আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা যুবলীগের অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল ড্রাগন চাষে একজন সফল চাষি। স্থানীয় সাংসদ কৃষিবিদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর অনুপ্রেরণায় তিনি দেওপাড়া ইউপি এলাকায় প্রায় ৮ বিঘা পতিত জমিতে মিশ্র বাগান গড়ে তুলেছেন। বাগানের একাংশে করেছেন ড্রাগন চাষ। এক সময় ধারণা ছিল, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা শুধুমাত্র ধান-গম চাষের জন্যই উপযোগী। কিন্তু ধীরে ধীরে কৃষির নানা প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সঙ্গে সে ধারণা পাল্টে গেছে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভিন্ন জাতের ফসল ও ফল চাষেও সাফল্য আসছে। ইতিমধ্যে দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল মাল্টা-পেয়ারা-লেবু-আম ও ড্রাগনের মিশ্র বাগান করে উপজেলা জুড়ে হইচই ফেলেছেন। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসাসহ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তবে গতানুগতিক কৃষির ওপর নির্ভরশীল না হয়ে তিনি সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে লাভজনক ফসল উৎপাদনে বিশ্বাসী। ইতমধ্যে স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী ও রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিলসহ বিভিন্ন বরণ্য ব্যক্তিবর্গ সোহেলের মিশ্র বাগান পরিদর্শন আবিভূত ও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সোহেল জানান, এই অঞ্চলে পানির সংকট একটি যেকোনো ফল চাষের জন্য বড় সমস্যা। এ সংকট মোকাবিলায় ড্রিপ ইরিগেশন পদ্ধতি ব্যবহার করেন তিনি। মূল পাইপ থেকে সরু পাইপের মাধ্যমে পানি দেওয়া হয় প্রতিটি গাছের গোড়ায়। এই পদ্ধতিতে পানির অপচয় হয় না। এবিষয়ে দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল বলেন, মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর মিশ্র বাগান দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হয়ে এবং তার পরামর্শে মিশ্র বাগান গড়ে তুলেছেন। তিনি বলেন, তার টার্গেট ব্যবসার পাশাপাশি কিছু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এবিষয়টি মাথায় সাংসদের পরামর্শে তিনি গরুর খামার ও মিশ্র বাগান গড়ে তুলেছেন।এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, আমরা তাঁর ফলের বাগান পরিদর্শন করেছি। ইতি মধ্যে তিনি আধুনিক ফলচাষি হিসেবে এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন। ফল চাষে তার গবেষণামূলক মনোভাবও আছে। বিদেশ থেকে আমদানি করা কমলা ও মাল্টার চেয়ে দেশে চাষ করা মাল্টা-কমলার স্বাদ কোনো অংশে কম নয়। এ বিষয়ে তাকে নানা রকম পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।













