এখন ০৪:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় হত্যা মামলার আসামীকে কুপিয়ে হত্যা করলো দুর্বৃত্তরা

  • ক্রাইম লেটার ডেস্ক
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • ৬৪৩ পড়া হয়েছে

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলায় কৃষক রনজু হত্যা মামলার প্রধান আসামী সুলতান আলীকে (৩২) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার শৈলমারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুলতান আলী উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের শৈলমারি গ্রামের আলতাব আলীর ছেলে।

থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুলতান আলী বুধবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ি থেকে ৪০০ মিটার দূরে জলাশয়ের ভেতর কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার করতে যায়। এসময় দূর্বৃত্তরা তার উপর আক্রমন করে কোপাতে থাকে। একপর্যায়ে সুলতান আলী মৃত্যু নিশ্চিত করে দূর্বৃত্তরা সেখান থেকে সটকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন সেখানে মাছ শিকার করতে গিয়ে বিষয়টি টের পেয়ে থানা পুলিশকে সংবাদ দেন। থানা পুলিশ রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করেছেন।

জানা গেছে, সুলতান আলী এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। এলাকায় মাদক দ্রব্য ব্যবসার প্রতিবাদী ছিল একই গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে কৃষক রজনু মিয়া। সুলতান ও তার সহযোগীদের মাদক কারবারের বাধা হয়ে দাড়িয়েছিল কৃষক রনজু। এ অবস্থায় ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারী সন্ধ্যায় রনজু মিয়া বাড়ির অদুরে নিজের জমিতে পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করছিলেন। রাত ৯টার দিকে সুলতান ও তার সহযোগীরা জমির ভেতর রনজুকে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। স্বজনরা রনজুকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ১টায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহত রনজুর স্ত্রী শিরিনা খাতুন বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ওই মামলার প্রধান আসামী সুলতান আলী। ২০২০ সালের ২১ নভেম্বর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঢাকার কাফরুল থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় সুলতান আলী জামিনে বেরিয়ে আসেন।

ধুনট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজ্জাকুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করা হচ্ছে। তবে এ হত্যাকান্ডের কারণ এখন জানা যায়নি। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

বগুড়ায় হত্যা মামলার আসামীকে কুপিয়ে হত্যা করলো দুর্বৃত্তরা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলায় কৃষক রনজু হত্যা মামলার প্রধান আসামী সুলতান আলীকে (৩২) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার শৈলমারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুলতান আলী উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের শৈলমারি গ্রামের আলতাব আলীর ছেলে।

থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুলতান আলী বুধবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ি থেকে ৪০০ মিটার দূরে জলাশয়ের ভেতর কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার করতে যায়। এসময় দূর্বৃত্তরা তার উপর আক্রমন করে কোপাতে থাকে। একপর্যায়ে সুলতান আলী মৃত্যু নিশ্চিত করে দূর্বৃত্তরা সেখান থেকে সটকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন সেখানে মাছ শিকার করতে গিয়ে বিষয়টি টের পেয়ে থানা পুলিশকে সংবাদ দেন। থানা পুলিশ রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করেছেন।

জানা গেছে, সুলতান আলী এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। এলাকায় মাদক দ্রব্য ব্যবসার প্রতিবাদী ছিল একই গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে কৃষক রজনু মিয়া। সুলতান ও তার সহযোগীদের মাদক কারবারের বাধা হয়ে দাড়িয়েছিল কৃষক রনজু। এ অবস্থায় ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারী সন্ধ্যায় রনজু মিয়া বাড়ির অদুরে নিজের জমিতে পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করছিলেন। রাত ৯টার দিকে সুলতান ও তার সহযোগীরা জমির ভেতর রনজুকে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। স্বজনরা রনজুকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ১টায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহত রনজুর স্ত্রী শিরিনা খাতুন বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ওই মামলার প্রধান আসামী সুলতান আলী। ২০২০ সালের ২১ নভেম্বর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঢাকার কাফরুল থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় সুলতান আলী জামিনে বেরিয়ে আসেন।

ধুনট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজ্জাকুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করা হচ্ছে। তবে এ হত্যাকান্ডের কারণ এখন জানা যায়নি। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।