এখন ০৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ, ১৫ বছর পর আসামির যাবজ্জীবন

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ রংপরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলায় ১৫ বছর পর আসামি মমিনুল ইসলাম বাবুকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
বুধবার রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত ১-এর বিচারক মোস্তফা কামাল এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বাদী পক্ষে আইনজীবী বিশেষ পিপি রফিক হাসনাইন বলেন, ২০০৭ সালের ২৬ মে ভোরে ওই গৃহবধূ প্রতিবেশী ফুফুর বাড়ি থেকে রিকশায় করে নগরীর পীরপুর থেকে মর্ডান মোড়ে যাচ্ছিলেন। পথে লালবাগ খামার সংলগ্ন এলাকায় আসামি মমিনুল ইসলাম বাবু, আসাদুল ও রঞ্জু মিয়া রিকশার গতিরোধ করে। পরে তারা ওই গৃহবধূকে টেনে হিঁচড়ে খামার এলাকার পূর্ব দিকে একটি ঘরে নিয়ে যান। এরপর আসামি বাবু ধর্ষণ করেন। এ সময় অন্য দুই আসামি বাইরে দাঁড়িয়ে পাহারা দেন। সে সময় গৃহবধূর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দুই আসামি পালিয়ে যান। এলাকাবাসী আসাদুলকে আটক করে নগরীর মাহিগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় মামলা করেন।
মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আসামি আমিনুল ইসলাম বাবুকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর দুই আসামি আসাদুল ও রঞ্জু খালাস পান।
তিনি আরো বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছর পরে হলেও ভিকটিম ন্যায়বিচার পেয়েছেন। সে কারণে এ রায়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।’

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

রংপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ, ১৫ বছর পর আসামির যাবজ্জীবন

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ রংপরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলায় ১৫ বছর পর আসামি মমিনুল ইসলাম বাবুকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
বুধবার রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত ১-এর বিচারক মোস্তফা কামাল এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বাদী পক্ষে আইনজীবী বিশেষ পিপি রফিক হাসনাইন বলেন, ২০০৭ সালের ২৬ মে ভোরে ওই গৃহবধূ প্রতিবেশী ফুফুর বাড়ি থেকে রিকশায় করে নগরীর পীরপুর থেকে মর্ডান মোড়ে যাচ্ছিলেন। পথে লালবাগ খামার সংলগ্ন এলাকায় আসামি মমিনুল ইসলাম বাবু, আসাদুল ও রঞ্জু মিয়া রিকশার গতিরোধ করে। পরে তারা ওই গৃহবধূকে টেনে হিঁচড়ে খামার এলাকার পূর্ব দিকে একটি ঘরে নিয়ে যান। এরপর আসামি বাবু ধর্ষণ করেন। এ সময় অন্য দুই আসামি বাইরে দাঁড়িয়ে পাহারা দেন। সে সময় গৃহবধূর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দুই আসামি পালিয়ে যান। এলাকাবাসী আসাদুলকে আটক করে নগরীর মাহিগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় মামলা করেন।
মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আসামি আমিনুল ইসলাম বাবুকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর দুই আসামি আসাদুল ও রঞ্জু খালাস পান।
তিনি আরো বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছর পরে হলেও ভিকটিম ন্যায়বিচার পেয়েছেন। সে কারণে এ রায়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।’