছে তার একটিও পুরণের সক্ষমতা নাই তাদের, এর পরেও এই প্রতিষ্ঠান এমপিও হয় কি বিবেচনায় সেটা অবশ্যই অধিকতর তদন্তের দাবি রাখে। তারা এমপিওভুক্তকরণ বন্ধের দাবি করেন। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বদের জানান, সকল শর্ত পুরুন হয়েছে বলেই এমপিওতে স্কুলের নাম এসেছে। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ প্রায় ২২ থেকে ২৩ বছর ধরে প্রতিষ্ঠান টিকে আছে এটাই বড় বিষয়। এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, এমপিওভুক্ত কিভাবে হয় সেটা সবাই জানেন এখানে আমাদের কিছু করনীয় নাই। এবিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি আফাজ উদ্দিন কবিরাজ বলেন, স্কুলে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির সুযোগ নাই, তিনি বলেন, সকল শর্ত পুরুণ করেই এমপিওভুক্তিকরণ তালিকায় নাম উঠেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

স্কুল এমপিওভুক্তকরণ নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

রাজশাহী প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলার ঘাষিগ্রাম ইউপির ঘাষিগ্রাম নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিওভুক্তকরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিন স্কুল পরিদর্শন না করেই অবৈধ সুবিধার বিনিময়ে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষানুরাগী অভিজ্ঞ মহল। অন্যদিকে স্কুল এমপিওভুক্তকরণের খবর ছড়িয়ে পড়লে, সচেতন মহলে আনন্দের পরিবর্তে ক্ষোভ-অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে, জনমনেও দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া।

জানা গেছে, বিগত ১৯৯৮ সালে কোনো সম্ভব্যতা যাচাই না করেই কতিপয় রাজনৈতিক নেতার ইচ্ছে পুরুণে রাজনৈতিক বিবেচনায় ঘাষিগ্রাম ইউপির ঘাষিগ্রামে ঘাষিগ্রাম নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ২০০০ পাঠদান ও ২০০৩ একাডেমিক স্বীকৃতি অর্জন করে। বিদ্যালয়ে দশজন শিক্ষক ও দুজন কর্মচারী রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, অবকাঠামো ও শিক্ষার্থী সঙ্কটের কারণে স্কুলের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধছিল। কিন্ত্ত ২০২২ সালের ৬ জুলাই বিদ্যালয় এমপিওর জন্য তালিকা ভুক্ত হয়। এই স্কুল এমপিও মানে সরকারের বিপুল অর্থ অপচয় ছাড়া কিছু নয়। স্থানীয়রা আরো জানান, স্কুলের খাতা কলমে শিক্ষার্থী দেখানো হলেও বাস্তবে এর চিত্র উল্টো। এমপিওভুক্ত করতে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যেসব শর্ত রয়েছে তার একটিও পুরণের সক্ষমতা নাই তাদের, এর পরেও এই প্রতিষ্ঠান এমপিও হয় কি বিবেচনায় সেটা অবশ্যই অধিকতর তদন্তের দাবি রাখে। তারা এমপিওভুক্তকরণ বন্ধের দাবি করেন। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বদের জানান, সকল শর্ত পুরুন হয়েছে বলেই এমপিওতে স্কুলের নাম এসেছে। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ প্রায় ২২ থেকে ২৩ বছর ধরে প্রতিষ্ঠান টিকে আছে এটাই বড় বিষয়। এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, এমপিওভুক্ত কিভাবে হয় সেটা সবাই জানেন এখানে আমাদের কিছু করনীয় নাই। এবিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি আফাজ উদ্দিন কবিরাজ বলেন, স্কুলে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির সুযোগ নাই, তিনি বলেন, সকল শর্ত পুরুণ করেই এমপিওভুক্তিকরণ তালিকায় নাম উঠেছে।