এখন ০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নামজারি সংশোধনের নামে অর্থ গ্রহনের অভিযোগ তহশীলদারের বিরুদ্ধে

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ নামজারী সংশোধনের নামে ২৬ হাজার টাকা র্অথ গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে সান্তাহার ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী র্কমর্কতা মশিউর রহমান ও অফিস সহায়ক জামাল উদ্দনিরে বিরুদ্ধে। গত ১২ সেপ্টেম্বর সোমবার উপজলো সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড ) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মজিবর রহমান।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, আদমদীঘির দমদমা গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দেিনর ছেলে ফজলে আমিন ফটিক ও তার মৃত ভাইয়ের স্ত্রী আফরোজা বেওয়া তাদের নিজাংশ ও দলিলসুত্রে মালিক হয়ে, ১৮/১৯ অর্থ বছরের ১২৩৯ ও ১০৮৭ নং নামজারী (খারিজ) করে ১৪২৬ সন পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করিয়া দখলভোগ করিয়া আছিতেছিলেন। তাদের এক ওয়ারীশ উক্ত দুটি খারিজ কেস বাতিলের জন্য ২০২০ সালে উপজেলা ভুমি কমিশনার বরাবর মিস কেস দাখিল করেন। তৎকালিন সময়ে উপজেলা কমিশনার ভুমি মিসকেস পর্যালোচনা করে ১২৩৯ ও ১০৮৭ নং খারিজ কেস বাতিল করে মুল হোল্ডিংয়ে জমি ফেরত দেয়ার আদেশ প্রদান করেন।

পূর্বের খারিজের মালিক ফজলে আমিন তার ভাই বউ আফরোজা বেওয়া ও চাচাতো ভাই মজিবর রহমান সহ এ সম্প্যর্কে জানার জন্য সান্তাহার ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহশীলদার মশিউর রহমানের নিকট গেলে বাতিল হওয়া ২ টি খারিজ কেস সংশোধন করে দিবে বলে ভুক্তভোগিদের নিকট ৫০ হাজার টাকা চুক্তি করেন সান্তাহার তহশীলদার মশিউর রহমান ও অফিস সহায়ক জামাল উদ্দীন। ভুক্তভোগীরা চুক্তির ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ২০২০ সালে ১০ হাজার ও ২১ সালে ১৬ হাজার টাকা তহশীলদারের নিকট প্রদান করেন। অর্থ গ্রহনের পর থেকে নামজারী( খারিজ) সংশোধন না করে কালক্ষেপেন করতে থাকে।
গত ১ বছরেও নামজারী (খারিজ) সংশোধন না হলে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তহশীলদার টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন ভাষায় গালিগালাজ করেন। এঘটনায় ভুক্তভোগী মজিবর রহমান নিরুপায় হয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর উপজেলা ভুমি কমিশনার ভুমি (এসিল্যান্ড) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উপজেলা ভুমি অফিস সহায়ক হাসান আলী অভিযোগ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে বলেন, ডাক ফাইলের মাধ্যমে
স্যারের নিকট দেওয়া আছে।
এব্যাপারে সান্তাহার তহশীলদার মশিউর রহমানের সাথে মুঠোফানে যোগাযোগ করলে তিনি কোন সঠিক উত্তর না দিয়ে বলেন অভিযোগ করুক তাতে আমার কি তবে এব্যাপারে াফিস সহায়ক জামাল উদ্দীন জানেন।
অফিস সহায়ক জামাল উদ্দীনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, নামজারী বাতিল হয়েছে তবে সংশোধনের জন্য কোন রকম টাকা নেওয়া হয়নি ।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি (ভারপ্রাপ্ত ) উপজেলা নির্বাহি অফিসার শ্রাবনী রায় বলেন, অভিযোগ পত্র হাতে পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

নামজারি সংশোধনের নামে অর্থ গ্রহনের অভিযোগ তহশীলদারের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৫৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ নামজারী সংশোধনের নামে ২৬ হাজার টাকা র্অথ গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে সান্তাহার ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী র্কমর্কতা মশিউর রহমান ও অফিস সহায়ক জামাল উদ্দনিরে বিরুদ্ধে। গত ১২ সেপ্টেম্বর সোমবার উপজলো সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড ) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মজিবর রহমান।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, আদমদীঘির দমদমা গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দেিনর ছেলে ফজলে আমিন ফটিক ও তার মৃত ভাইয়ের স্ত্রী আফরোজা বেওয়া তাদের নিজাংশ ও দলিলসুত্রে মালিক হয়ে, ১৮/১৯ অর্থ বছরের ১২৩৯ ও ১০৮৭ নং নামজারী (খারিজ) করে ১৪২৬ সন পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করিয়া দখলভোগ করিয়া আছিতেছিলেন। তাদের এক ওয়ারীশ উক্ত দুটি খারিজ কেস বাতিলের জন্য ২০২০ সালে উপজেলা ভুমি কমিশনার বরাবর মিস কেস দাখিল করেন। তৎকালিন সময়ে উপজেলা কমিশনার ভুমি মিসকেস পর্যালোচনা করে ১২৩৯ ও ১০৮৭ নং খারিজ কেস বাতিল করে মুল হোল্ডিংয়ে জমি ফেরত দেয়ার আদেশ প্রদান করেন।

পূর্বের খারিজের মালিক ফজলে আমিন তার ভাই বউ আফরোজা বেওয়া ও চাচাতো ভাই মজিবর রহমান সহ এ সম্প্যর্কে জানার জন্য সান্তাহার ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহশীলদার মশিউর রহমানের নিকট গেলে বাতিল হওয়া ২ টি খারিজ কেস সংশোধন করে দিবে বলে ভুক্তভোগিদের নিকট ৫০ হাজার টাকা চুক্তি করেন সান্তাহার তহশীলদার মশিউর রহমান ও অফিস সহায়ক জামাল উদ্দীন। ভুক্তভোগীরা চুক্তির ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ২০২০ সালে ১০ হাজার ও ২১ সালে ১৬ হাজার টাকা তহশীলদারের নিকট প্রদান করেন। অর্থ গ্রহনের পর থেকে নামজারী( খারিজ) সংশোধন না করে কালক্ষেপেন করতে থাকে।
গত ১ বছরেও নামজারী (খারিজ) সংশোধন না হলে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তহশীলদার টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন ভাষায় গালিগালাজ করেন। এঘটনায় ভুক্তভোগী মজিবর রহমান নিরুপায় হয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর উপজেলা ভুমি কমিশনার ভুমি (এসিল্যান্ড) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উপজেলা ভুমি অফিস সহায়ক হাসান আলী অভিযোগ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে বলেন, ডাক ফাইলের মাধ্যমে
স্যারের নিকট দেওয়া আছে।
এব্যাপারে সান্তাহার তহশীলদার মশিউর রহমানের সাথে মুঠোফানে যোগাযোগ করলে তিনি কোন সঠিক উত্তর না দিয়ে বলেন অভিযোগ করুক তাতে আমার কি তবে এব্যাপারে াফিস সহায়ক জামাল উদ্দীন জানেন।
অফিস সহায়ক জামাল উদ্দীনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, নামজারী বাতিল হয়েছে তবে সংশোধনের জন্য কোন রকম টাকা নেওয়া হয়নি ।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি (ভারপ্রাপ্ত ) উপজেলা নির্বাহি অফিসার শ্রাবনী রায় বলেন, অভিযোগ পত্র হাতে পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।